আযানঃ অকল্পনীয় কিন্তু সত্য
০২ রা জুলাই, ২০০৭ রাত ১২:৪২
আসুন বিশ্ব ম্যাপের দিকে একবার লক্ষ্য করি। সবচেয়ে পূর্ব দিকের দেশ হল ইন্দোনেশিয়া। ইন্দোনেশিয়ার প্রধান শহরগুলো হলঃ জাভা, জাকার্তা, সুমাত্রা,বরনেও (Borneo) এবং সাইবিল(Saibil). সাইবিল এ ভোর ৫.৩০ এ ফজর এর আযান শুরু হয়, হাজার মুয়াজ্জিন একসাথে ফজরের আযান পড়তে থাকেন। এরপর ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম এ সাইবিল এ আযান শুরু হওয়ার ১.৩০ পর তা প্রতিধবনিত হয় জাকার্তায়। এরপর অল্প সময়ের ব্যবধানে সুমাত্রায় আযান শুরু হয় এবং ইন্দোনেশিয়ায় ফজরের আযান শেষ হওয়ার আগেই মালেশিয়ায় আযান দেয়া শুরু হয়। এরপর বার্মা জাকার্তায় আযান শুরু হওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যে আযান দেয়া শুরু হয়। জাকার্তায় আযান শুরু হওয়ার ১ ঘন্টার মধ্যে বাংলাদেশের ঢাকায় আযান দেয়া শুরু হয়। বাংলাদেশের আযান দিতে দিতেই তা ভারতের কলকাতা থেকে শ্রীনগরে প্রতিধবনিত হতে থাকে। এরপর মুম্বাই এ আযান দেয়া হয় এবং সমগ্র ভারত জুড়ে আযানের ধনি শুনা যায়। ঠিক একই সময় পাকিস্তানের শিয়ালকোট এ আযান শুরু হয়। শিয়ালকোট, কুএট্টা(Quetta) এবং করাচীর আযানের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ৪০ মিনিট, এবং এই সময়ের মধ্যেই পুরো পাকিস্তানের সব জায়গায় আযানের ধবনি প্রতিধবনিত হয়। পাকিস্তানে আযান শেষ হওয়ার আগেই আফগানিস্তান আর মাস্কেট(Muscat) এ আযান শুরু হয়ে যায়। মাস্কেট আর বাগদাদের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১ ঘন্টা। এই সময়ের মধ্যে মক্কা, মদিনা, ইয়েমেন, ইউনাইটেড আরব আমিরাত, কুয়েত আর ইরাকে আযান শোনা যায়। বাগদাদ আর ইজিপ্ট এর আলেক্সান্দ্রিয়া মধ্যে সময় ব্যবধান ১ ঘন্টা। এই সময়ের মধ্যে আযান সিরিয়া, ইজিপ্ট, সোমালিয়া আর সুদান এ শোনা যায়। পূর্ব ও পশ্চিম তূর্কির মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১.৩০ ঘন্টা এওবং এই সময়ের মধ্যে পুরো তুর্কিতে আযানের ধবনি প্রতিধবনিত হয়।আলেক্সজান্দ্রিয়া আর ত্রিপল্লী(লিবিয়ার রাজধানী) এর মধ্যে ১ঘন্টা সময়ের ব্যবধান। এই সময় পুরো আফ্রিকা জুড়ে আযানের ধবনি প্রতিধবনিত হয়। তাই নামাযের জন্য যেই আহবান ইন্দোনেশিয়ায় শুরু হয় তা ৯.৩০ ঘন্টা পর আটলান্টিক সাগরের পূর্ব তীরে পৌছায়। আটলান্টিক এর তীরে যখন আযান হতে থাকে তখন পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় জোহরের আযান দেয়া শুরু হয়। এবং জোহরের আযান ঢাকায় পৌছার আগেই পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় আসরের আযান দেয়া শুরু হয়। আবার যখন জাকার্তায় আসরের আযান দেয়া হয় তখন পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় মাগরিবের আযান দেয়ার সময় হয়ে আসে। আর মাগরিবের আযান যখন সুমাত্রায় দেয়া হতে থাকে তখন সাইবিল-এ এশার আযান দেয়া শুরু হয়। এরপর আফ্রিকার মুয়াজ্জিনরা যখন এশার আযান দিতে থাকেন তখন ইন্দোনেশিয়ায় আবার ফজরের আজান দেয়া শুরু হয়।
সুতরাং দিনের এমন কোনো সময় নেই যখন পৃথিবীর বুকে হাজার হাজার মুয়াজ্জিন মুসল্লিদের নামায পড়তে যাওয়ার আহবান জানাচ্ছেন না।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আযান, দেশ, বাংলাদেশ, হিরোইন, মরফিন, ইটোরফিন, কোডেইন, মরফিন, ইটোরফিন, কোডেইন, নেফারতিতি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: তথ্য সমগ্র বিভাগে ।
হাসিব বলেছেন:
তাইতো! ঝানতাম না ।
মোহাম্মদ আলী মাখন বলেছেন:
সুন্দর বিশ্লেষণ । আগে খেয়াল করিনি কিংবা আপনার মতো ভাবিনি ।
বইপাগল বলেছেন:
দারুন তো !!
এমন অনেক বিষয় আছে যা আমরা জানি না। জানলে অবাক হতে হয়।
সোনার বাংলা বলেছেন:
সুন্দর লেখা।আগে কখনো এই ভাবে চিন্তা করিনি!
সত্যই এই পৃথিবিতে এর চেয়ে সুমধুর সুর আর
নেই!
অনেক ভেবে চিন্তে একজন বলেছেন:
ভাল বিষয় জানলাম
অপু দি গ্রেট বলেছেন:
বিষয়টি আগেও জানতাম তবে নতুন করে পরতে ভালোই লেগেছে ।আসলেওতো, আযান এমনই এক সুমধুর ধ্বণি যা হাজারবার শুনলেও বিরক্ত লাগে না ।
মানুষ বলেছেন:
আমি বার্মিঙহাম থাকি। আমার এখানে মাইকে আজান দেয়া নিষেধ। অনেক দিন শুনিনা সেই সুমধুর বাণী।
ওসখাইন - আনোয়ারা - চট্রগ্রাম বলেছেন:
সুবাহানাল্লাহ। সুন্দর একটা ইনফরমেশন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। খুবই ভাল লাগল।
নুর3ডিইডি বলেছেন:
সুবাহানাল্লাহ।
দাদা ভাই বলেছেন:
একই হিসেবে সাড়া দুনিয়াতে দিনের এমন কোনো সময় নেই যখন পৃথিবীর বুকে কাক ডাকে না, গির্জায় ঘন্টা দেয় না, মন্দিরে পুঁজা চলে না, মানুষ গান গায় না, বাচ্চা কাঁদে না, মানুষ কাম(কাজও) করে না, কবি কবিতা বলে না, প্রেমিকা চুমা খায় না.............তো?
নুর3ডিইডি বলেছেন:
দাদা ভাই, কেমনে কি? কিসের জন্য? প্রমান কি?
হট্টগোল বলেছেন:
একই হিসেবে সারা দুনিয়ায়, দিনের এমন কোনো সময় নেই, যখন পৃথিবীর বুকে পাখি ডাকে না, গির্জায় ঘন্টা দেয় না, মন্দিরে পুঁজা চলে না, মানুষ গান গায় না, বাচ্চা কাঁদে না, কবি কবিতা বলে না, প্রেমিকা চুমা খায় না ......... মানুষ হাগে না ........ তো?
দুনিয়ায় হগল সময়ই কোন না কোন বেডা বেডি পিয়ার মহব্বত কোকোকোলা করতে আছে । তো হইছে ডা কি?
কেমিকেল আলী বলেছেন:
হালায় পাগলের হাগু পারাইছে
তারেক রহিম বলেছেন:
ভাল লাগলো পড়ে, আসলেই।
আন্ধার রাত বলেছেন:
এইটা আগেও জানতাম, আপনাকে বহুত ধন্যবাদ। এছাড়া আমি শুনেছি পৃথিবীতে অনবরত কোথাও না কোথাও ননস্টপ আজান রোজ কেয়ামত পর্যন্ত চলতেই থাকবে। যদি এই ননস্টপ আজান এর ১ সেকেন্ডও বিরতি হয় তবে পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর।কেউ খেয়াল করুক আর না করুক সবচেয়ে বেশি ধ্বনিত হয় আযানের ধ্বনি সর্বত্র একই প
মানবী বলেছেন:
কোন একটি নাটকে(মুস্তফা সারোয়ার ফারুকি'র) এক জন প্রশ্নটি এভাবে করেছিলো," পৃথিবীর কোন সুর কখনো থেমে যায় না, ধ্বনিত হতেই থাকে?", উত্তরটি ছিলো,"আজান"।বিস্তারিত ভাবে লেখার জন্য ধন্যবাদ।
কাশেম বিন আবু বকর বলেছেন:
সুবাহানআল্লাহ।
ফজলে এলাহি বলেছেন:
এভাবেই সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ তা'আলার মহানত্ব, বড়ত্ব, প্রশংসা উচ্চকিত হতে থাকে পৃথিবীর দিক-দিগন্ত জুড়ে।====
স্মরণ করিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে ।
নেই মানুষ বলেছেন:
৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫
শিউলী মালা বলেছেন:
আগে শুনেছিলাম কিন্তু এতটা বিশ্লেষন করে নয়। আবারও ভাল লাগল।এই পোষ্ট খানা দেখে কিছু কিছু ফালতু লোকের গা জ্বালা দেখেও আনন্দ লাগল।
অন্যরকম বলেছেন:
"....মর্মে মর্মে সেই সুর বাজিল কি সুমধুর,
আকুল হইল প্রাণ
নাচিল ধ্বমনী,
আহ কি মধুর সেই আযানের ধ্বনী।..."
অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম একটি পোস্টের জন্য। ৫
নাজিল আযামী বলেছেন:
সুবাহানাল্লাহ।
আবূসামীহা বলেছেন:
৫
চতুরভূজ বলেছেন:
প্রিয় পোষ্টে যোগ করলাম।
মুকুট বলেছেন:
ধন্যবাদ আশফাকুর রহমান!! সত্যিইতো!! এভাবে কখনো চিন্তা করি নাই!
অজানা অচেনা বলেছেন:
সালাম। আমি এই ব্লগে নতুন। এখনও ২৪ ঘন্টা পেরোইনি। বেশ কয়েকজনের ব্লগে আপনার এই পোস্টটি প্রিয় পোস্টে যুক্ত দেখে ঢু মারলাম। লেখাটা খুবি ভাল লাগল। উপলব্ধিটা দারুন। আমি কিন্তু আপনার পোস্টটা একাউন্ট খোলার আগে দেখিনি। এইমাত্র খেয়াল করলাম ব্লগের ঠিকানা আর ব্লগ টাইটেলটা আমার সাথে মিলে গেছে!!!
ব্যাপারটা কাকতালীয় বটে!
রেটিং দেয়া শিখলাম এই ব্লগটা ৫ রেট করে।
অজানা অচেনা বলেছেন:
মিলে গেছে মানে বলতে চেয়েছি কিছুটা মিল আছে।
গন্ডার বলেছেন:
চাগলীয় বিচলেচন। ১
মুক্তকথা বলেছেন:
মসজিদের মাইকখানা বাসার ঘুলঘুলিসংলগ্ন হইলে টের পাইতেন ফজরের আজান কতটা'সুমধুর'? মধু কাহাকে বলে ও কত প্রকার।
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
সেই পোস্টটি......চমৎকার।
আলমগীর বলেছেন:
মসজিদের সুউচ্চ মিনার হতেমুয়াজ্জিন হাঁক্ছে আযান।
সুললিত কণ্ঠে উচ্চ স্বরে
সেই ধ্বনি প্রতিধ্বনি হয়ে
ভোরের সূচনা করে।
সুবাহানাল্লাহ
আশফাকুর রহমান ভাই সূন্দর এই তথ্য দেওয়ার জন্য.........।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
কিউপিড বলেছেন:
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ এরকম সুন্দর পোস্টের জন্য। পোস্টটি পছন্দের তালিকায় যুক্ত করলাম।
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
দাদা ভাই বলেছেন: একই হিসেবে সাড়া দুনিয়াতে দিনের এমন কোনো সময় নেই যখন পৃথিবীর বুকে কাক ডাকে না, গির্জায় ঘন্টা দেয় না, মন্দিরে পুঁজা চলে না, মানুষ গান গায় না, বাচ্চা কাঁদে না, মানুষ কাম(কাজও) করে না, কবি কবিতা বলে না, প্রেমিকা চুমা খায় না.............তো?ঠিক, ঠিক...
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
সাঝবাত্তি উরফে উমিত....কই থাক তুমি? দেকা যায় না? ফেস বুকের শ খানেক বান্দবিরা কেমুন আচে?শাবি তেকে পাশ করছ কবে?
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
মিয়া ভাই, আপনাদের দোয়ায় ১বচ্ছর হইল পাশ করসি... মিয়া ভাই, ছবিতে আপনের ফেইচ ভালো কইরা দেখা যায় না... আপনের ফেইচ দেখার বড় ইচ্ছা...

















