আমার প্রিয় পোস্ট

ভুট্টা ক্ষেতের কড়চা

কম্পিউটার নিরাপত্তার পাঠ - Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ (১)

১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:২৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

ভ্যালেন্টাইন্স ডে উপলক্ষ্যে করিম অনেক রাত জেগে আর শরৎচন্দ্রের উপন্যাস গিলে খেয়ে খোদেজার জন্য বিশাল একটা প্রেমপত্র লিখেছে। পাড়াতো ছোট ভাই গনেশের হাত দিয়ে ওটা খোদেজার কাছে পাঠানো দরকার। কিন্তু সমস্যা হলো খোদেজার বড় ভাই পাড়ার মাস্তান কালা শওকত, গনেশকে দেখতে পেলেই মারধোর করে চিঠিটা হাত করে পড়ে করিমকে আর আস্ত রাখবে না। তাহলে উপায়? কীভাবে করিম খোদেজাকে চিঠিটা পাঠাবে, যাতে করে শওকতের হাতে খামটা পড়লেও শওকত কিছুই বুঝতে না পারে?
----

Encryption বা তথ্যগুপ্তিকরণ হলো তথ্যকে দুর্বোধ্য করে রাখা। এরকম তথ্যকে দুর্বোধ্য করে ফেলা, আর পরে সুযোগমত দুর্বোধ্য করা তথ্যকে আবার পাঠযোগ্য করার পদ্ধতিগুলো আলোচনা করা হয় কম্পিউটার বিজ্ঞানের শাখা Cryptography (ক্রিপ্টোগ্রাফি)তে।

আধুনিক কম্পিউটারে এর ব্যবহার হয় গোপন তথ্য শত্রুর কাছে অজানা করে রাখার কাজে। অবশ্য এটা খুব নতুন কোনো সমস্যা না, হাজার বছর ধরেই এই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে বা গুপ্তচরদের তথ্য আদান প্রদানে ব্যবহার করা হলেও ইন্টারনেট যুগে এসে বিভিন্ন বাণিজ্যিক যোগাযোগে এনক্রিপসশন ব্যবহার করা হয়।

তথ্যকে দুর্বোধ্য করে রাখার অনেক কৌশল আছে। ছোটবেলাতে আমরা অনেকেই হয়তো ক-যুক্ত করে কথা বলে মজা করতাম। যেমন, সব শব্দের শুরুর অক্ষরের জায়গায় ক বসিয়ে, শুরুর অক্ষরটিকে শব্দের শেষে নিয়ে যাওয়া। (উদাহরণ - "আমি ভাত খাই" হবে "কামিআ কাতভ কাইখ")। যারা এই কথার পদ্ধতিটা জানবে, তারা অর্থ বের করতে পারবে, অন্যরা কিছুই বুঝবেনা।

আরেকটা এরকম পদ্ধতি হলো Caesar Cipher, যাতে প্রতিটি অক্ষরকে নির্দিষ্ট সংখ্যক পরের আরেকটি অক্ষর দিয়ে প্রতিস্থাপন করা যায়। যেমন ধরা যাক, প্রতি অক্ষরকে পরের পরের অর্থাৎ ২ অক্ষর পরের অক্ষর দিয়ে পালটানো হবে। A এর বদলে C, B এর বদলে D - এরকম। এতে করে I EAT RICE হয়ে যাবে K GCV TKEG। এটা আপাত দৃষ্টিতে দুর্বোধ্য মনে হলেও এটার সংকেত বের করে ফেলা খুব সহজ। ইংরেজিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় E অক্ষরটি, কাজেই কয়েকবার চোখ বুলালেই বেরিয়ে আসবে কোনটা E এর বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এনক্রিপশনকে কঠিন করতে ব্যবহার করা হয় Key বা চাবি। চাবি দিয়ে যেমন তালা খোলা যায়, তেমন করে কোনো লেখার অক্ষরের সাথে একটি গোপন চাবি (সাংকেতিক সংখ্যা বা বাক্য) গাণিতিক উপায়ে মিশ্রিত করে গুপ্ত লেখা তৈরী করা যায়। ইন্টারনেটে গেলে প্রায়ই দেখবেন, বিভিন্ন ওয়েবসাইট দাবী করছে তারা ১২৮ বিট এনক্রিপশন ব্যবহার করে। এটা আসলে বোঝায়, ওদের সাইটে ১২৮ বিট দৈর্ঘ্যের কী বা চাবি ব্যবহার করা হয়। "কী" বড় হবে, ততই ভাঙা কঠিন। ১২৮ বিট অবশ্য খুব বেশি শক্ত চাবি না, এখনকার দিনে বেশী গোপনীয় তথ্যের জন্য ১০২৪ বিট বা ২০৪৮ বিট কী ব্যবহার করা হয়।

এই যে কী বা চাবির কথা বললাম, এতো গেলো তথ্য গোপন করার জন্য। গুপ্ত বার্তাটি যার কাছে পাঠানো হচ্ছে, সে বুঝবে কীভাবে? তার কাছেও একই চাবি থাকতে হবে। ব্যাপারটাকে এভাবে চিন্তা করুন - করিম একটা গোপন বার্তা পাঠাবে খোদেজার কাছে, শত্রু শওকত যাতে বুঝতে না পারে এজন্য চিঠিটাকে একটা বাক্সে ভরে তালা মেরে পাঠিয়ে দিলো গনেশের হাত দিয়ে। মাঝপথে শওকতের হাতে যদি বাক্সটা পড়েও যায়, চাবি না থাকলে তো আর শওকত কিছুই করতে পারছেনা। খোদেজার কাছে বাক্স পৌছানোর পরে খোদেজা তার ঐ চাবি দিয়ে বাক্সটা খুলে বার্তাটা পড়তে পারে।

আধুনিক কম্পিউটার যুগেও এরকমই করা হয় ... গোপনীয় বার্তাকে চাবি দিয়ে গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রক্রিয়াজাত করে দুর্বোধ্য করে দেয়া হয়, যা বাক্সে ভরার সমতূল্য। আপনার ব্যাংকের ওয়েবসাইটে যখন লগইন করবেন, তখন আপনার কম্পিউটার থেকে যা বার্তা ব্যাংকের সাইটে যাবে, সবই এনক্রিপ্টেড ভাবে, অর্থাৎ বাক্সবন্দী হয়ে ইন্টারনেটে নানা চেনা অচেনা, বিশ্বস্ত অবিশ্বস্ত কম্পিউটার রাউটার ঘুরে পরিশেষে পৌছাবে ব্যাংকের সাইটে। সেখানে ওদের কাছে একই চাবি থাকাতে ওরা বার্তাকে বাক্সমুক্ত করে পড়ে নিতে পারবে।

---

উপরের প্রক্রিয়াটাতে সমস্যাটা কোথায় ধরতে পারছেন? সমস্যাটা হলো, করিম আর খোদেজা একই চাবি পাবে কীভাবে? চাবি যদি দোকানে কিনতে পাওয়া যেতো, তাহলে তো শওকতের আর সমস্যা নেই, দোকান থেকে চাবি কিনে নিয়েই করিমের চিঠিটা বাক্স থেকে খুলে ফেলতে পারবে।

তা, করিম খোদেজার বাড়ি গিয়ে চাবিটা দিয়ে আসলেই তো পারে? তাই কি? বাড়িতেই যদি চাবি দিতে যেতে পারে, তাহলে চিঠিটা সরাসরি দিয়ে আসলেই তো হয়।

এই সমস্যাটা সব গোপন চাবির এনক্রিপশন ব্যবস্থা, অর্থাৎ সিক্রেট কী ক্রিপ্টোগ্রাফিতেই আছে ... তথ্য গোপন করার চাবিটা কীকরে প্রাপকের কাছে যাবে। আর সেই সমস্যাটাই এড়ানোর জন্য বের করা হয়েছে, পাবলিক কী ক্রিপ্টোগ্রাফি

[চলবে]

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): কম্পিউটার নিরাপত্তাCryptographyপাঠ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: কম্পিউটার নিরাপত্তা  বিভাগে ।

 

  • ৪৪ টি মন্তব্য
  • ৬৯০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২৮ জনের ভাল লেগেছে, ৪ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩১
comment by: এস্কিমো বলেছেন: দারুন লাগল আপনার সূচনাটা।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পড়াশোনাটা অনেক সময় নিরস হয়ে যায়, তাই একটু মজার করার জন্য উদাহরণটা বানালাম।

২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৩
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:



উপসংহার টা তাড়াতাড়ি দিন।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪০

লেখক বলেছেন: অপেক্ষা করুন, কালকে পাবেন। অবশ্য শওকতকে যদি ভয় পান, আর তাকে এড়াতে ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র আগেই এই সমস্যার সমাধান আপনার লাগে, তাহলে অন্য কথা ;)

৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৩৮
comment by: প্রত্যুৎপন্নমতিত্ব বলেছেন: বইসা আছি চাবির জন্য :D
তবে আমার একজন চিঠির প্রাপক ও দরকার :P
৪. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪২
comment by: িদদারুল আলম বাননা বলেছেন:

শওকত জানার আগেই চাই।
৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৪৮
comment by: বামনী তুলাগাছ বলেছেন: +
৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৩
comment by: মুকুট বলেছেন: পরের অংশের অপেক্ষায় রইলাম!
৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
comment by: আইকমবাইকম বলেছেন: আমার ব্যাপার টা জানাছিল। বাট! আপনার কাছে আরো বিস্তারিত জানতে চাই। একেবারে কোর থেকে আডভান্স পজন্ত। আপনাকে একটা মেই করেছিলাম। প্রাপ্তি সিকারও করলেন না, কোন উত্তরও দিলেন না। সে যাই হোক! আপনার লেখা আমার খুব ভালোলাগে। থ্যাংস!!! +
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার ইমেইল পেয়েছি। জবাব দিবো অচিরেই।

৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০১
comment by: বৃত্ত বলেছেন: দারুন! পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।
৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৫
comment by: রাগিব বলেছেন: শওকতের বিরাগভাজন হয়ে গেছি ইতিমধ্যেই! কালা শওকত সামহয়ারইন পর্যন্ত এসে এই লেখা দেখে ক্ষেপে মাইনাস দিয়ে গেছে!
১০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:০৮
comment by: বকলম বলেছেন: Interesting !! গোগ্রাসে গিলছি.... অনেকে অনেক কিছু জানে কিন্তু সহজ করে বোঝানোর ব্যাপারটা সকলে পারে না, যেটা আপনি পারেন।

পরের পর্বের অপেক্ষায়।
১১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:১১
comment by: হাসিবুল বলেছেন: আপনাকেও মাইনাস পেতে হচ্ছে!

বেশীরভাগ ব্লগার ব্যক্তিগত পছন্দ অপছন্দ বিবেচনা করেই
লেখা না পড়েই প্লাস মাইনাস দেয়

সামহোয়ারইনের বর্তমান রেটিং সিস্টেমটা বিভ্রান্তিকর, এইটা তুলে দেওয়া দরকার অথবা পরিবর্তন করা দরকার
১২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২২
comment by: রাগিব বলেছেন: উদাহরণ হিসাবে আমি যে নামগুলো ব্যবহার করছি (করিম, খবির/খোদেজা, গনেশ, শওকত) - এগুলো অনেকটা কম্পিউটার সাইন্সে সিকিউরিটি রিসার্চে বহুল ব্যবহৃত চরিত্র Alice, Bob, Charlie, Mallory, Eve, - এদের মতো। সিকিউরিটির বিভিন্ন সমস্যা বোঝানোর জন্য এই সব চরিত্র ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে Alice, Bob, Charlie এরা নিরীহ মানুষ, নিজেদের মধ্যে সময়ে সময়ে বার্তা লেনদেন করে। Eve হলো eavesdrop করা কুটনা মানুষ, খালি অন্যদের গোপন কথা আড়ি পেতে শুনতে চায়। আর Mallory হলো Malicious adversary ... কেবল অন্যদের কথা শোনাই না, অন্যদের বার্তা পালটে দিয়ে বা গায়েব করে দিয়ে ঝামেলা পাকানোটাই তার ধান্ধা। বাংলাতে এদের ধাঁচে করিম, খবির/খোদেজা, গনেশ, আর শওকতের প্রচলন করার চেষ্টা করছি।
১৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৪
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: আপনার মাঝে দারুন এক শিক্ষকের ভবিষ্যত লক্ষ্য করছি। শুভকামনা।
১৪. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৬
comment by: সাইফুর বলেছেন: রাগিব ভাই..দারুন লেখা.......

আমরা পুথিগত বিদ্যা যা পড়েছি..
তা থেকে আপনার লেখায় আরে ডিটেইলস পাচ্ছি...ভালই লাগছে...
পরের পর্বের অপেক্ষায়....
+
১৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭
comment by: সাইফুর বলেছেন: আপনার এই লেখা গুলো আমাদের অনেক কাজে আসবে..শিউর
১৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৫
comment by: মুহাম্মদ বলেছেন: ড্যান ব্রাউনের "ডিজিটাল ফোরট্রেস"-এর কথা মনে হয়ে গেল। আমেরিকার "ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স" (এনএসআই) ট্রান্সএলটিআর নামে একটি সুপার কম্পিউটার নির্মাণ করে যা তাদের মতে পৃথিবীর যেকোন এনক্রিপশন ভেঙে ফেলতে পারে। কিন্তু এনএসআইয়ের এক বহিষ্কৃত কর্মকর্তা এমন একটি কোড তৈরী করে যা ট্রান্সএলটিআর ভাঙতে পারেনা। কারন, এই ডিজিটাল ফোরট্রেস, কোড ডিক্রিপ্ট করার শেষে পৌঁছে গেলেও সব প্রক্রিয়াকে আবার শুরুতে পাঠিয়ে দেয়। ফলে চক্রাকারে ঘুরতেই থাকে। ডিজিটাল ফোরট্রেসের কি টাও বানানো হয় ডিজিটাল ফোরট্রেস দিয়ে। ভিলেন ডিজিটাল ফোরট্রেস ইন্টারনেটে ফ্রি ছেড়ে দেয়। কিন্তু কি না পাওয়ার কারণে কেউই তা খুলতে পারেনা। এনএসআইকে সে জানায়, তার শর্ত মেনে না নিলে এই কি সে প্রকাশ করে দেবে। যার ফলে ট্রান্সএলটিআরের আর কার্যকারিতা থাকবেনা। কিন্তু খুন হয় এই ভিলেন। এখান থেকেই কাহিনী শুরু। এই ব্লগ ও তার পরেরগুলো পড়লে আশাকরি উপন্যাসটি আরও ভাল বুঝতে পারব।
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: ক্রিপ্টোগ্রাফির ইদানিংকার ইতিহাস বেশ চমকপ্রদ বটে। পাবলিক কী ক্রিপ্টোগ্রাফি যে দুজনের হাতে তৈরী, তাদের একজন হুইটফিল্ড ডিফির জীবনী পড়ে দেখুন, বেশ ইন্টারেস্টিং। আবার, ইংল্যান্ডের গোয়েন্দা সংস্থা এমআই-৫ নাকি এটা অনেক আগেই আবিষ্কার করে বসে ছিলো, কিন্তু প্রকাশ করেনি।

তার উপর, ইদানিং শোনা যাচ্ছে, কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি এসে পড়লে নাকি এখনকার সব ক্রিপ্টোগ্রাফি বাতিল হয়ে যাবে।

১৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:০৭
comment by: লোকালটক বলেছেন: সহজবোধ্য, কিন্তু জটিল লেখা। তবে আমি বিশেষ কৌতূহলী হচ্ছি অন্য বিষয়ে। নির্দোষ লেখাটায় কোন্ কোন্ ছাগু ওরফে কাঠমোল্লার আঁতে ঘা লাগল যে, তিনটা মাইনাস পড়ল?
১৮. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১০
comment by: সাইফুর বলেছেন: কেডায় মাইনাচ দিলো???!!!!!
এই লেখায় যে মাইনাচ দিছে..হেইডা কে???!!!
১৯. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১৩
comment by: রাগিব বলেছেন: ঐযে বললাম, কালা শওকত এবং তার দল!! চিঠি গোপনের পদ্ধতি ফাঁস করে দেয়াতে খেপে গেছে!! কই যাই!
২০. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৩৩
comment by: আন্ধার রাত বলেছেন:

এভাবেই সহজ করে লিখিয়েন যাতে আমার মত নন টেকনিক্যাল পাবলিকও চাখতে পারে।

আপনার লেখা আমি খুব পছন্দ করি বরাবরই।

+++++
২১. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫২
comment by: আশার আলো বলেছেন: ভালো লেখা।

ঘটনাক্রমে একটা ঘটনা মনে পড়ে গেলো। অধুনালুপ্ত একটা বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ে একবছর পড়িয়েছিলাম। একটি ক্লাশে হার্ডড্রাইভের ভিতরে ফোল্ডার /সাব-ফোল্ডার/ফাইল এর উপমা দিতে মেইন রোড/রোড/ বাড়ী/ফ্লাট এর উদারহন দিতে গিয়ে প্রশ্নের সম্মখীন হয়েছিলাম "মেইন রোড/রোড/ বাড়ী/ফ্লাট" কম্পিউটারের ভিতরে ঢুকবে কিভাবে?"

২২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:৫৩
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: শ্রদ্ধেয় রাগিব স্যার

আপনার লেখাটি অতীব সুখপাঠ্য হইলো.....আপনি যেরকম সহজবোধ্য করিয়া লিখিয়াছেন.....এরকম কেহ লিখিতে পারিবে কিনা সন্দেহ জাগিতেছে.....বেশ আগে কম্পিউটার বিষয়ক কোন একটি ম্যাগাজিনে ক্রিপটোগ্রাফী/কম্পিউটার সিকিউরিটি নিয়া একটি লেখা পড়িয়া বুঝিতে বেশ বেগ পাইতে হইয়াছিলো....আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ

পরেরটুকু শিঘ্রই দিবেন বলিয়াই আশা রাখছি....আপনি ভাল থাকিবেন

বিনীত

সামী মিয়াদাদ (এক অধম ব্লগার)
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:১৬

লেখক বলেছেন: সামী ভাই, "স্যার" ডেকে আর লজ্জ্বা দিবেন না। :)

পাঠ্যবই হিসাবে আমাদের যা গিলতে হয়েছিলো, সেগুলোও বেশ নিরস ছিলো। আমার খালি মনে হতো, ইন্টারেস্টিং করে কেনো এরা লিখেনা বইগুলো। আসলে "বিশেষজ্ঞ"-রা খুব সিরিয়াস হয়, সহজে লিখতে চায়না।

ইন্টারেস্টিং বইয়ের উদাহরণ হলো ট্যানেনবমের লেখা নেটওয়ার্কিং এর বইটা -- অনেক কিছুই মজার করে লেখা।

২৩. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:০৬
comment by: ফারহান দাউদ বলেছেন: চলছে,চলবে। কী-টা কিভাবে মেশানো হয়,মানে পদ্ধতিটা, সেটা একটু লিখলে ভালো হইতো রাগিব ভাই,কৌতুহল আরকি।
২৪. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৫
comment by: মদনবাবু বলেছেন: +

আবারো দৌড়াক ।

আর কালা শওকত হইতে সা ব ধা ন ।
২৫. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:২৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: ভালো লাগতেছে। এইখানেও মাইনাস!! কই যাই! :)
২৬. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৩৬
comment by: আমার জন্য লেখা বলেছেন: great, but caesar cipher is kind of substitution cipher. in case of caesar cipher the key is always 3. and equation will be C= E(p)=p+3 am i right? it will be great if u discuss about private key and public key.....thanks
২৭. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ৯:৪০
comment by: মেন্টাল বলেছেন: রাগিব ভাইয়ের টেকি পুস্ট দেইখা ছাগু গরম হইছে। রাগিব ভাই যদি রেগুলার টেকি পুস্ট ছাড়ে তাইলে তো আর ছাগুর পুস্টে কেউ যাইবো না।
২৮. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১৪
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: রাগিব ভাই শেষটা র জন্য বসে আছি। জাষ্ট জানার জন্য,
২৯. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ২:৪১
comment by: নিবেদীতা বলেছেন: দারুন লাগল
৩০. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮
comment by: কাঙাল মামা বলেছেন: জটিল হইছে ভাইয়া...আমি বুঝি না আমাদের text book গুলা আপনার লেখার মত হয় না কেনো?:(

এরকম আরো লেখা চাই..আরো..আরো..আপনিই পারবেন আমাদের মত মুর্খদের সহজ ভাবে বুঝাইতে..

ধন্যবাদ
৩১. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১০
comment by: মনের কথা বলেছেন: দাদা সূচনা ভালোই লাগলো। পরের পোস্টগুলাও শোকেসে যাবে কিন্তু, চাবি আমি একবার দিয়ে আসলাম তার পরে চিঠি পাঠানো শুরু করলাম সেইটার সমস্যা নিয়া যদি কিছু বলেন.।
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৭

লেখক বলেছেন: সেটার সমস্যা তো আছেই ... দুইজনের কারো একজনের চাবি হারিয়ে গেলেই আবার কাজটা করতে হবে। তাছাড়া আরেকটা ব্যাপার হলো, যত জনকে গোপন কথা পাঠাবেন, সবার সাথে গিয়ে একবার দেখা করে আসতে হবে চাবি দেয়ার জন্য।

৩২. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৬
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: দারুন লিখেছেন রাগিব ভাই ,
একবার পড়লে কার সাধ্য আছে না বুঝে থাকতে পারবে ?

অনেক ধন্যবাদ
৩৩. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:১৬
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: অসাধারণ সূচনা। পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায়।
৩৪. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:২৪
comment by: ত্রিভুজ বলেছেন:

চলুক...... অপেক্ষায় আছি।


(আপনি একটা বই লিখে ফেলুন রাগিব ভাই। বাংলা ভাষায় সহজ করে কম্পিউটারের কথা বলার মত একজনও নেই... আমরা সামহোয়্যারের সব ব্লগার সেই বইয়ের মার্কেটিং করবো। দরকার হলে ব্লগে প্রতিদিন একটা করে রিভিউ ছাপানো হবে... আসলেই বাংলা ভাষায় ভাল কোন কম্পিউটারের বই নেই। দু:খ লাগে....!)
৩৫. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ ভোর ৫:৪১
comment by: ম. রহমান বলেছেন: চমৎকার হইছে...চালিয়ে যান রাগিব ভাই...
৩৬. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৪
comment by: পিক্সেল বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। জটিল বিষয় সহজভাবে তুলে ধরেছেন। পাবলিক কী ক্রিপ্টোগ্রাফি জানার অপেক্ষায় থাকলাম। +
৩৭. ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:১৩
comment by: কাঙাল মামা বলেছেন: আপনি একটা বই লিখে ফেলুন রাগিব ভাই। বাংলা ভাষায় সহজ করে কম্পিউটারের কথা বলার মত একজনও নেই... আমরা সামহোয়্যারের সব ব্লগার সেই বইয়ের মার্কেটিং করবো। দরকার হলে ব্লগে প্রতিদিন একটা করে রিভিউ ছাপানো হবে... আসলেই বাংলা ভাষায় ভাল কোন কম্পিউটারের বই নেই। দু:খ লাগে....!
১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাঙাল মামা। বই লেখার ইচ্ছা আমার মাঝে মাঝেই হয়। বুয়েটে আমাদের ইলেকট্রিকালের একটা বই পড়াতো - মিলম্যান নামে এক লোকের লেখা ... কীরকম জঘন্যভাবে বই লিখতে হয় তার প্রতিযোগিতায় ১ম হবার কথা। ঐ রকম অজস্র "পাঠ্য" বই গিলতে হয়েছে, আর মনে হয়েছে ... এরকম বাজে করে লিখে কেনো পাঠ্যবই।

পাঠ্যবইতে মজা নাই। গাজী শামসুর রহমান "আইন আদালত" অনুষ্ঠানে দবির/সবির করে কী সুন্দর করে আইন বোঝাতেন, তাই না? (আশির দশকে যারা টিভি দেখেছে মনে করতে পারবে তারা)। আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, কম্পিউটারের পাঠ্য বই যারা লিখেছে, জীবনে কোনোদিন তারা টিউশনি করায়নি, বা কাউকে কোনো বিষয় বোঝাবার চেষ্টা করেনি। "আঁতেল" বিদ্বানেরা বইটই লিখে ভরিয়ে ফেলছে, কিন্তু আম-জনতার পক্ষে তা বোঝা গেলো কি না, তার মাথা ব্যাথা নেই। এরকম বই পুরোপুরি অর্থহীন।

 

 


আমি রাগিব হাসান। ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে বসে আমি গণক মশাইকে পাহারা দেই, ও পাহারা দেয়ার তরিকা নিয়ে গবেষণা করি।

পেশায়...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৪৯১১৯