আমার প্রিয় পোস্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আত্বসম্মানবোধ!!!

২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

একজন সেনা ছাত্রের কলার ধরার কারণে ফুঁসে উঠল পুরো দেশ ।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আত্তসম্মানে লেগেছে!!তারা হলো স্ফুলিংগ। তাদের গায়ে হাত দেয়া যাবে না ,খবরদার!!!

গত চার বছর যাবত বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে আছি (এফ,এইচ,হল)। দেখেছি তাদের আত্তসম্মানবোধ।

পলিটিক্যাল জুনিয়র ছেলেরা গায়ে হাত তোলে,ফ্যাল ফ্যাল করে চেয়ে থাকি।ক্যান্টিনে প্রতিবেলা ৩০ জন ফাও খায়,যার দাম দিতে হয় আমাদের, বেশী দামে অখাদ্য খেয়ে।টিভি রুমে বাংলাদেশের খেলার সময় তিন বছরের জুনিয়র এক ছেলে রিমোট হাতে নিয়ে এম টি ভি তে হিন্দী ভিডিও সং দেখে, কিছুই বলতে পারি না। দেখলে ওরা যা দেখে তাই দেখো,নয়তো নয়।দু একজন প্রতিবাদ করে জুনিয়রদের হাতে অপমান হয়েছে, তাই এখন সবাই চুপ।
হায়রে আত্তসম্মানবোধ!!!

পেপার রুমে আর গেমস রুমে তারা আসলেই সিট ছেড়ে দিতে হবে, হোক না জুনিয়র।আমরা হলাম দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক। এগুলো আসলে তাদের জন্য।আমার সামনে এক নেতা হলের হাউস টিউটরকে বাইনচোত গালি দেয়।আমি স্যারের দিকে তাকাই,চোখাচোখি হলে দুজনেই চোখ নামিয়ে নেই, ব্যর্থতায়,অপমানে।ক্যান্টিনে আমাদের জন্য রাত ৯টার পর ভালো কিছু থাকে না,তাদের জন্য ১১টা পর্যন্ত রুমে খাবার যায়।

প্রথম বর্ষে মিছিলে না গিয়ে ল্যাবে যাওয়ায় থাপ্পড় খেয়েছি নিজের বর্ষের ছেলের হাতে।ঐ ভুল আর করি নি।পলিটিক্স করবো না বলে ৪ জনের রুমে পুরো একবছর ২৪ জন থেকেছি,শুধু রাতে এক পাশ হয়ে ঘুমিয়েছি।আর তারা বহিরাগত ফ্রেন্ড নিয়ে ৪ জনের রুমে দু্ইজন থেকেছে।এগুলো আমাদের আত্তসম্মানে লাগে নি।তাই কখনো প্রতিবাদ করতে পারি নি।মেনে নিয়েছি।

আর এখন তাদের অসময়ে,তাদের ইন্ধনে আমাদের আত্তসম্মানবোধ উপচে পড়েছে।তারা আমাদের একটু মূল্য দিচ্ছে,এতো আমাদের পরম পাওয়া!!!

প্রথম দু দিন মিছিলে গিয়েছি কিছু না বুঝে,আমার ভাইয়ের অপমানের শোধ নিতে।পরে তাদের আনাগোনা দেখে নিজের হাত নিজে কামড়েছি।এ কি করছি আমরা? কাদের পথ সুগোম করছি?যা আশংকা তাই হলো।

এ আন্দোলন কখনই সফল হতো না যদি না দু দলের দু:সময় যেতো।তা না হলে যে দল ক্ষমতায় থাকতো তাদের ছাত্র সংগঠনই পিটিয়ে ঠান্ডা করে দিতো (যেমন,হ্যাপীর মৃত্যুর আন্দোলন) অথবা নিজেদের দেনা পাওনার হিসেব মেটাতো আমাদের ব্যবহার করে (যেমন,আনোয়ারুল্লাহ চৌধুরীর পদত্যাগ)।

আমি বিশ্বাস করি এই দলগুলো সাধারণ ছাত্রদের মাজা এভাবে ভেংগে দিয়েছে যেন তাদের ছাড়া সাধারণ ছাত্ররা আর কখনই দাড়াতে না পারে।হলে থাকার প্রতিটি (এখনও আছি) মূহুর্তে নিজেকে মনে হয় পরাধীন,নপুংশক।আস্তে আস্তে তাই মেনে নিয়েছি।শুধু আমি না,বেশীরভাগ ছাত্রই।

এ অবস্হার পরিবর্তনের জন্যই দরকার এ সরকারকে।যাতে আমরা নিজেরাই নিজেদের দ্বায়িত্ব নিতে পারি।নিজেদের মেরুদন্ড সোজা করে হাটতে পারি, চোখ তুলে তাকাতে পারি।কারও ইন্ধন ছাড়াই যাতে সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারি।

আর কিছু কথা সংযুক্ত করি : ২৬-০৮-০৭ ১২:৪৪

কেউ কেউ আমার কথার প্রতিবাদ করেছেন গত দুদিনে,আমাকে গালমন্দ করেছেন।আবার কেউ কেউ প্রতিবাদ কারীদেরও ভর্ত্তসনা করেছেন।একটা গণতান্ত্রিক পরিবেশে এটা খুবই স্বাভাবিক,আমি মেনেও নিয়েছি।
কিন্তু মেনে নিতে পারি না তখন,যখন কেউ কেউ ঐ সব ক্যাডারদের আমার ভাই বানাতে চান(আবার আদরের ছোট ভাই!!!)।
আপনারা এমন কোন ভাতৃত্ববোধ কখনও দেখেছেন,যেখানে গ্রুপিং এর কারণে রাতের অন্ধকারে রড,হকিষ্টিক,চাপাতি দিয়ে হাড় গুড়ো গুড়ো করে কোপানো হয় যতক্ষন না অগ্ঙান হয়?
এমন কোনো ভাই দেখেছেন যে কিনা নিজের স্বার্থের কারণে তার ভাই এর জীবনের দু থেকে তিনটা বছর কেড়ে নেয়?

দেখে থাকলে দয়া করে আমাকে বলবেন,আমার পোষ্ট উইথড্র করবো।

 

 

  • ১২৭ টি মন্তব্য
  • ২৫৯২ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৬৪ জনের ভাল লেগেছে, ৮ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৫১
comment by: মদন বলেছেন: শুধু ৫ দেয়া ছাড়া আর কিছু বললাম না।
২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৬
comment by: লীন বলেছেন: নো কমেন্ট।
৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: মি: লীন,মদন,দেবদারু
রেটিং না কমিয়ে প্রতিবাদ করুন,জবাব দেবো।
ঐ সাহস যদি থাকে।
৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০১
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: শুধুই ৫। আর কি বলব ভেবে পাচ্ছিনা।
ব্লগে ব্লগে কত কি হয়ে গেল এই কয়দিন!! ছাত্র!!
৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০৩
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ় - রেটিং কমানোর কথা আসছে কেন? কে এটাকে ৫ ছাড়া অন্য কিছু দেয় ভেবে পাইনা। তাহলেতো তাকে মূর্খ বলা ছাড়া আর কোন গতি দেখছিনা।
৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০৩
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: @ চতুরভূজ
আপনার ৫ পড়েনি, একটু দেখবেন?
৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০৪
comment by: লীন বলেছেন: আমি ৫ দিয়েছি। কিন্তু মন্তব্য করতে চাই না। :-/
৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০৫
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: এখানে অনেকেই আছে আমি চিনি, যারা মুখে এখন বড় বড় কথা বলছে কিন্তু এক সময় ঐ সব বাটপারদের চামচামি করেছে।
৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০৬
comment by: লীন বলেছেন: সহমত @ চতুরভূজ।
১০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০৭
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ়- আমিতো ৫ আগেই দিয়েছি, এখনতো আর রেট করতে পারছিনা। বুঝলামনা কেন? আমি লগ অফ করে অন করছি, ওয়েট..
১১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০৮
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ধন্যবাদ
চতুরভূজ,লীন,মদন।
১২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১২
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: নাহ, কিং, কোন সমস্যাতো খুঁজে পেলামনা। আপনি আবার রি-চেক করুন।
১৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১২
comment by: মামু বলেছেন: এসব ছাত্ররাই হল দেশের গর্ব। দেশের সূর্যসন্তান। দেশ প্রেমিক।


এসব ছাত্র যা করবে সবই হালাল। এদের বিরুদ্বে কিছু বললে হতে হবে দেশ দ্রোহী। এদের কোন কাজের প্রতিবাদ করা যাবে না।


ইতর শ্রেনী তাদেরকেই বলে যারা নিরিহ মানুষের গাড়ী পোড়ানোকে, দোকান লুট কে ঠিক বলে, ন্যায়্য বলে।
১৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১২
comment by: মাথামোটা বলেছেন: আবালের আবালীয় মন্তব্য গ্রাহ্য নয়।

জুনিয়র পোলারা যদি ... মারে, তো কি সবাই কে ... মারতে দিবেন?

যুক্তিতে আসেন। মারামারি কোথায় হয় না? প্রতিবাদ না করে পালিয়ে যাওয়া কাপুরুষতারই লক্ষন।
শুধু এখানে নয় সবখানেই অন্যায়ের প্রতিবাদ করা শিখুন।
১৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১৭
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: @ মাথামোটা
আপনি হয়তো কখনো হলে থাকেন নি।তাই যত সহজে কথাটা বললেন ব্যাপারটা তত সহজ নয়।আমি নিজে একবার টিভির চ্যানেল চেইন্জ করতে গিয়ে জুনিয়রদের হাতে লান্চিত হয়েছি।এখনকার আন্দোলনের অনেকেই ছিলো সামনে,কেউ প্রতিবাদ করে নি।শুনুন,ওরা থাকে দলবেধে,হাতে অস্ত্র।তাই ওদের প্রতিবাদ করা এতো সহজ নয়।
১৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১৮
comment by: জায়দান বলেছেন: আহা কি অদ্ভূত যুক্তি। জুনিয়র ছেলেরা কবে কোন সিনিয়রকে চড় দিয়েছিলো, সেজন্য আর্মিরাও চড় মারবে, দোষের কি। জুনিয়র ছেলেরা অকারণে চড় মারলে প্রতিবাদ করুন। আর্মি ক্যাম্পাসে এসে ছাত্রদের পিটালে তারও প্রতিবাদ করুন। দুটো এক জিনিস নয়। মাথামোটার মন্তব্য পড়ুন।

কাপুরুষকে ১ দাগানো হইল।
১৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:১৮
comment by: অন্যরকম বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেলাম.......
ক্ষোভের সাথে ফুটিয়ে তুলেছেন বাস্তবতাকে। বিষয়বস্তু, সময়, প্রয়োজন, শব্দ বিন্যাস, বাক্যের গাঁথুনি, আবেগ, যুক্তি..... সবকিছুর চমত্কার কমবিনেশন! ৫ এর চেয়ে বেশী আর দিতে পারছি না!
১৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:২৩
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: অন্যরকমের মন্তব্যের জন্য অন্যরকম এক পাঁচ। সবাইতো ৫ লিখে, আমি লিখলাম পাঁচ।
আসলে পোষ্টা টপরেটে উঠা দরকার।
১৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:২৬
comment by: জায়দান বলেছেন: ভোটার লিস্ট করা শুরু হয়েছে? ১০ মাস গেল। শুরুই হলো না।
২০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:২৮
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: @ জায়দান
পলিটিক্যাল জুনিয়রদের চেয়ে আর্মির প্রতিবাদ করা অনেক সহজ।কারণ এখানে আমাদের পিছনে স্বার্থান্বেষী ইন্ধনকারী ক্যাডার বাহিনী আছে যারা আমাদের আন্দোলনের ফসল নিজেদের করে নিতেই বেশী আগ্রহী।আর ওদের প্রতিবাদ করতে গেলে ?
দল বেধে সব শেয়াল কুকুরের মতো আক্রমন করতো।
২১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:২৯
comment by: মদন বলেছেন: জায়দান,
আমি জানি না আপনি হলে থাকেন কিনা। থাকলে কতদিন
অবৈধ ছাত্র হলে থাকার জন্য প্রতিবাদ করেছেন?
নেতাদের কেন্টিনে ফাও খাওয়ার প্রতিবাদ করেছেন?
জুনিয়রদের সিনিয়রদের প্রতি অসম্মানের প্রতিবাদ করেছেন?
সেনাদের যেভাবে ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়েছেন (তার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ) সেভাবে কয়জন ছাত্র নামধারী কিছু জানোয়ারকে তাড়িয়েছেন?
২২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:২৯
comment by: আকাশ সাগর বলেছেন: অসাধারণ েলখা। যারা জীবেন কখেনা েহােস্টেল েথেকেছন, তারা এটা বুঝেত পারেবন। অন্যরা েয পারেবন না, েসটা জয়দান অার মাথােমাটার েলখা েদেখ বুঝলাম।
২৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৩০
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @জায়দান
৩৫ বছর ধরে যেই জন্জাল তৈরী করা হয়েছে সেটা এত দ্রুত কারও পক্ষেই ঠেলে সরানো সম্ভব না।
ভোটার লিস্ট নিয়ে আপনাকে যতটা চিন্তিত দেখাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আপনি এতকাল ভোট দিয়ে দিয়ে এ দেশটাকে স্বর্গপুরী বানিয়ে ফেলেছেন। আরে ভাই সময় দেয়াতে আপনাদের এত মাথাব্যাথা কেন বুঝতে পারছিনা।
২৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৩১
comment by: মদন বলেছেন: ১/২ জন ছাত্রকে অপদষ্ত করার জন্য সকল বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলন শুরু করে দেয় কিন্তু ১০০ ধর্ষনের সেঞ্চুরী মানিকের জন্য জাবি ছাড়া আর কোথায় প্রতিবাদ হয়েছে?
২৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৪
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: একমত মদন।
যারা হুমিয়ে থাকে তাদের জাগানো যায় কিন্তু যারা জেগে জেগে ঘুমায় তাদেরকে যাগানো আসলেই কঠিন। জায়দান এবং মাথামোটা, আর কতকাল মাথামোটা হয়ে পড়ে থাকবেন এবার মাথাটাকে চিকন করার ব্যবস্থা করেন সহজ সত্যটাকে ুপলব্ধি করার চেষ্টা করুন।
২৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৫
comment by: মাথামোটা বলেছেন: ভাই আমি হলে থাকি নি সত্যি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়ার যোগ্যতা ছিল না তাও সত্যি।

আপনি প্রতিবাদ করবেন কি করবেন না এটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার, অন্য রা প্রতিবাদ করলে আপনার এত গায়ে লাগে কেন?

১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০ সালেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা এমনই ছিল। তখন ছাত্র রা যদি আপনার মত করত তাহলে আমার বাংলা মায়ের কি হত একবার ভেবে দেখেছেন?
২৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৬
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: আর জাবিতে যারা প্রতিবাদ করেছে সামনে থেকে,পলিটিক্যাল নেতারা পরে তাদের খুজে খুজে হেনস্হা করেছে।
২৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৩৭
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: দঃখিত।
হুমিয়ে=ঘুমিয়ে
যাগানো=জাগানো
ুপলব্ধি=ঊপলব্ধি
২৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
comment by: সাইফ আল মাহমুদ বলেছেন: royal bangal foxকিংকর্তব্যবিমূঢ় ভাই,
ইহা সত্য, জোর যার মুল্লুক তার।
মন্তবের কিছুই নেই। শুধু ইহাই বলবো আমাদের স্কুলের শিক্ষক ঐ সকল দামালদের রয়েল বেঙ্গল ফক্স বলতেন।
৩০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @মাথামোটা
"১৯৫২, ১৯৬৯, ১৯৭১, ১৯৯০ সালেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা এমনই ছিল। তখন ছাত্র রা যদি আপনার মত করত তাহলে আমার বাংলা মায়ের কি হত একবার ভেবে দেখেছেন?"
আবারও মাথামোটার মতই কথা বললেন। সে সময়কার পরিস্থিতীর সাথে আপনি এ সময়কে তুলনা করলেন?!!!! আমাদের সেনাবাহিনীরা কি এই বাংলা মায়ের সন্তান নয়? বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তি বিভিন্ন সম্যে কি তাদের কোন অবদান নেই?
৩১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪১
comment by: মদন বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ়,
আমি আপনার অনুভুতিকে আঘাত করতে চাইনা। অন্যায়ের প্রতিবাদ অবশ্যই কাম্য। কিন্তু তা নিজের ক্ষমতা অনুযায়ী।

সবাই মিলেই আর্মিকে ক্যাম্পাস থেকে তাড়িয়েছে। কেউ একা কিন্তু নয়। তেমনি ক্যাডারদের বিরুদ্ধে দাড়াতে হলেও সম্মিলিত প্রয়াস দরকার। একা নয়। একা হলে আপনার জীবনটাই যাবে আর ক্যাডাররা আরো আতংক সৃষ্টি করবে।

যখন দুইদল নির্বাচন না করে নিজেরা কামড়া কামড়ি করে দেশটাকে জাহান্নামে ঠেলে দিচ্ছিল তখন কিন্তু ছাত্ররা প্রতিবাদ করেনি বরং দু দলের লেজুড় ধরে একজন আরেকজনরে আক্রমন করেছে।
৩২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪২
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: @ মাথামোটা
যখন তোফায়েল,মতিয়া চৌধুরী,মেনন ভাইয়েরা স্টুডেন্ট পলিটিক্স করতো,তখন পলিটিক্স অবশ্যই এখনকার মতো ছিলো না।আমি আবার সেই দিনগুলোর স্বপ্ন দেখী।যখন পলিটিক্যাল নেতারা হবে সত্যিকারের নেতা।সুবিধাবাদী নয়।
৩৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৩
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: তাহলেতো বলতেই হয়,১৯৫২=২০০৭
১৯৫২ এর কোন আলাদা বিশেষত্ব নেই। সেলুকাস!!!!
৩৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৬
comment by: শাইরি বলেছেন: আমি নিজেও হলে থাকি।
ধন্যবাদ কিংকর্তব্যবিমূঢ়কে এতো সুন্দর করে সহজ সত্য কথা বলার জন্য।
আর যারা হলে কখনও থাকে নি,তারা পরিস্হিতিটা কখনই বুঝবে না।
ধন্যবাদ।
৩৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮
comment by: মাথামোটা বলেছেন: সেনাবাহিনীরা এই বাংলা মায়ের সন্তান। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং যুদ্ধ পরবর্তিতে এদের যথেষ্ট অবদান আছে। তাই বলে তারা অন্যায় করবে আর আমরা তার প্রতিবাদ করব না?
৩৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: @ চতুরভূজ
আপনার কথার সাথে একমত নই।
৫২ র আলাদা তাত্পর্য অবশ্যই আছে।কারণ তখন পলিটিক্স করতেন ফেরেশতার মতো মানুষেরা,আর এখন সুবিধাবাদীরা।
আমি আবার সেই সকল দিনের স্বপ্ন দেখী।
৩৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৯
comment by: মদন বলেছেন: "তাহলেতো বলতেই হয়,১৯৫২=২০০৭
১৯৫২ এর কোন আলাদা বিশেষত্ব নেই। সেলুকাস!!!"

সেনাবাহিনী=পাক বাহিনী=রাজাকার
৩৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৫১
comment by: মাথামোটা বলেছেন: ৥ কিংকর্তব্যবিমূঢ় - গোলাম আজম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি ছিল।

৩৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৫১
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ়- আমি মাথামোটার কথাকে বলতে চেয়েছি। আমি বলিনি যে ১৯৫২ আর ২০০৭ এক, এটা বলেছে মাথামোটা, তার মন্তব্য ভালমত পড়লেই বুঝতে পারবেন।
৪০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৩
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: ওহ্ দু:খিত
@ চতুরভূজ
৪১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৪
comment by: জায়দান বলেছেন: কিংকর্তব্য আমার প্রশ্ন কৌশলে এড়িয়ে গেলেন। জুনিয়েরদের সামনে সিনিয়রত্ব দেখাতে গেলে চড় খেতে পারেন, আবার আর্মির সামনে বসে খেলা দেখতে গেলেও চড় খেতে পারেন - এরকম কুটতর্ক আমার উদ্দেশ্য না। উদ্দেশ্য পরিস্কার। আপনাকে অকারণে পিটালে তা ও অন্যায়, সেনারা ক্যাম্পাসে এসে ছাত্র পিটালে তা ও অন্যায়। আপনারটা প্রতিবাদ করেন নি বলে সেনাদের পিটানোর প্রতিবাদ করা যাবে না, এটা কোন যুক্তিতে পেলেন?
৪২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৮
comment by: জায়দান বলেছেন: ভোটার লিস্টের অজুহাতে সরকার পার করে দিচ্ছে মাসের পর মাস। এখনো তারা কাজটা শুরুই করে নি। কেন এই কালক্ষেপন? সুবিধিবাদী কলমজীবীরা অন্ধত্বের চশমা পরতে পারে, পাবলিক অন্ধ না। পাবলিকের ক্ষোভ প্রকাশিত হবেই।
৪৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:০৭
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: আপনি কাদেরকে পাবলিক বলছেন জায়দান? কিছু সুবিধাবাদীদের? সেইদিনের কথা কেমনকরে এত সহজে ভুলে গেলেন যেইদিন জামত, আোয়ামিলীগ আর বি এন পির ত্রিমুখী সংঘর্ষে মানুষকে সাপ মারার মত লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলেও তৃপ্তি হয়নি, মরা লাশটিকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে আঘাত করা হচ্ছিল। সেই ভয়ানক পরিস্থিতী সামাল দিয়ে যারা দেশের ধ্বসে পড়া হাল ধরেছিল তাদের আইনের প্রয়োগ ঘটানোটা আজ হয়ে গেল ১৯৫২ এর পাক সরকারের অনুরুপ কর্ম? অদ্ভুদ আপনাদের চিন্তাধারা।
৪৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:০৮
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @জায়দান
৩৫ বছর ধরে যেই জন্জাল তৈরী করা হয়েছে সেটা এত দ্রুত কারও পক্ষেই ঠেলে সরানো সম্ভব না।
ভোটার লিস্ট নিয়ে আপনাকে যতটা চিন্তিত দেখাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে আপনি এতকাল ভোট দিয়ে দিয়ে এ দেশটাকে স্বর্গপুরী বানিয়ে ফেলেছেন। আরে ভাই সময় দেয়াতে আপনাদের এত মাথাব্যাথা কেন বুঝতে পারছিনা।
৪৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:১৩
comment by: মদন বলেছেন: ভোটার লিস্টের কাজ চলতেছে
আর এই লিস্ট নিয়েই তো রাজনীতি।
আওয়ামীলীগ বলে তাদের করাটা ঠিক আর বিএনপি বলে যে ঠিক করে করতে হবে।
শেখ হাসিনার দাবী আছে ছবি সহ আইড কার্ড, স্বচ্ছ ব্যলট বাক্স।
আমার কথা হইলো এসকল বিষয়ে নিজেদের যদি মতনৈক্য না থাকতো এবং নিজেরা খুনখারাবি না করতো তাইলেতো আর্মি আসা লাগে না আর আর্মীর ডান্ডার বাড়িও খাওন লাগে না। নিজদের ভুলটা কি চোখে পড়ে না???
৪৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:১৮
comment by: দেবদারু বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ়, আপনাকে ৫ দিতেই হবে - প্রত্যেকটি সত্য বাক্য উচ্চারণের জন্য। আর রেটিং কমানো বাড়ানোর কিছু নেই... রেটিং -কে আমি কেয়ারও করি না...... রেটিং চাইলে কবিতা তেমন একটা কেউ পড়ে না জেনেও, একগাদা কবিতা না লিখে আমি জাতীয় পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী বিতার্কিক হিসেবে তথ্যসমৃদ্ধ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক সমালোচনার পোস্ট দিয়ে আমার ব্লগ ভরিয়ে দিতে পারতাম (ধর্ম সম্বন্ধে আমি কম জানি এটা আগেই স্বীকার করছি)... আমি শুধু অনুভূতিকে প্রাধান্য দেই... আবেগ আমার দুর্বলতা।
আপনি খুবই ভালো লেখেন.. এটা স্বীকার করতে বাধবে না আমার.... তবে ওপেন চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নাম উল্লেখ করে বিতর্ক করার উন্নাসিকতা অধিক আত্মবিশ্বাসেরই নামান্তর। যাহোক, আপনি কিভাবে কাকে আহ্বান জানাবেন সেটা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত ইচ্ছা। এখানে আমার বলার কিছু নেই। শুধু আপনাকে এতটুকুই বলবো.. আমি বিতর্ক করার জন্য এ ব্লগে আসিনি... আমি আমার ব্লগে আমার অনুভুতি লিখি, পাঠক চাইলে পড়বে, না চাইলে পড়বে না। চাইলে মন্তব্য দেবে। আমার রেটিং এর-ও প্রয়োজন নেই। তবে এভাবে সরাসরি কেউ আমাকে কোনো বিষয়ে জোর পূর্বক মন্তব্য করতে বলবে.... আমি এমন কোনো ইমেজ এই ব্লগে তৈরি করিনি বলে আমার বিশ্বাস.... তাছাড়া আপনার মন্তব্য থেকে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে- আপনি ধরেই নিয়েছেন আমি আপনার রেটিং কমাবো। কেন? আমি তো ঈর্ষাকাতর নই! তবে? আপনি আমার পুরো বক্তব্য থেকে শুধুমাত্র এই একটি প্রশ্নের জবাব দিলেই খুশি হবো।
যাহোক, আপনি আমার পোস্টটি পড়েছেন- আপনার মন্তব্য দেখেছি সেখানে। আমি সেখানে আমাদের দোষ স্বীকার করে নিয়েছি.... নিজেকে মোটেই বীরপুঙ্গব নয়, বরং অক্ষম হিসেবেই তুলে ধরেছি। কিন্তু একটা কথা মনে রাখবেন, আমার ঘরে আমরা ভাইরা মারামারি করি, একে অন্যের প্রতি অন্যায়ও করি...... পরিবারের সিস্টেমে থেকে এর বিচার চাই- কখনো পাই, কখনো পাই না, হয়তো বাবার আদরে-আহ্লাদে প্রতিপালিত ছোট ভাইটির (কিংবা বড় ভাইটির বড়ত্বের প্রভাবে) বিচারও করা হয় না........ ক্ষোভ জমতে থাকে মনে.........। কিন্তু আমার ঐ ছোট ভাইটিকে যখন পাশের বাড়ির ছেলেটি মারে..... শত রাগ থাকা স্বত্তেও আমি আমার ভাইটির প্রতিই সহানুভূতিশীল হবো। এটা একট রূপক অর্থে উদাহরণ। কিন্তু আমি যেটা বোঝাতে চাইছি তা হলো- অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক প্রভাব প্রত্যেক ছাত্রকে চাপের মুখে, অপমানের মুখে রেখেছে.... এজন্য আমাদের প্রত্যেক ছাত্রকে সোচ্চার হতে হবে। জানি না আদৌ এর সমাপ্তি কোথায়! আপনি, আমি এমন কি ঐ রাজনীতির লেজুড়বৃত্তির মাধ্যমে হওয়া শিক্ষক (তিনি তো আপনার সামনে নেতার ঝাড়ি খেয়ে মাথা নিচু করে থাকবেন-ই......... যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সিস্টেমের বাইরে তিনি সমাজে একজন মেধাবী অধ্যাপক..... এতটুকু মর্যাদা তাকে দিতেই হবে) - সবাই জানি, আমাদের এই দুবৃত্তায়িত সিস্টেম থেকে বেরোনো কঠিন (তবে এটি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি-ই যেন এখন...... বাইরে থেকে দেখলে অবশ্য এতটা মনে হবে না)। হয়তো আগে না পারলেও এখন কিছুটা সাম্য রয়েছে কোনো রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকায়। কিন্তু অযাচিতভাবে একজন সেনাসদস্য কেন আমাদের সাথে দ্বন্দ্বে জড়াবে? বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬-৭ মাস ধরে আর্মি ক্যাম্প.. কই আমরা তো কখনো তাদের সামনে গিয়ে বিদ্রুপ-ও করিনি! মানুষ পুলিশকে ঘাটায় হয়তো, কিন্তু আর্মিকে কেউ ঘাটাতে চায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইন্স ফ্যাকাল্টিতে প্রথম যে আন্দোলন তা তো স্বতঃস্ফুর্ত ভাবেই হয়েছিল... ২য় দিন থেকে যখন সুবিধাবাদী ছাত্রনেতারা আগ্রাসী হতে থাকে সাধারণ ছাত্ররা কি সে আন্দোলন ত্যাগ করেনি? কোন কাজ থেকে সুবিধাবাদীরা ফলাফলের ভাগ নিতে চায় না? কেউ সে তার অপপ্রয়োগ করবে বলে আমরা কিছউ করবো না? ঠিক আছে, স্বীকার করেছি, আমরা ভুল-ই করেছিলাম-- আত্মস্মানের বড়াই করতে গিয়ে ডেকে এনেছি দুর্যোগ। কিন্তু যখন আজিজ মার্কেট থেকে খুঁজে খুঁজে শুধু ঢা.বি. ছাত্রদের বেছে বেছে পেটানো হয়, রাস্তায়, ক্যাম্পাসে ছাত্র-ছাত্রী-সাংবাদিক দের নির্যাতন করা হলো (আই.ডি. দেখার পরও), তখনও কি মনে হয় এই প্রতিহিংসার সামরিক বাহিনী-ই এখনো যৌক্তিক তাদের অবস্থানে? তারা হল ছাড়তে বলেছে.... সকলে হল ছাড়লাম, তারা কারফিউ ডাকলো...... আমরা যে যেখানে আশ্রয় পেলাম অবরুদ্ধ হলাম...... তারা ভিডিও ফুটেজ দেখে আন্দোলনরত ছাত্রদের নাকি খুঁজে বের করবে.... তা-ও ঠিক আছে.... কারফিউ শেষে খোঁজ নিয়ে দেখবেন তো... পত্রিকায় সেনাসদস্যকে ফ্লায়িং কিক মারা উত্তেজিত ব্যক্তিটি অক্ষত আছে কি না? (অবশ্যই তার শাস্তি হতে হবে.....তবে সে শাস্তির মাত্রা কতটুকু হলো আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে!)..... তারা আমাদের বিরুদ্ধে হাজার হাজার মামলা দিয়েছে..... সে মামলার বিচারও মাথা পেতে নিতে হবে নিশ্চয়.... তাও ঠিক আছে..... কিন্তু এই যে অমানুষিক বর্বরতা কারফিউ-র অবরুদ্ধতার মাঝেও ঘরের ভেতর ঢুকে ঢুকে..... তার বিচার কি কোনোদিন হবে? ...... ঠিক আছে তাও মেনে নেবো। ভালো থাকবেন।
৪৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:১৯
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: মদন ভাই
চোখের উপড় ছানি পরলে কিভাবে দেখবে?
৪৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:২২
comment by: রাশেদ বলেছেন: ১ দিলাম।

দেব্দারুর কমেন্টে ৫।
৪৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:৩৪
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ১।সারা বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে এত শিক্ষক থাকতে মাত্র ঐ গুটি কয়েক শিক্ষকের প্রতি সেনাবাহিনীর এত আগ্রহ কেন? ঐ শিক্ষকদের মধ্যে নাকি ৫ জন কে আটক করা হইছে।কেন মাত্র এ ৫জন আটক হলেন ? অন্য সব শিক্ষক কেন নয়? তারা কি শিক্ষা দান বাদে অন্য কাজে লিপ্ত ছিল? তারা কি ২য় দিনের ধ্বংসলীলায় ইন্ধন যুগিয়েছে? আমরা সবাই জানি আন্দোলন ২য় দিনে না গড়ালে এতটা ধ্বংসলীলা দেখতে হতো না। তাহলে গোয়েন্দাদের হাতে যদি তথ্য থাকে এ শিক্ষকরা ২য় দিনের আন্দোলন তথা জ্বালাও পোড়াও তথা এই দরীদ্র দেশের অমূল্য সম্পদ নষ্টের কাজে জড়িত ছিল এদের কে ধরে কেন সেনাবাহিনী প্যাদানি দিবে না?

২।বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশে অনেক ছাত্র মেছ আছে। ওগুলো বাদে শুধু আজিজ মার্কেটে কেন হামলা? আজিজ মার্কেটে নিচের ছবির ক্যডার ভাইদের থাকার সমভাবনা ছিল? যদি ১২ জনকে ধরে নিয়ে প্যাদানি দিয়ে দেশের ১২০ কোটি টাকার ক্ষতি কারা করল এটা জানা যায় তাহলে সেনাবাহিনীর একাজ করতে দোষ কোথায়?
সবশেষে একটি কথা বলতে চাই। ঘটনা হলে আমরা ঘটনাটা নিয়ে মাথা ঘামাই । কিন্তু এর কারণ খুঁজে দেখি না। আমরা আসলে অতি আবেগ প্রবন। আর আমাদের এ আবেগকে কাজে লাগিয়ে নেতারা আমাদের মাথায় কতবেল আম, কাঠাল, কলা সব ফল ভেঙ্গে খায়।
৫০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৫:৫৮
comment by: জ্বালাময় বলেছেন: বাংলাদেশে এই প্রথম কোন আন্দোলনে কোন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহৃত হয় নি, এই বাস্তবতাটা আমাকে ভিন্ন কিছু ভাবতে বাধ্য করেছে। প্রথমে পুলিশ-বিডিআর, পরে মিলিটারিরা ঠিকই বন্দুক হাতে নিয়েছে, গুলি ছুড়েছে। কিন্তু আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা আন্দোলনের রাস্তা থেকে সরে যায়নি। এই আন্দোলনের শিক্ষাটাই আসলে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাবে, কিংকর্তব্যবিমূঢ়-চতুর্ভুজ-মদন-শাইরী-অন্যরকম নিকের আড়ালে যারা আছেন তাদের বলছি, আপনারা যারা ছাত্র নামধারী মাস্তানদের ভয়ে কচ্ছপের মতন মুখ লুকিয়ে ছিলেন আগে, তারা এখনো তাই করছেন, কেন পরিবর্তন নেই আপনাদের ব্যবহারে-প্রতিক্রিয়ায়। নিজেদের জীবন নিয়েই আপনাদের ভাবনা, কোনমতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা পার করতে পারলেই আপনাদের মুক্তি। কিন্তু অতীতে এভাবে ভাবেনি বলেই বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন হয়েছে, দাবী আদায় হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনের সূতিকাগার হিসাবে পরিচিত হয়েছে।
সেনাশাসন কিভাবে অপারেট করে সেটা আমরা গত ৩৬ বছরে একাধিকবার দেখেছি। তারা কিভাবে নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করে দেশকে বহুবছর করে পিছিয়ে দেয় সেটা নিজেদের জীবন দিয়েই উপলব্ধি করেছি।
নিজেদের অপমানের প্রতিবাদ করতে পারেন নি বলে নির্ভর করেন সেনাবাহিনীর উপর। কিন্তু সেনাবাহিনীও সেই একই আচরন যখন করে, তখন আপনাদের ব্যক্তিগত ক্ষোভটাই বড় হয়। উপরে কোন এক ব্লগার যথার্থই বলেছেন, আপনাদের মতন যদি ছাত্র সমাজের সবাই হত তাহলে দেশ স্বাধীন হত কি না সেটা আসলেই বিবেচ্য বিষয়।

জাবি'র উল্লেখ করেছেন কোন একজন, জাবি'র আন্দোলন সারাদেশেই ছড়িয়ে পরেছিল। আওয়ামি লিগ ২০০১ সালে তাদের ক্ষমতা হারানোর পেছনে আজো মানিকের কুকীর্তিকে দায়ী করে।
অতীতে ঢাবি'তে অনেক আন্দোলন কেবল সাধারন ছাত্র-ছাত্রীরাই করেছে। পূর্ণমাত্রায় না হলেও সেসব আন্দোলন অনেকাংশেই সফল হয়েছে, যেমন যৌন নিপীড়ন বিরোধী আন্দোলন, বেতন-ফি বৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন, আপনারা নিশ্চিত তারো বিরোধীতা করেছিলেন, নাহলে আজকের অবস্থানে থাকতেন না আপনারা। কোন সুস্থ্য মস্তিষ্কের চিন্তাশীল মানুষ আপনাদের মত করে ভাবতে পারে না।
৫১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:১১
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @জ্বালাময়
"আপনার কথা অনুযায়ী, নিজেদের জীবন নিয়েই আপনাদের ভাবনা, কোনমতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনটা পার করতে পারলেই আপনাদের মুক্তি।"
আমাদের মুক্তি আসলেই আমাদের নিজেদের জীবন নিয়ে, আর নিজেদের জীবনের প্রোয়োজনেই চাই একটা সুস্থ বাংলাদেশ। আর জ্বালাময়, মাথামোটা,জায়দান নিকের আড়ালে যারা আছেন তারাতো নিজেদের জীবন নিয়ে ভাবেনইনা বরঞ্চ অন্যদের জীবন নিয়েও ভাবেননা তাইতো এই রকম জ্বালাময় পরিস্থিতী দেখতে দেখতে চোখে জ্বালা ধরে যায়।
ছাত্র রাজনিতী বাদ দিতে হবে, ছাত্ররা প্রতিবাদ করতে পারবেনা তাতো কখনই বলিনি, কেবল বলেছি যে প্রতিবাদটি যেন গঠনমূলক হয়।
কেননা, আমানুল্লাহ আমানও ছাত্র আর ক্যাডেট কলেজ পাশ করে যে সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় সেও ছাত্র। !!!
৫২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২০
comment by: জ্বালাময় বলেছেন: মিলিটারিকে বড় করতে গিয়ে আসলে আপনারা অনেক উল্টোপাল্টা বকছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্র ভর্তি হয় আরো জ্ঞানের জন্য, কিন্তু ক্যাডেট কলেজ থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের মিলিটারিতে যোগ দিয়ে একজন সেনাসদস্য ব্লাডি সিভিলিয়ান গালি দিতেই শিখে, নিয়মের বাইরে গেলেই সেটাকে অনিয়ম ভাবতে শিখে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাধারন ছাত্রও জানে নিয়মের বাইরে গেলেই সেটা সবসময় অনিয়ম নয়।
৫৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৪
comment by: মাথামোটা বলেছেন: অবশ্যই ১৯৫২ আর ২০০৭ এক নয়। মাদের সেনাবাহিনীরা ও এই বাংলা মায়ের সন্তান। গোলাম আজম ও ১৯৫২ সালে ছাত্র রাজনীতি তে ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্মি ক্যাম্প কেন? বিশ্ববিদ্যালয় কি কোন ক্যান্টনম্যান্ট? নাকি পুলিশ ব্যর্থ?
যদি পুলিশ ব্যর্থ হয়ে থাকে তাহলে তো স্বীকার করতে হয় এই সরকার ও ব্যর্থ।

৥চতুরভূজ - আবালের আবালীয় মন্তব্য গ্রাহ্য নয়।
যুক্তিতে আসেন। বকর বকর করা আর রেটিং বাড়ানো মনে হয় আপনার কাজ। আর রেটিং ১ নিক থেকে ১ বারই দেয়া যায়।
৫৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:২৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: চতুরভূজ...ঠিক বলছেন। গঠন্মুলক আন্দোলন করুক, মাইর খাইয়া ক্লাস করতে যাইত, খুব ভালো একটা গঠন্মুল আন্দোলন হইত, ঠিক না?
৫৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩২
comment by: শিউলী মালা বলেছেন: প্রিয় পোষ্টে কিভাবে আ্যড করা যায় কেউ বলবেন কি? নিজের প্রোফাইলে নিজের সম্পর্কে কিছু কিভাবে লিখতে পারি?ডয়াকরে যদি েকটু জানাতেন তবে বাধিত হতাম।
৫৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৭
comment by: রাশেদ বলেছেন: @ শিউলী মালা...রেটিং এর পাশের নীল আইকন টায় ক্লিক করেন। "আপনার ব্লগ দেখুন" এ যান, তারপর এডিট করুন এ ক্লিক করুন।
৫৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৩৯
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @মাথামোটা
আপনি ঠিকই বলেছেন, আমি আসলেই আবাল নইলে কি আর মাথামোটা কারও সাথে এইভাবে সময়ক্ষেপন করি?!!
আর এক নিক থেকে যে একবারই রেটিং দেয়া যায় তাতো জানতামনা! আমিতো আবার এক নিক থেকে ১০০ বার রেটিং দিতে পারি।
ও হ্যাঁ, ভাল কথা, আপনি আমাকে যুক্তিতে আসতে বলেছেন কিন্তু আমিতো এটাই জানতামযে, যখন কেউ যুক্তিতে হেরে যায় কেবল সেই তখন রেগে গিয়ে নিজের চুল ছিঁড়তে ছিঁড়তে অন্যকে গালি দেয়, যেমন আপনি আমাকে আবাল বলেছেন।
৫৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪২
comment by: শিউলী মালা বলেছেন: ধন্যবাদ রাশেদ।
৫৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৪
comment by: এস্কিমো বলেছেন: ভালই...একজন অক্ষমের ডাইরী হিসাবে ভাল লেখা হয়েছে।
৬০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫৪
comment by: মাথামোটা বলেছেন: "চতুরভূজ বলেছেন :
... ছাত্র রাজনিতী বাদ দিতে হবে, ছাত্ররা প্রতিবাদ করতে পারবেনা তাতো কখনই বলিনি, কেবল বলেছি যে প্রতিবাদটি যেন গঠনমূলক হয়।"

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা রাজনীতি শিখবে তোমাদের কাছে? যারা জাতি রে রাজনীতি শিখাইলো তাদের এই কথা কও তুমি!
কষ্টের মাঝে হাসাইলা রে ভাই।
৬১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:০১
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: মাথামোটা, আপনার দেখি আসলেই সমস্যা আছে, আমি কি বলেছি যে, আমি রাজনীতি শেখাবার কোচিং খুলেছি তোমরা আস আমার কাছে রাজনীতি শিখতে। আরে বাবা, বিয়ে করিনি বলে কি বরযাত্রীতেও যাইনি নাকি? খারাপকে খারাপ আর ভালকে ভালও কি বলতে বারন? কথ বলার আর প্রতিবাদ করার অধিকার কি কেবল তাদেরই আছে যারা জাতীকে তথাকথিত রাজনীতি শিখিয়েছে?
দুঃখ কেবল একটাই, যদি উনারা রা...জনীতি না শিখিয়ে জননীতি শেখাতেন তবে হয়ত আজ এই পরিস্থিতীর উদ্ভব হতনা।
৬২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৫৫
comment by: বিজলীর খড়ি বলেছেন: কিংকর্তব্যবিমূঢ়,
শতভাগ একমত। যারা কখনো হলে থাকেনি, তাদেরকে এই জটিল পরিস্থিতি বোঝানো কষ্টকর। এরা এক ধরনের utopia এর মধ্যে বাস করে। এস এম হলের গনরুমে নিয়ে এক মাস রাখলে ৫২-৭১ বাষ্প হয়ে বেড়িয়ে যেত।
তোফায়েল ভাইরা যখন ছিলেন তখন এসএম হলের এক জন ছাত্রকে প্রথম দুই বছর সিরাজুদ্দৌলার অন্ধকুপের মত অবস্থায় থাকতে হত না। তখন ছাত্ররা জাতীয় স্বার্থে ঝাপিয়ে পড়েছিল, সারা জাতি ছিল লড়াইয়ে ব্যস্ত, ছাত্ররা ছিল সহযাত্রী মাত্র।
এখন আমরা কার বিরুদ্ধে লড়াই করব। অন্যায়? অত্যাচার?
চতুর্দিকে চলছে ন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই।
এসব কিছু ব্লগারের অবস্থা বালিতে মুখ গুজে থাকা উপপাখির মতো।
৬৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:০৪
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: @ দেবদারু
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি, না বুঝে আপনার নামোল্লেখ করায়।আসলে আমি যখন দেখলাম আমার রেটিং কমানো হলো তখন আমি 'সামপ্রতিক ব্লগ দেখেছেন' এ গিয়ে প্রথম যে তিনটি নাম পেয়েছি তাদের নাম সম্বোধনে দিয়েছি।এতে আপনি পড়ে গিয়েছিলেন।
আর আপনার কথার কি উওর দেবো ?
আপনার সকল কথার সাথেই আমি একমত।
আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে থাকেন।আশাকরি আপনি জানেন কি বন্য আচরণ আমাদের সাথে করা হয়েছে।
আমি শুধু এমন একটি পরিবেশের স্বপ্ন দেখেছি,যেখানে কোনো সুবিধাবাদী মহলের ইন্ধন ছাড়াই আমরা সকল অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে পারি।কিন্তু কৌশলে আমাদের সে মেরুদন্ড টা ভেঙ্গে দেয়া হয়েছে।
আমি শুধু সে ভাঙ্গা মেরুদন্ডের উন্মেষ চেয়েছি, কারও সাহায্য ছাড়া।আর আপনাকে হিংসা ?
আমার লাভ কি বলুন ?
আপনার পোষ্টে আমি অনেক আগেই ৫ দিয়েছি।
দৌড়ের উপর ছিলাম তাই সংহতি জানাতে পারি নি।
৬৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ৮:৩১
comment by: কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: @ দেবদারু
যারা আমাকে ক্লাস করতে না দিয়ে মিছিলে নিতে বাধ্য করেছে, যাদের জন্য রাতে ঠিকমতো ঘুমুতে পারি নি, যাদের অত্যাচারে পেটে মারাত্তক ইনফেকশান্ নিয়ে ১ মাস পড়ে ছিলাম বাসায়,যাদের প্রশ্রয়ে জুনিয়ররা ইচ্ছেমতো বেয়াদপী করে।তাদের আর যাই হোক ছোটভাই মেনে নিতে আমার আপত্তি আছে।
আপনি চাইলেই যেকোনো উদাহরণ দিতে পারেন না।একাওরের আগে আমরাও তো ছিলাম তথাকথিত রাজাকারদের পাশাপাশি, কই তারা তো পশ্চিমাদের(পাকিস্হানের পশ্চিমাংস) আগ্রাসনে আমাদের হয়ে দাড়ালো না?
তাই পাশাপাশি থাকলেই যদি ভাই সম্পর্ক মেনে নেয়া যেতো তাহলে আজকের বাংলাদেশ হয় না,পাক-ভারত পৃথক হয় না।
তারা যদি আমাদের ভাই-ই হতো তত্তাবধায়ক সরকার যখন দুই দলকেই পেটাচ্ছিলো,আমি আপনি সংহতি দিতাম না।
আর ঘটনার পরবর্তিতে যা হচ্ছে(খুঁজে খুঁজে হয়রানি) আমি তার প্রতিবাদ অবশ্যই জানাই।
কিন্তু এই ঘটনার ফলশ্রুতিতে যদি এ সরকার বোঝে যে,তারা সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের সেন্টিমেন্ট ব্যবহার করে কি করতে পারে তাহলে তা আমাদের সবার জন্