somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ভালো থেকো... আজকে আমার নেই কোন সাধ, আকুল বাহু ডোর।
আজকে আমার সব ছুটি, তাই নেই যে কোন কাজ
আজকে আমার চাইনা কিছুই মন ভোলানো সাঁজ।
আজকে আমার শেষেরা সব নতুন করে শুরু
আজকে আমার নেই কোন ভয় বক্ষ দুরু দুরু।
আজকে আমার পুরান ভাঙ্গা নেই যে নতুন গড়া
আজকে আমার নেইকো স্বপন নতুন রঙে ভরা।
আজকে আমার ভাল লাগার আবার হল শেষ
আজকে আমার "বেশতো ছিলাম এইতো আছি বেশ"।

আজকে আমায় বোলোনা কেউ "তোমায় ভালবাসি"
আজকে আমায় করবে ঘৃনা তোমার মুখের হাসি।
আজকে আমায় চাঁদের আলো করবে শুধুই ম্লান
আজকে আমায় কাঁদিয়ে মন হাসবে প্রেমের গান।
আজকে আমায় সব বাঁধনই মুক্ত করে কেনো!
আজকে আমায় সব কঠিনই করলো সহজ যেনো।
আজকে আমায় স্মৃতিরা সব করবে আঘাত বুকে
আজকে আমায় রাখবে সবল হৃদয় নতুন সুখে।
আজকে আমায় নতুন করে পাওয়ার আশা নেই
আজকে আমায় তেমন পাবে যেমন ছিলাম সেই।

আজকে আমি মুক্ত হলাম মেলে আবার ডানা
আজকে আমি অজানাতে ভুলে সকল জানা।
আজকে আমি ভরবো না আর রঙে সাদা কালো
আজকে আমি স্বপন আমার মুঁছবো সেটাই ভালো।
আজকে আমি ছোঁয়া ঠোঁটের নেবোনা চোঁখ বুঁজে
আজকে আমি দেখবো না আর তোমার বাহু খুঁজে।
আজকে আমি সব পেয়েছি চাইনা কিছু আর
আজকে আমি পূর্ণ সবে চাইনা নতুন ভার।
আজকে আমি কাঁদছি হাঃ হাঃ নয়কো চোঁখের জল
আজকে আমি ধুয়েছি সব এটা চোঁখের ছল।

আজকে শুধু একটা চাওয়া বোলোনা আর দিতে
সবই ছিলো তোমার যেগো পারলে নাগো নিতে।
আজকে তুমি হেসো না আর মন ভোলানো হাসি
শুনবো না আর পাগল করা "তোমায় ভালো বাসি"।

(রিপোস্ট)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28855929 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28855929 2008-10-17 13:47:01
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত জরুরী সাহায্য প্রয়োজন (ফাইসা গেছি, কেউ একটু গুতা দেন)
সমস্যা:

১. কোনো জায়গায় ফোল্ডার অপ্শন খুঁইজা পাওয়া যাইতেছে না যেইখান থেইকা হিডেন ফাইল শো করা যায়।

২. ইস্টার্ট মেনু থেইকা "সার্চ" অপ্শন কুথায় পলাইছে বিস্তর খুঁইজাও তার সন্ধান পাইনাই।

৩. যেই দিন থেইকা ঘটনা ঘটছে সেইদিন থেইকা আইনস্টাইনের টাইমমেশিন এর থিওরী ফেইল মারছে। আগের ডেট গুলায় সিস্টেম রিস্টোর হইতেছে না।

৪. এইডস এর থেইকাও মারাত্মকভাবে পেনড্রাইভ দিয়া এই সংক্রমন ছড়াইতেছে। যেইখানে ঢুকাই সেইখানেই ছড়ায়।

৫. এভিজি ৮.০ এইডারে ধরতারেনা। এভাস্ট এইটারে ধরে ঠিকই মাগার ঠিক করতারে না। এভাস্ট দিয়া স্ক্যান মারলে সিস্টেম ৩২ তে সিস্টেম রিস্টোরের দুইটা রেজিস্ট্রির দুইটা ফাইলরে অযথা জেলে ঢুকায় আর আমার পিছনে ফিরা যাওয়া হয় না।

সমস্যার সহজ সমাধান হইলো সব ধুইয়া মুইছা সাফ কইরা দেওয়া মাগার এইটা করতে গেলেও আমার কিছু সমস্যা আছে।
জিজ্ঞাস্য:

১. ফরম্যাট না কইরা কুনো উপায় আছে কি?

২. উইন্ডোজ ইনস্টল করার পরে ইন্টারনেট থেইকা অ্যাকটিভ করতে হইছিলো। এখন যদি আবার ফরম্যাট মাইরা ঐ সিডি দিয়া ইনস্টল করি তবে আবার অ্যাকটিভ করতে হইব নাকি! যদি করতে হয় তবে তখন আবার কইবনাতো এইডা আগের থেইকাই অ্যকটিভ, আর করন যাইবো না। নতুন ইনস্টলেশনে কিন্তুক ১ মাসের টাইম দেয়।

৩. যদি আপনাগো বুদ্ধি শুইনা বিপদে পইরা যাই তখন কি করুম? <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28825645 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28825645 2008-07-30 15:31:04
আমার একটি আপিছিয়াল ঘোষনা...
১। আমার পোস্ট দয়া কইরে কখনও স্টিকি করবেন না।
২। আমার ব্লগের কন্টেন্ট আমি এডিট করতে পারবো না এইটা ঘোষনা দিয়া জানাবেন।
৩। ২৪ ঘন্টা অল ওভার ওয়ার্ল্ড এ অ্যাকসেসিবল এমন ওয়েব সাইট এর মডারেটর মাঝে মাঝে ছুটিতে গেলে সাফাই করনে ওয়ালা কেউ নাই এমন কথা বইলে নিদারুন দৈন্যতা দেখাবেন না। অথবা ব্লগ সেই সময় বন্ধ রাখবেন।
৪। হয় আমাকে এখন গলাধাক্কা দিয়া ভাগাবেন অথবা "রাশেদ" আর "এস্কিমো"কে আন ব্যান করবেন।

কেউ কেউ সামহোয়ারকে অর্থের বিনিময়ে ভালোবাসেন। আমরা অনেকেই একে স্বার্থ ছাড়াই ভালোবাসি। অনেক সাইটের আহ্বানই আমাদের সামহোয়ার ছাড়াতে পারে নি।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28785089 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28785089 2008-04-04 00:55:44
আজকে এসো রঙ ছড়িয়ে মন রাঙিয়ে দেই...
সকাল অনেক হলো। এখনও রঙ মাখায়নি কেউ। বাবার এনে দেওয়া আবীর নিজেই নিজের গায়ে মাখতাম। রঙিন হয়ে উঠতে তর সইতো না। এ বাড়ি থেকে ওবাড়ি। সারাদিন শুধু ছোটাছুটি। একটু বড় দাদা দিদিরা হাত পা ধরে ভুত সাজিয়ে দিত। মায়ের পক্ষে চেনা হয়ে উঠত দুস্কর। একটু বেলা হলে বড়রা দল বেঁধে আমাদের বাড়ি আসতেন। বাবা মায়ের পায়ে আবীর দিয়ে প্রনাম করতেন। মা বলতেন, এবার হয়েছে, স্নান করতে যাও। বাবা বলতেন, আরে দাঁড়াও এখনো অমুকে আসেনি।

আশেপাশের বাড়ির দাদা-বৌদি, দিদি-জামাইবাবু ভাং গাছের পাতা দিয়ে সরবৎ বানাতেন। সেই খেয়ে তাদের কেউ হাসছেনতো হাসছেনই, কেউ বা শুধু গানই গেয়ে চলেছেন। আমাদের কারও পারমিশন ছিল না। এর পর সবাই মিলে পাশের নদীতে দাপাদাপি। মা বারন করলেও বাবা বলতেন, ধুর ছেড়ে দাও। আজকেইতো করবে।

আস্তে আস্তে বদলে গেছে সব। এখন বড়রা কেউ কোথাও যায়না। বেশীরভাগই এখন রঙ দিয়ে রঙিন হওয়ার চাইতে সুরাপানে রঙিন হতে বেশী ভালবাসে। শুধু ছোটরাই বদলায়নি। ওরা আগের মতই রয়ে গেছে। সেই ছুটোছুটি, টুকটাক ঝগড়া এখনও চলছে। জানালার এপাশে বসে আমিও ওপাশে হারিয়ে গেছি।


(সাম হোয়ারের সকল ব্লগার, সাম হোয়ার টিম এবং বাকী সবাইকেই এপার বাংলা থেকে রঙ মাখানো দোলের শুভেচ্ছা। হোলি হ্যায়..............)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28781138 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28781138 2008-03-21 11:40:24
অচেনা ফুলের চেনা গন্ধ....
গতকাল থেকেই মেজাজটা খিঁচরে ছিল। সবাইকে ছুটি দিয়ে দিয়েছিলাম আগের দিনই। ভেবেছিলাম গতকাল অফিস থেকে লুকিয়ে দুপুরেই বাস ধরে বাড়ি চলে আসব। আজ দোল উৎসব। বাড়িতে নিয়ে আসার পর পিচ্চিটাকেও দেখিনি। যাইহোক দুপুরে লুকিয়ে আসতে হয়নি, সবাইকে জানিয়েই বাস ধরতে গিয়েছিলাম। বাসটা নেই, জানা গেল পরের বাসটা রাত ১১টায়। অগত্যা কি আর করা, আবার অফিস। সামহোয়ারে বসে জানতে পারলাম জেবতিক ভাইয়ের "তাকে ডেকেছিল ধূলিমাখা চাঁদ" যাযাবর ভাইয়ের হাতে পৌঁছে গেছে অথচ ঘরের কাছে আমার দেশে পৌঁছয়নি। মেজাজ যত না গরম হল তার চাইতে ভয় হল বেশী। যদি বইটা পোস্ট অফিসেই গায়েব হয়ে যায়! ভীষনভাবে পেতে চাইছিলাম ওটা। খানকতক গাল পারলাম ভারতীয় ডাক ব্যাবস্থাকে। আগেও আমার অনেক কিছু হারিয়েছে।

দুপুরেই চলে যাব বলে মাসিকে বলে রেখেছি রাতে রান্নার প্রয়োজন নেই। সুতরাং কড়া মশলা দেওয়া নুনপোড়া তরকারি সহযোগে হোটেলের ভাত। কিছুক্ষন পরই বাইরের তুলনায় পেটের বায়ুর চাপ বৃদ্ধি এবং মাঝে মাঝে দেশী পেটোর আওয়াজ। হায় ভগবান, বাসে আজকে প্রেস্টিজ থাকবেনা। ১১টার বাস এলো ১২.১৫ তে। ততক্ষনে মহিলা মশারা একা পেয়ে আমার যথেষ্টই খিদমত করেছেন। বাসের ভিতরেও রেহাই নেই। কোন রকম বিধ্বস্ত অবস্থায় ভোরে পৌঁছলাম বাড়ির চল্লিশ কিলোমিটার দুরের শহরে। জানা গেল এই বাস আজকে আর বেশী দুর যাওয়ার পারমিশন পায়নি। পরের বাসে পৌছে দেওয়া হবে। পাক্কা এক ঘন্টা। এদিকে সকালে আমার টয়লেট না গেলে মুশকিল। সারা দিনে ঐ একবারই যাই। বাসস্ট্যান্ডের টয়লেটে যাওয়া আর সরাসরি টয়লেটের ট্যাঙ্কে যাওয়া সমান।

যাই হোক, একগাদা বিরক্তি আর ক্লান্তি নিয়ে ভোর সোয়া ছয়টায় বাড়ি পৌঁছলাম। পিচ্চি আর পিচ্চির মা বাবা ঘুমোচ্ছে। ডাকিনি আর, সারারাত ঘুমোতে পারেনা এমনিতেই। সোজা বাথরুম। প্রাতকৃত্য, স্নান সেরে মায়ের ঘরে ঢুকেছি। মনে একটা অদ্ভুত আনন্দ ছেয়ে গেল। মায়ের হারমোনিয়াম টার ওপর একটা প্যাকেট রাখা। বুকপোস্ট। শুভেচ্ছা সহ জেবতিক ভাইয়ের স্বাক্ষর করা "তাকে ডেকেছিল ধূলিমাখা চাঁদ"।


(অচুদা, বেশী প্রশংসা করতে পারিনা তবে আপনাকে কখনো ভুলবো না। অনেক ধন্যবাদ। এবার কৌশিকদার অপেক্ষায় আছি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28781109 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28781109 2008-03-21 09:58:16
বিনিসুতার বাঁধন - ১
টুকরো টুকরো অনেক স্মৃতিই রনির মনে ভীড় করে আসে। দীপ্ত ছেলেটা মন্দ ছিল না। কিন্তু একটু পাঁকা। জীবনের অনেক সত্যি খুব তাড়াতাড়ি কি করে যেনো জেনে যেত! মায়ের ভয়ে রনি অনেক কথাই শুনতে চাইতো না। তবে ইচ্ছে করতো খুব। মায়ের শাসন ছিল খুব কড়া। ইংলিশ মিডিয়ামে পড়ার চাপও অনেক। বাবা বাংলা মিডিয়ামে পড়াবেন না বলে এই ভিনদেশে এসে বাড়ি করেছিলেন। বাবা মায়ের সন্মান রক্ষার প্রচেষ্টায় প্রচুর, প্রচুর পড়তে হত রনিকে। দীপ্ত একনাগারে কখনও পড়তে বসতো বলে রনির জানা নেই। স্কুলের সময়টা বাদ দিয়ে ওকে সারাদিন হয় কোন গাছে, নয়তো পাড়ার বদমাশ ছেলেগুলোর সাথে ছুটোছুটি করতেই বেশী দেখা যেতো। পড়ার বইয়ের চাইতে কিসব বই ওগুলো ঠাকুমার ঝুলি, শুকতারা পড়েই সময় কাটাতো দীপ্ত । রনি কখনও ওগুলোতে উৎসাহ পায়নি। মা পড়তেও দিতেন না। স্কুলের অনেক পড়া। একগাদা বই পরীক্ষার আগে পড়ে শেষ করতে হবে। তবে একটা কথা ঠিক, দীপ্ত কখনো পরীক্ষায় প্রথম দুজনের মধ্যে নেই শোনা যায়নি। কি জানি! বাংলা মিডিয়ামে পড়াশুনো সহজ বলে মনে হলেও স্কুল ফাইনালের আগে রনির তা কোনভাবেই মনে হয়নি।

দীপ্তদের ঐ নিম গাছটা রনির খুব মনে পড়ে। মায়ের আদেশে ওর গাছে ওঠা মানা। পড়ে গিয়ে যদি হাত পা ভেঙ্গে যায়! অনেক চেষ্টা করেও দীপ্ত ওকে গাছে ওঠাতে পারেনি। গাছের ডালে বসে গাড়ি গাড়ি খেলার মজা বোঝাতে কিছুদিন পর পরই দীপ্ত গাছটার ডাল কেটে ফেলতো। মাটিতে পরে থাকা ডালগুলোতে বসে গাড়ি গাড়ি খেলতে খুব মজা। ড্রাইভার হয়ে গাছের নুইয়ে পড়া ডাল গুলো ঝাঁকাতে খুব ভালো বাসতো রনি। স্বেচ্ছায় হার স্বীকার করে দীপ্ত সব সময় কন্ডাকটার নয়তো খালাসী। ছেলেটা পারতোও! গাছের ডাল না কাটলেই ওর খালাসী হতে হতো না। কি জানি, দীপ্তকে এই ব্যাপারটায় একটু বোকাই মনে হয় রনির! আড়চোঁখে নিজের ভাড়ার গাড়িটার দিকে একটু তাকায় রনি। ক্লাস প্লেটটা ভীষন ঝামেলা করছে, বডিটাও ঠিক করাতে হবে, চলার সময় বাজে আওয়াজও হচ্ছে। রোজ রোজ প্যাসেঞ্জারের গালি শুনতে ভালো লাগে না।

একটা মেয়েকে ওদের বাড়ির উঠানে দেখা যাচ্ছে। রাণু হয়তো। আর রাণু, কত রাণু দীপ্তের জীবনে এসেছে গেছে। জীবনে নাকি মানসিক শান্তিটাই সব। শ্যালী কে এক কথায় ভুলে গেল! আঁতেলমার্কা কথা, বলেছিল ওকে বিয়ে করলে বাহ্যিক সব সুখ পেলেও মানসিক শান্তি পাওয়া সম্ভব নয়। মেয়েটাও ওসব মন-টনের তোয়াক্কা না করে বলে দিয়েছে তোমার চেয়ে অনেক হ্যান্ডসাম ছেলে আমার জন্য অপেক্ষা করে আছে। ছেলেটা বেকার ৬ বছর মেয়েটার জন্য নষ্ট করলো। বেচারা। শ্যালীকে খুব ভালবাসতো ছেলেটা। অনেক ঝামেলাও হয়েছে। আর ওই ঝামেলার মাঝে পরে মায়ের কাছে অনেক বকা খেয়েছে রনি। দীপ্তের সাথে দুই বছরের মতো প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রাখা সম্ভব হয়নি। মা একেবারেই প্রেম ভালবাসা পছন্দ করতেন না। ভয়ে প্রেম নামের শব্দটি রনির অভিধানেও স্থান পায়নি। মাথাও ঘামায়নি এসব নিয়ে। হিসাবে দীপ্তেরই অকালে বিয়ে হয়ে যাওয়ার কথা। কোথা থেকে কিযে হয়ে গেল। ফুসফুসের ভেতর থেকে একটা দীর্ঘনিশ্বাস পুরোপুরি বেরিয়ে না আসতেই চিল চিৎকারে রনির স্মৃতিরা ছিটকে পালায়। " ব্যাপারটা কি তোমার?, স্নান করার নাম নেই। সারাদিন একটু বসতে পারি না আর বাবু আয়েশ করে গায়ে তেল মাখছেন।" বাকি নিশ্বাসটুকু এক ঝটকায় বের করে কুয়োর দিকে পা বাড়ায় রনি। রান্নার গ্যাসটা এনে দিয়ে গাড়ি সাজাতে যেতে হবে। বিয়ে বাড়ির ভাড়া আছে।

(ক্রমশ......)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28780173 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28780173 2008-03-18 13:04:38
তোকে নিয়ে স্বপ্ন অনেক..... "উজান" গত ১১ মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১.২০ তে পৃথিবীর পথে তার যাত্রা শুরু করেছে। এই কঠিন পৃথিবীর সব বাধা বিঘ্ন যেন ও সহজেই অতিক্রম করতে পারে সেই প্রার্থনা করি।

আমার দাদার ছেলে। সত্যি, ওকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন আমাদের। ওই হয়তো বর্তমানে সামহোয়ারের সর্বকনিষ্ঠ ব্লগার। আপাতত ওর ব্লগে লেখার পাওয়ার অফ অ্যাটর্নী আমার। ওকে নিয়ে ব্যস্ত থাকায় এই কদিন ছবি দিতে পারিনি। দোয়া করবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28778829 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28778829 2008-03-13 18:02:50
"জানো, আমি লিখছি বাবা"
বাবার প্ররোচনায় ছোটবেলা থেকেই আমার বই পড়ার প্রতি প্রচন্ড ঝোঁক। সাড়ে তিন থেকে চার বছর বয়সে ক্লাস ওয়ান এর বইগুলো মূখস্থ হয়ে গিয়েছিল। সেগুলো আর মন টানতো না। সেই সময় মস্কো থেকে বাইপোস্টে "সোভিয়েত ইউনিয়ন" বলে একটা মাসিক ম্যাগাজিন আসতো। এই ম্যাগাজিন এর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম। রাশিয়ার রূপকথাগুলো শুধু নয়, মন নাড়া দিয়ে তাদের জীবন যাপনের কাহিনী গুলোও। রুদ্ধশ্বাসে পড়তাম তাদের সাফল্যের ইতিকথা। বাবা বুঁঝতে পেরেছিলেন থরে থরে সাজানো বইয়ের আলমারী খুলে দেওয়ার সময় এসেছে। কোন দিন কিছু পড়তে বাধা দেন নি। উৎসাহ দিয়েছেন। আমিও সোৎসাহে পড়ে ফেলেছি গোর্কি, পুশকিন, আন্তন মাকারেঙ্কো, লেনিন, সাথে রামায়ণও। বয়স বাড়ার সাথে সাথে বঙ্কিম, শরৎ, দিজেন্দ্রলাল, মধূসূধন, গিরিশ সব। বাবার আফশোষ, এ দেশে আসার সময় হাজার তিনেক বই ফেলে আসতে হয়েছে, যার অনেকগুলোই দূস্প্রাপ্যতার কারনে পড়াতে পারলেন না। বাবার সাথে সাথে আমারও খুব আফশোষ হত। তবুও পড়েছি অনেক কিন্তু লিখিনি তার কনা মাত্র।

বাবা বললেন, লিখতে শুরু কর, আমি বললাম , ধুর পড়তেই মজা। বাবা জোর করে ছড়া আর গল্প লিখিয়ে প্রতিযোগিতায় পাঠালেন, জেলায় প্রথম হলাম। তাতেও বিন্দুমাত্র লেখার উৎসাহ পাইনি। আমাকে পাঠকের সাথে সাথে লেখক বানানোর কোনো অভিসন্ধিই কাজে আসেনি। আসলে আমার কিছু করার ছিল না। জমিতে হাল দেওয়ার খাটনি আর নিয়মিত কলম দিয়ে কাগজে লেখা আমার একই মনে হত। আর বেটা মাতাল কলম কিছুতেই আমার হাতে সোজা পথে চলতনা। আমি লিখতাম বাংলায় আর ওর মাথা দিয়ে যেটা বের হতো তা মনে হয় হিব্রুই হবে। বাবা, মা কারোরই হিব্রু ভাষায় দক্ষতা না থাকায় আমাকে চরম ভৎর্সনার শিকার হতে হতো। বাবা ভীষণ দুঃখ পেতেন। কিন্তু আমার কলম কখনোই কথা শোনেনি, সেই কারনেই বোধকরি এখনও কলমের সাথে আমার দীর্ঘসহাবস্থান হয়ে ওঠে না।

আপাত দৃষ্টিতে সাহিত্য চর্চায় এই ছিল আমার বাহ্যিক রূপ। কিন্তু একটা গোপন কথা আছে। আমি ভীষণ ভাবতে ভালবাসতাম। তেপান্তরের মাঠে ঘোড়ার পিঠে রাজকন্যা নিয়ে চিন্তা করতাম নিজেকেই। নিজেই তৈরী করতাম রূপকথার রাজমহল। রাশিয়ার লালফৌজের সৈনিক হয়ে নিজেকেই খুঁজে পেতাম পাহাড় ও স্তেপে। প্রচন্ড ইচ্ছে করতো লিখতেও, কিন্তু সেই কলম!

সাম হোয়ারের ব্লগার "অনুমান" আমাকে প্রথম এই ওয়েবসাইট দেখান। ওনার উৎসাহেই শুরু। ওপরে নীল আকাশ, নিচে আমি তুমি ধপাস অথবা আমি তুমি মিলে তাল গাছের নিচে টালির ঘর বানিয়ে থাকবো, ক্ষিদে পেলে তাল খাব পিপাসায় তাড়ি। যাই লিখিনা কেন তা পঠনযোগ্য আর অপঠনীয়ই হোক, লিখছি তো! সবচেয়ে সুখের কথা এখানে কলমের ঝামেলা নেই, হাতের লেখাও নিখুঁত।

আজ আমার শততম পোস্ট হলো। আউট যখন হইনি ইনিংস সহজে শেষ হবেনা। এই ওয়েব সাইটের খোঁজ, এত সুন্দর প্ল্যাটফর্ম এবং এতদিন পর্যন্ত আমাকে সহ্য করে প্রেরনা দেওয়ার জন্য "অনুমান", "সামহোয়ার ইন ব্লগ" ও সর্বোপরি আপনাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আজ আকাশের দিকে তাকিয়ে ভীষণ বলতে ইচ্ছে করছে "জানো, আমি লিখছি বাবা"।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28774212 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28774212 2008-02-26 12:32:49
নুরা ভাইয়ের অসীম দয়া, চুশমা তাহার বড়ই পয়া।
নুরা বন্দনা

জয় জয় নুরা ভাই তব জয় হোক
তুমি হইলা মহা জ্ঞানী বড় মান্য লোক।।
তব ডড়ে বাঘ-ছাগ সাথে জল খায়
চুশমা খুলিলে পড়ে কিযে হবে হায়।।
শত্রু নাই মিত্র সবই দেশ আর বিদেশ
ইরানিরাও তোমারে ভালবাসে বেশ।।
তোমার হাতের কাজে আছে ভারী যশ
তোমার মুখের কথায় বেজী হয় বশ।।
তুমি হইলা মহাকবি কৌতূক অন্ত প্রান
রসময় গুপ্ত করে তব গুণ গান।।
জয় জয় নুরা ভাই তব জয় হোক
তুমি হইলা মহা জ্ঞানী বড় মান্য লোক।।


-বৎস, নিদ্রা ত্যাগ করো আমি আসিয়াছি।

-গরুদেব এই সময় আপনি!

-আমার কোন সময় নাই সব সময়েই আমি। আমার কথা মন দিয়া শোনো, আমার জীবনাধিক প্রিয়তম জিনিস খানি আমি তোমায় দিতে আসিয়াছি। ইহা চক্ষে ধারন করো।

-যথা আজ্ঞা গরুদেব। গরুদেব এ কোন আলো দেখিতেছি! সহস্র সূর্যের তেজের সমান! চারিদিক আলোর বন্যায় উদ্ভাসিত। সকল অন্ধকার গলি আলোর বন্যায় ভাসিয়া যাইতেছে। চক্ষু বন্ধ করিলেও সকলই দেখিতে পাইতেছি। কোন গুহায় বেজীরা লুকাইয়াছে, রসময় গুপ্ত সমগ্র কাহার বিছানার তলায় সকলই আমার অনায়াস দৃষ্টিগোচর হইতেছে। এ কোন আলো গরুদেব! ইহার তেজ আমি সহ্য করিতে পারিব না।

-বৎস, ইহাই "থটফুল লাইট"।

-আমিতো সহ্য করিতে পারিতেছি না।

-কষ্ট হইবে প্রথম প্রথম তবে সহ্য করিতে হইবে। যদি পারো তবে জগৎ এর গোপন রহস্য সমূহ উদ্ঘাটন করিতে পারিবে। পাইবে অনাবিল আনন্দ, সুখ। আমারও কষ্ট হইয়াছিল একবার, দেখো নাই খুলিয়া রাখিয়াছিলাম! একদিনও থাকিতে পারিনাই। কিছু না দেখিলে কি সুখ আছে!

-আপনার অসীম কৃপা আমার উপরেই বর্ষিত হইল গরুদেব! আমি কি ইহার সন্মান রক্ষা করিতে পারিব? তাহা হইলে আপনি কি পরিবেন?

-তর্ক করিও না। যাহা ভালো বুঝিয়াছি, করিয়াছি। তুমিই ইহার আপাত অধীশ্বর। আমি কঠোর সাধনা করিতে ইরানের মরুভুমিতে যাইতেছি। ফিরিয়া আসিলে ফেরৎ দিও। আর শোনো, কোথাও বেশী দিনের জন্য গমন করিলে ইহা "নুরানি চশমিস ফ্যান কেলাব"এর ভল্টে তালা মারিয়া রাখিও। অপাত্রে ইহা কদাপি দান করিও না। সহ্য করিতে পারিবে না।

-যথা আজ্ঞা গরুদেব।

-আমার যাওয়ার সময় হইয়াছে। মাঝে মাঝে অন্যরুপে আমায় দেখিতে পাইবে তবে মনে হয় চিনিতে পারিবে না। ভাল রাখিও ভাল থাকিও। বেশী দেখিয়া শরীর খারাপ করিও না। আমার কয়েকবার হইয়াছিল। বিদায়।

-গরুদেব...... গরুদেব......

(নুরা ভাইয়ের সহিত ইহাই আমার শেষ কথোপকথন। যে দায়ীত্ব উনি আমায় দিয়া গিয়াছেন তাহা যেন পালন করিতে পারি প্রার্থনা করিবেন।)

নোট: নুরানী চশমিস ফ্যান কেলাবের পক্ষ থেইকা জনস্বার্থে প্রচারিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28762854 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28762854 2008-01-21 11:56:47
Fight Back, Dont ever think to leave this blog....
Bandor Group]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28759704 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28759704 2008-01-10 13:44:00
এর কি শেষ নেই!! সমাধান খোঁজা যায় না!! খুব খারাপ লাগছে...
০৮ ই জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৩:০৯

মদন বলেছেন: """""লেখক বলেছেন: মদন, এইখানের অনেকের নিক আমি ঐখানে দেখি তারা কি সুন্দর লেখেন, লেখা পইড়া মনে হয় তারা সাহিত্য চর্চা ছাড়া অন্য কিছু বোঝেন না। তাদের মতো বিদেশী সুশীল সমাজ বাংলার গর্ব। মাগার এইখানে আইসা তাদের ভালগার কমেন্ট আর পোস্ট দেইখা মনে হয় কোনো একটা গন্ডগোল। রাজাকারদের দেখলে অনেকেরই মাথা খারাপ হয়, কিন্তু তার জন্য কুকুরের পর্যায়ে নামবো সেইটা আমার পছন্দ না!""""



আপনার কথাটিই মাঝে মাঝে বলার চেষ্টা করেছি। লাভ হয় নাই। হতে পারে যার যার নিজের কাছে তার যুক্তি ঠিক। তাই থেমে গিয়েছি।

সেই শুরু থেকে দেখে আসছি ব্লগে রাজাকার খেদানোর আন্দোলন। এক রাজাকার যায় ৩ রাজাকার আসে। সিনেমায় দেখা সাপের মতো যার এক মাথা কাটলে ২ মাথার জন্ম হয়। এটি পরিক্ষীত সত্য যে গালাগালি করে এটি কোন মতেও বন্ধ করা যাবে না। মাঝখানে নিজেকে তাদের পর্যায়ে নামিয়ে আনা আমার কাছে সুবুদ্ধির পরিচয় মনে হয় নাই। কেউ যদি খারাপ হয় আর একই কাজ যদি আমি করি তবে শুধু তাকে কেন অপরাধী বলবো? আমি রাজাকার খেদাতে গিয়ে যদি তাদের সমরুচিতে নেমে আসি তবে আমি কেন উত্তম?

কতজনকে তাড়াবেন? এটিতো ওপেন প্লাটফরম। একটি নতুন ইমেইল এড্রেস হলেই একটি একাউন্ট খোলা যায়। কাজেই এভাবে রাজাকার খেদাতে গিয়ে নিজেরা নিজেদের ছোট করে কি লাভ????

আমার প্রস্তাব হলো:

ইয়াহু চ্যাটের মতো এমন কোনো টুলস ইউজ করা হোক যেন যে কোন ইউজারকে ব্লক করলে তার কোন লেখা আমি নিজেই আর দেখতে না পাই। ফলে যাকে যাকে অপছন্দ তাকে ব্লক করে রাখলে ঝামেলা অনেকাংশে শেষ হয়ে যায়। অপছন্দনীয়/আপত্তিকর কারো লেখা আমার নজরে আসছেনা এবং সেও আমার লেখায় মন্তব্য করছে পারছেনা। এভাবে সবাই যদি ব্লক করে তবে সে সামাজিকভাবেই সে বয়কট হয়ে যাবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28758846 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28758846 2008-01-08 15:33:11
মাস্টারমশাইয়ের সামনে বিড়ি খাই, ইংরেজীর প্রথম মাসে হ্যাপী নিউ ইয়ার মানাই। আমরা বাঙ্গালী। http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28755563 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28755563 2008-01-01 00:43:11 "হারিকেন সিডার" স্যাটেলাইট ইমেজ....(আপডেট নিউজ চাই)
sidr3, sidr4- Date 15/11/2007, Time: 6 am

মনে হচ্ছে বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত। সামহোয়ার কে অনুরোধ করছি নিউজ আপডেট দেবার জন্য।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745836 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745836 2007-11-16 13:28:33
কথা দিলাম .... (উত্সর্গ রাহেলাদের) আমার মায়ের ফুসফুস,
আজও শ্বাস নেয় ধুঁকে ধুঁকে।

সব হারা আমার বোন
চিৎকার করে ওঠে এখনও
তোদের নাগপাশে বন্দী।
জেনে রাখ, হয়নি এখনও সন্ধি।

আমার মায়ের আঁচল
এখনও রক্তে লাল,
আমরা আছি এখনও
যেমন ছিলাম গতকাল।

তোদের, দেবই মিশিয়ে একদিন
সাড়ে তিন হাত জমিতে,
করবে না আর চিত্কার
বোনেরা জন্মভূমিতে।

মায়ের আঁচল ধুঁয়ে
ফিকে করে দেব রক্ত,
তোরা যদি হোস নির্মম
আমরাও খুব শক্ত।

দ্বার খোলা ছিল এতদিন
এবার করেছি রুদ্ধ,
প্রয়োজনে ফিরে আসবেই
হাজার মুক্তিযুদ্ধ।।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745664 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745664 2007-11-15 12:52:36
সা: ইন: এ লোকজন কম, ভাল লাগতেছে না
মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১১-১৩ ১৪:৫৩:৪৮
এই লিঙ্ক ফলো কইরা দেখ কিছু করা যায় নাকি! আমি কখনো করি নাই। কেউ নাই আমারও ভাল লাগতেছে না। আমি আজকে আবার চলে যাব।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745167 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745167 2007-11-13 14:59:16
"নুরানী চশমিস ফ্যান কেলাব" এ দলে দলে যোগ দিন..
এতদ্বারা সকল ব্লগবাসীদের (দিবাচর/নিশাচর) জানানো যাইতেছে যে অগাধ প্রতিভা, জ্ঞান এবং ক্ষমতার অধিকারী আমাদের সকলের প্রিয় "নুরানী চশমিস ভাই" এর প্রতি শ্রদ্ধা ও সন্মান প্রদর্শণ করিয়া জনগণের বিপূল সমর্থনে আজ ১২ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখ হইতে এই ব্লগ সাইটে "নুরানী চশমিস ফ্যান কেলাব" এর প্রতিষ্ঠা করা হইল। এই ফ্যান কেলাব কে উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে এবং ঐতিহ্যমন্ডিত করিয়া তুলিতে আপনাদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহন আমাদের একান্ত কাম্য।

নিয়মাবলী:

১। অবশ্যই একখানি সান গেলাস এর মালিক হইতে হইবে। (ইরান হইতে ইম্পোর্ট করা হইলে অগ্রাধিকার দেওয়া হইবে)
২। হ্যান্ডিক্রাফটে উত্সাহ থাকিতে হইবে। (নিজে জানিলে অগ্রাধিকার পাইবেন)
৩। রসময় গুপ্তের যেকোন রচনা সম্পর্কে জ্ঞান থাকিতে হইবে। (রসময় গুপ্ত সমগ্র পড়া থাকিলে অগ্রাধিকার পাইবেন)
৪। ইরান সবচাইতে পছন্দের দেশ হইতে হইবে। (কোন সময় গিয়া থাকিলে অগ্রাধিকার পাইবেন)
৫। নুরানী চশমিস ভাই সম্পর্কে কোন বাজে কথা বলা চলিবে না।
৬। ভাল না লাগিলেও উনার পোস্টে সর্বদা ৫ দাগাইতে হইবে।

সদস্য পদের আবেদন কিভাবে করিবেন:

এই কাজ সবচাইতে সহজ। প্রসেস সারা পৃথিবীতে বিরল। এই পোস্টে আসিয়া শুধু কমেন্ট করিতে হইবে "নুরানী চশমিস ভাইয়ের জয় হউক"।

সভাপতি, সম্পাদক এবং অ্যাকশন টিমের সদস্যদের নাম সদস্যদের মধ্য হইতে আহ্বান করিতেছি। আপনাদের সহযোগিতা "নুরানী চশমিস ফ্যান কেলাব" এর আগাইয়া যাওয়ার পাথেয়। নুরানী ভাই, জিন্দাবাদ।

ইতি বিনিত
আহ্বায়ক
অচেনা বাঙ্গালী]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745007 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28745007 2007-11-12 17:55:25
শৈশব যেন বিক্রি না হয়... (স্যালুট টু "লিটল স্পার্টাকাস") আমার কাছে আসে,
পৌঁছে দিয়ে কাপটা চায়ের
ফোকলা দাঁতে হাসে।

একট নয় দুটো ছেলে। ওদের ডিউটি হল পুরো বিল্ডিং এর প্রত্যেক টা সেলে চা পৌঁছে দেওয়া। কত আর বয়েস, একজন ১০, একজন ১২। কাপটা টেবিলে রেখে বলে, চা খায়া নেন। আমি বলি, তুই যা আমি খেয়ে নিচ্ছি। রাজী হয়না, আপনের ঘর থেইকা খালি কাপ হারায় আর আমি মাইর খাই।

চায়ের দোকান সেই ছেলেটা
আমার দেখে কাজ
কাপ হারানোর কানমলাটা
সে খেয়েছে আজ।

এই তুই চা খাস? চোখে শয়তানির ঝিলিক খেলে যায় বলে, মাঝে মাঝে লুকায়ে লুকায়ে খাই। তাহলে এই চা টা খেয়ে নে। না স্যর খাব না আপনে খান আরাম পাইবেন, কত কাজ করেন। ইয়ার্কি করি, তাহলে সিগারেট খা। আপনে একটা পাগল। আমার টিফিনের প্যাকেট টা গেঞ্জির ভেতর লুকিয়ে নিয়ে চলে যায়।

চায়ের দোকান সেই ছেলেটার
বয়স নাকি দশ,
চায়ের দোকান সেই ছেলেটা
পেটের ক্ষিদের বশ।

তুই স্কুলে যাস না কেন? যাইতাম তো! বাবা ছাড়ায় দিছে। আমার খালি ক্ষিদা পায় যে। আমরা ৫ ভাইবোন। তোর বাবা কি করে রে? বাবা জন খাটে (দিন মজুরী)। মা কি করে? বাসন মাজে। আমরা গরীব, অল্প খাওয়া রান্না হয় তাই মা এইখানে দিয়ে গেছে। স্কুলে যাবি? না, স্কুলে গেলে বাড়িতে টাকা দিব কি করে!

..........................................................
সারা পৃথিবীজুড়ে শিশু শ্রমিকের সমস্যা প্রবল আকার ধারন করেছে। আফ্রিকার মতো এশিয়ার দেশ গুলোতেও এই সমস্যা রয়েছে। ভারতবর্ষে শিশু শ্রমিকের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৪ কোটি। বাংলাদেশেও রয়েছে এই সমস্যা। প্রতিদিন বিক্রি হয়ে যাচ্ছে নিস্পাপ শৈশব।

শিশু শ্রমিক জন্মের কিছু কারন:

১। শিশুদের দিয়ে হাড়ভাঙ্গা খাটুনি খাটিয়ে নিয়েও তার জন্য মূল্য দিতে হয় বড়দের চাইতে কম। এই কারণে মালিক পক্ষ শিশু শ্রমিক পছন্দ করেন।

২। দারিদ্র একটি অন্যতম গুরুত্ব পূর্ণ কারণ। শিশুর জন্য অন্ন সংস্থান না করতে পেরে মা বাবা তাদের কাজে লাগাতে বাধ্য হন। শিশুর আয়ও পরিবারে রসদ যোগাতে সাহায্য করে।

৩। কোন কোন পরিবারে সন্তানের সংখ্যা অধিক হওয়ায় দেখা যায় দুএক জনের পড়াশুনা চালিয়ে যাওয়ার খরচ যোগাতে দুএক জনকে আত্মত্যাগ করতে হয়।

৪। বড়সড় পাচার চক্র এই ব্যাপারে সক্রিয় হয়ে আছে। এরা নান জায়গা থেকে শিশু পাচার করে "কন্ট্রাক্ট ফার্মিং" এ নিযুক্ত করছে। অনেক মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানিও এতে জড়িত।

শিশু শ্রমিকের ক্ষেত্র:

কৃষিকাজ থেকে শুরু করে ভিক্ষা করানো পর্যন্ত সব জায়গাতেই শিশু শ্রমিক রয়েছে। ভারতের গুজরাট, তামিলনাড়ু, অন্ধ্র প্রদেশে তুলো চাষে প্রচুর শিশু শ্রমিক নিয়োগ করা হয়। সমীক্ষা বলে ১ কোটি ৫০ লক্ষ শিশু গ্রামাঞ্চলে কৃষির সাথে যুক্ত। এছাড়াও রয়েছে নানা রকম কারখানা, ইঁটভাটা, মানুষের বাড়ি, ক্ষুদ্র অসংগঠিত ক্ষেত্র, চায়ের দোকান ইত্যাদি। বাংলাদেশেও নিশ্চই একইরকম, যেমন এখানেও রয়েছে "টোকাই" অন্য নামে।

সরকারের ভূমিকা: ভারতে শিশু শ্রমিক শোষন থেকে শিশুদের মুক্ত করতে সরকার ১৯৮৬ সালে 'শিশু শ্রমিক নিবারন ও নিয়ন্ত্রন' আইন প্রনয়ন করে। এই আইনকে কঠোর ভাবে কার্যকর করতে ২০০৭ সালে শিশু শ্রমিক নিয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়। ভারতের সাথে সাথে বাংলাদেশেও শিশুদের জন্য স্কুলে 'মিড ডে মিল' চালু করা হয়েছে যাতে অন্তত একবেলা তাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া যায়। তবে শক্তিশালী সংগঠিত ক্ষেত্র থাকার ফলে ভারতে এই ব্যবস্থা কার্যকরী হলেও বাংলাদেশে "শিক্ষার বদলে খাদ্য" কর্মসূচি চরম ভাবে ব্যর্থ।

বাংলাদেশে শিশুদের স্কুলে ধরে রাখতে এবং পুষ্টি যোগাতে "পুষ্টি বিস্কুট" প্রকল্প চলেছে ২ টা ২টা করে ৪ টি উপজেলায় । আশাব্যঞ্জক হলেও খরচ , মানরক্ষা এবং লোকাল প্রডাকশন - ইত্যাদি বিষয়গুলো এখনো স্টাডি হচ্ছে।

কর্পোরেট সোসাল রেস্পন্সিবিলিটি নিয়ে বেশ কিছু সংস্থা কাজ করার চেষ্টা করছে । এর ভিতর শিশু শ্রমিকদের কাজ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে স্কুলের খরচ দিয়ে পড়ালেখায় নিয়োজিত রাখার কাজ চলছে ।

এত সত্বেও শিশু শ্রমিক নিয়োগ বন্ধ হয় নি। এর কিছু বাস্তব প্রতি বন্ধকতা রয়েছে। দেখা গেছে শিশু শ্রমিক একেবারে নিষিদ্ধ হলে পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যা খাওয়া জুটত তাও জোটেনা। সরকার চেষ্টা করছেন যাতে শিশু শ্রমিক পুরোপুরি বন্ধ না করে তাদের জন্য কিছু করা যায়। খোলা হয়েছে শিশু শ্রমিকদের জন্য স্কুল। কাজের সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অনেক এন জি ও এদের নিয়ে কাজ করছে।

এর বাইরে কি ভূমিকা নেওয়া যেতে পারে: বড় মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানি গুলো তাদের উৎপাদিত বিলাসদ্রব্য গুলির দামের সাথে ১ টা বা ২ টাকা যোগ করে সেটা কাজে লাগাতে পারে এই শিশুদের উন্নয়নে। আপনি আপনার বাড়ির কাজের ছেলে বা মেয়েটিকে (যদি থাকে) নিয়ম করে স্কুলে পাঠাতে পারেন যাতে ভবিষ্যতে সে নিজের ভবিষ্যত খুঁজে নিতে পারে। স্থানীয় ক্লাব গুলো এলাকা থেকে ন্যুনতম মাসিক চাঁদা তুলে এদের সাহায্য করতে পারে। এতে আপনারও ভূমিকা রয়েছে। দেখবেন যাতে ব্যবসা না হয়ে যায়। এর বাইরে আপনার আইডিয়া এখানে কমেন্ট আকারে পেশ করতে পারেন।

সবশেষে আপনার সচেতনতা গড়তে পারে একটি শিশুর ভবিষ্যত, দেশের ভবিষ্যত প্রজন্ম। আসুন প্রতিজ্ঞা করি "শৈশব যেন বিক্রি না হয়"।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744982 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744982 2007-11-12 15:36:52
স্বপ্ন অনেক ভীড় করেছিল চোঁখের পলক মাঝে, পলক ফেলে শেষ হল সব মিলিয়ে গেল তাজে।
কত স্বপ্ন দেখেছিলাম তোমায় নিয়ে, স্বপ্নেরা সব একে অন্যকে ঠেলে করেছিল ভীড়। ফেরাইনি কাউকেই। অল্প অল্প করে সময় পেয়েছিল সবাই। পূরণের প্রতিশ্রুতিতে কাঁদেনি কেউ। কত আশা, কত ভালবাসা আপেক্ষিতায় অনুভূত বাস্তবে।

"কথা ছিল একদিন চলে যাব দূর নীল সীমানায়
একছুটে পার হয়ে যাব সীমানা,
কথা ছিল একদিন তুলে নিয়ে সব মরুভুমি,
ছুঁড়ে ফেলে দেব সাগরের কিনারায়।
কথা ছিল সব সবুজ শুকিয়ে যাবার আগে
আগেই দেব অমৃতের সন্ধান।
শুধু তুমি এলেনা
সময় খুঁজেছে যে তোমায়।"

প্রিয়া, সেই দিনগুলো মনে পড়ে!! তোমায় নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলাম রঙীন! চেয়েছিলাম সেই স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে। তুমি আমার হাতে হাত রেখে হারিয়ে যেতে সেই নীলে! কথা দিয়েছিলাম তোমায়, তুমিও আমাকে। বদলে দেব সব। প্রেমের শুরু হবে তোমাকে আমাকে নিয়ে। রোমিও জুলিয়েট হয়ে যাবে মিথ্যা। কিন্তু কেন এলেনা প্রিয়া?

"কথাছিল ছিল একদিন তুমি আমি কোলকাতা চষে
বুনে দেব বীজ কৃষ্ণচুঁড়ার,
কথা ছিল একদিন সারাদিন প্রজাপতি ধরে
রঙ ছড়িয়ে দেব শহরের বুকে
কথা ছিল বদলিয়ে দেব "কিড পার্ক স্ট্রীট"এর রাত
বদলিয়ে দেব আজকের কবিতা।
শুধু তুমি এলেনা
সময় খুঁজেছে যে তোমায়।"

প্রিয়া আমার প্রতি মুহুর্তে ছিলে তুমি। কি ছিল না আমাদের প্রতিশ্রুতিতে! সব, হ্যাঁ সব আকাশ থেকে মাটিতে নামিয়ে আনতে সময় লাগতো আমার এক মুহুর্ত। শুধু তোমার সঙ্গ ছিল আমার আকাঙ্খা। তবু তুমি এলেনা কেন প্রিয়া!

শুধু তুমি এলেনা


(রেটিং দিয়েন না, এইটা ভদকীয় ফ্লাডিং)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744821 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744821 2007-11-12 01:35:20
পড়িল কাঁদিয়া পুরুতমশাই, ফলমুল কিছু নাই। শেষমেষ নাকি দক্ষিনা যায়, বাঁচাও আমারে ভাই।
পূর্বেকার পুরুতঠাকুরকে যমলোকে ভীষন প্রয়োজনের কারনে অকস্মাৎ চলিয়া যাইতে হয়। তাহার অবর্তমানে আমাদের ভক্তিরক্ষার দায়িত্ব যাঁচিয়া কাঁধে তুলিয়া নিতে অগ্রসর হন বর্তমান। এনার ইতিহাস আছে। আমার বন্ধু সকল বর্তমান পুরুতঠাকুরকে পাড়াতুতো কাকু বলিয়া যথেষ্টই সন্মান করিত। তিনিও তাহাদের "গেঁয়ো যোগী ভিখ পায়না" প্রবাদ বাক্যের রক্ষাকারী সকল বলিয়া গন্য করিতেন। ইহা আমাদিগের অজানা ছিল। এক দিন দুই বন্ধু সিনেমা দেখিতে যাইতেছে। মিঠুন দাদার সিনেমা। দেখিতেই হইবে। সিনেমা হল ৪ কিমি দূরে। টিকিট পাওয়া যাইবে না বলিয়া সাইকেলের বেগ কিঞ্চিৎ দ্রুত। পথিমধ্যে এক সাইকেল আরোহীকে তাহারা ওভারটেক করিল। মিনিট পাঁচেক পর দ্রুতবেগে সেই সাইকেল আরোহী তাহাদেরকে ওভারটেক করিতে করিতে বেল বাজাইয়া বলিল, ইহা র‌্যালি র‌্যালি, বুঝলি! ("র‌্যালি" সেইসময়কার নামকরা সাইকেল কম্পানি)। সেই পুরুত মশাই। মনে করিয়াছেন তাহাকে ইচ্ছা করিয়া ওভারটেক করা হইয়াছে। সেই ঘটনার পর হইতে সকলে পুরুত কাকুর পিছনে লাগিল। দেখা হইলেই পিচ্চিরা বলিত, র‌্যালি র‌্যালি।

কম্প্লেন হইল। মিটমাট হইল। পরদিন হইতে রাস্তাঘাটে দেখা হইলেই আমাদের সকলেই সৌজন্য প্রদর্শন করিতে জিজ্ঞাসা করিতাম, কাকু কোথায় যাও? কাকু কোথায় গিয়াছিলা? একদিন উনি পত্নী-কন্যা লইয়া কোথাও যাইতেছেন। সাথে বিস্তর বাক্স প্যাঁটরা। আমার এক মিত্র যথারীতি জিজ্ঞাসা করিল, কাকু কোথায় যাও? তিনি হঠাৎ ক্ষেপিয়া গেলেন বলিলেন, যেথা ইচ্ছা সেথা যাই! তোদের কি! যেইখানে দেখা হইবে, খালি কোথায় যাও কোথায় যাও! আমি বম্বে যাই। লোকজন জমিয়া গেল। আমরা থ হইয়া গেলাম। পুরুত কাকু ফিরিয়া আসিলে তাহাকে করা প্রশ্নের উত্তর আমার মিত্রগনই এইরুপ দিয়া দিতে শুরু করিল। কাকু কি বম্বে যাইতেছেন।

(চলবে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744436 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744436 2007-11-10 18:46:20
শুভ দীপাবলি সামহোয়ার.... http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744080 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28744080 2007-11-10 00:28:56 We are watching you, moderators never sleeps....
ছবি অনেক কথা বলে। বোঝার মানুষ চাই। বিস্তৃত ক্ষেত্রে এর ব্যবহার প্রয়োজন মেপে। আমার কাছে যা বিষয় হিসাবে শালীন অন্যের কাছে হতে পারে অপ্রয়োজনীয়। নারী পুরুষের নগ্ন ছবি কিছু বাস্তবতা বোঝাতে পারফেক্ট। কিন্তু যেহেতু রুচি বোধের বিভিন্নতা অনস্বিকার্য তাই বিতর্কিত ছবি পরিত্যাজ্য বৃহৎ স্বার্থে। হয়তো তাই ভেবেই সামহোয়ারের নীতিমালা।

অনেক প্রতিকূলতা পার করে সামহোয়ার আজ মোটামুটি স্থিতিশীল। স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে অনেক পারিবারিক সদস্যের (ব্লগার) প্রানও এখানে নিবেদিত। বারংবার প্রদত্ত তথ্যে বিশ্বাসযোগ্য হয়ে উঠেছিল মডারেটরদের অক্লান্ত পরিশ্রম। রাত দিন চব্বিশ ঘন্টা। এটাই হওয়া উচিত।

নেশা অথবা ঘুম আসেনা বলে রাতভর সামহোয়ারে কাটাই। চোখে পড়ে অনেক ঝগড়া, বিতর্ক, ফ্লাডিং। প্রতিবাদ করি স্বাভাবিকভাবেই আমার সামহোয়ারকে সুস্থ রাখতে। মডারেটররাও সহযোগিতা করেন। বেশিরভাগই দিনে। রাতে ১২ টার পরে নয়। কেন? এটা আমার প্রশ্ন। সামহোয়ারের যথেষ্ট ক্ষমতা আছে অর্থ দিয়ে তাদের জাগিয়ে রাখার। তবে রাতের বেলা এই নেগলেজেন্সি কি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নজরে পড়ে না!! নাকি ছুটি হয়ে যায় রাতের ঘুমের জন্য আমাদের জাগিয়ে রেখে।

(বিষয় বুঝবেন, শুধু এটা নয় অনেক অসহ্য ফ্লাডিংও রাতের বেলা হয়। এই ছবি আমার কাছে বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্য পূর্ন কিন্তু অনেকের কাছে রাতের খোরাক)

নোটঃ
১। যে ব্লগার পোস্ট দিয়েছেন তার সাথে আমার কোন বিরোধীতার ব্যাপার নেই। আমি শুধু স্ক্রীন শট ব্যবহার করলাম।
২। অনুপ্রেরনা "হাসিব" ভাই।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28743882 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28743882 2007-11-09 04:03:20
নারী আর পুরুষের সমান অধিকার কি স্বীকার্য্য!!!
(পোস্টকারীর সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই। আপনার ক্যালি স্বীকার করি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28743872 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28743872 2007-11-09 01:35:26
আমার ব্লগ জীবন সার্থক, আমি প্রথম বার কারো কাছে ব্লক হয়েছি। ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28743684 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28743684 2007-11-08 14:34:57 অবশেষে আমি ইরান পৌঁছেছি (ইরানের রোজনামচা-১ম দিন)
"অবশেষে ইরান পৌঁছলাম। এটা অবশ্য প্রথম বার নয়। আগেও আমার একটা বিশেষ ইকুইপমেন্টের সার্ভিসিং করাতে আমি এখানে এসেছি। আমি বরাবরই আমার চোখ নিয়ে একটু সেন্সেটিভ। তাই তার সুরক্ষার সাথে জড়িত সব বিষয়ই আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মাতৃভূমি আমাকে সেই গুরুত্বদানে বাধা দিয়েছে। ইরান দিয়েছে নিশ্চয়তা। নিশ্চয়তা কে না চায়। আসলে এখানে একটা বিশেষ আঠা আছে যেটা আর কোথাও পাওয়া যায় না। সেই আঠা ছাড়া আমার যন্ত্র ঠিক সেট হয়না। তাই আসতেই হবে। বার বার আসতে আসতেই ভালবেসে ফেলেছি এই দেশটাকে। মাতৃভূমির চাইতেও।

প্রতিবচ্চর আসি, এবার একটু তাড়াতাড়ি আসতে হল। সান গেলাস আমার এক প্রিয় বন্ধু জোর করে নিয়ে গেছে। হাজার হোক বন্ধুতো তাই না করতে পারি নাই। সেই শুরু থেকে আমার সানগেলাস ব্যবহার করতে হয়। এটা আমার চোখের নিরাপত্তার জন্য অতীব গুরুত্ব পূর্ণ। আমি এর জন্য ৫০ জন মানুষের সাথে লড়াই করতে রাজী। একে তাও ছাড়তে পারব না। এছাড়াও এই সান গেলাস চোখে না দিয়ে আমি রসময়গুপ্ত পড়তে পারি না। ঐ বই আমার জীবন। আমার জীবনের সাথে হুবহু মিলে যায়। অনেক রিকোয়েস্ট, উদারতা দেখিয়েও সান গেলাসটা পেলাম না। বাধ্য হয়ে আবার আসতে হয়েছে।

বিমান বন্দরে ভুল দরজা দিয়ে অন্য বিমানে চড়ে বসেছিলাম। দরজায় নাম ঝাপসা দেখাচ্ছিল। যাবো ইরান পৌঁছে গেছি বাগদাদে। কাস্টমসে চেক করতে গিয়ে আমার ব্যাগের শুকিয়ে রাখা বেজীর মাংস বেড়িয়ে পড়ল। আমি যেখানেই যাই ওটা সঙ্গে নিয়ে যাই। ঐ মাংস ছাড়া অন্য কিছুই আমার মুখে রুচে না। বেজীর মাংস ইরানে নিষিদ্ধ নয়। বাগদাদে মনে হয় আমেরিকানরা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। সংক্রমন ছড়াতে পারে। কেস খেয়ে যেতাম। সঙ্গ দিল আমার সহিষ্ণুতা। আমি খুব সহ্য করতে পারি। ধীর স্থির ভাবে আমি বোঝাতে সক্ষম হলাম বেজীর মাংস উপাদেয় এক খাদ্য। ওরা বলল, ইটস অল রাইট, লিভ ইট ফর আস। জানেন আমার চোখ দিয়ে জল চলে এল। সান গেলাস ও নেই যে ঢাকব। ওরা একটু নরম হয়ে বলল, ব্রেভ মেনস নেভার ক্রাইস। এরপর খুব মজা করেছে আমার সাথে। আমিও অনেক মজার কৌতুক শুনিয়েছি। ওদের কমান্ডারকে আমার একটা হ্যান্ডিক্রাফট দিয়ে এসেছি। বদলে ওরা আমাকে অনেক ভালবাসা দিয়েছে।

বাগদাদ থেকে একটা স্পেসিয়াল বিমানে ইরান পৌছলাম। ওটা শুধু তেল নিতে আসে। মানুষ নেয় না। আমাকে স্পেসিয়ালি নিল। ইরানে বিমানবন্দরে স্বাগত জানাবার জন্য প্রচুর লোক ছিলেন। ওরা আমাকে সু্স্থ ব্লগিং সম্পর্কে দু-চার কথা বলতে বললেন। কোন মতে সেটা সেরে বিমানবন্দরে অপেক্ষমান আমার একজন ঘনিষ্ট বন্ধুর সাথে ওর বাড়িতে গেলাম। ও আমাকে খুব ভাল বাসে। একটানা আমার জন্য লড়ে যেতে পারে। ওকে বললাম আমার ক্ষিদে পেয়েছে। ও বলল বেজী মারতে দু একজনকে পাঠিয়েছি। তুই চিন্তা করিস না।

হাত-পা ধুয়ে আমি এখন বিছানায়। খুব ক্লান্ত। তার মধ্যে চোখেও দেখতে পাচ্ছি না। বইটা আজকে বন্ধুকে পড়ে শোনাতে বলব। এটা একদম চকচকা নতুন। আগের টা দাওয়াতের দিন কেউ একজন নিয়ে গেছে। আবার কাল কথা হবে। একটু ঘুমিয়ে নেই।"

(সব দায় সাংবাদিকের। কেউ বিশ্বাস না করলে মেইল দিয়ে প্রমান দিতে পারি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28739155 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28739155 2007-10-23 03:02:07
দূর্গা পূজার একাল সেকাল (পুজোর রোজ নামচা-১ম পর্ব)
ছোটবেলায় ঠাকুর আনতে গেলে বড়রা গাড়ি থেকে নামতে দিতেন না। ওরা সবাই নেমে ঠাকুর গাড়িতে তুলতেন। গাড়ির সামনে লাইন দিয়ে পাড়ার মহিলারা লালপাড় শাড়ি পরে হেটে আসতেন। হাতে প্রদীপ। আমার দাদা আর ওর বন্ধুবান্ধব বড়দের হাতের ব্যরিকেডে নাচতে নাচতে ফিরতো। আমরা গাড়ির থেকে দেখতাম আর ভাবতাম, কবে বড় হব।

সপ্তমীতে সেই স্থলপদ্মের গাছ থেকে ফুল পেড়ে পুজোর জন্য নিয়ে যাওয়া। যাওয়ার আগে বাবা মাকে প্রনাম করে কাতর নয়নে চেয়ে থাকা একটা টাকার আশায়। মিলত টাকার ভগ্নাংশ। তাই অনেক। ১০ পয়সার বেলুন দশটা, মটরভাজাও অনেক। সারাদিন পুজোর মন্ডপে দৌড়ে বেড়াত মনের সাথে শরীর।

মূলতঃ অষ্টমীর দিন এখানে পুজোয় ঠাকুর দেখতে বেড়োবার রেওয়াজ ছিল। আত্মীয় স্বজন, পাড়া পড়শী সবাই একসাথে দলবেধে ঘুরে বেড়াতাম মন্ডপে মন্ডপে। পায়ে হেটে। প্রচন্ড ভীড়ে হাত ছাড়লেই হারিয়ে যাওয়ার ভয়। পুরো শহর ঘুরতে হয়ে যেত ১০-১২ কিলোমিটারের জার্নি। ফেরার পথে জিলিপিতে কামর দিয়ে মায়ের হাত ধরে টানতাম। মা বুঝতে পেরে কোলে তুলে নিতেন। ফেরার কিলোমিটারগুলো ট্রান্সফার হয়ে যেত মায়ের পায়ে।

নবমীর দিন আমাদের এখানে আরতি প্রতিযোগিতা হয়। পুরো এলাকা ভেঙ্গে পড়ত পাড়ার মন্ডপে। কঁচি কাঁচাদের সাথে আরতি দিতে নেমে পড়তেন বড়রাও। মহিলারাও শাড়ির আচল কোমরে গুঁজে। নাচতে পারতাম না। আরতির ঢাকের বাজনায় পা নাচতো শুধু। এখনও নাচে। ঢাকের বাজনায় অদ্ভুত আবেশ আছে। আরতি শেষে পূরস্কার বিতরনী। এই সময়টাতেই শুধু আফশোষ হত নাচতে না জানার। খিচুরী খেয়ে বাড়ি ফিরে ঘুমিয়ে স্বপ্ন দেখতাম পূরস্কার নিচ্ছি। অনেক স্বপ্নই পূরণ হয়েছে স্বপ্নে।

দশমীর দিন গোটা শহরের প্রতিমা বিসর্জন হয় "করলা নদী"তে। প্রায় ৫০-৬০টা পুজো ছিল। নদীর ঘাট ভাগ করে দেওয়া হত। সাথে বসত মেলা। তখনও মদের ব্যাপ্তি ঘটেনি। এইদিনের জন্য একটু শিথিল থাকত বড়দের রাশ। তারাও একটু আধটু গলা ভেজাতেন শরীরে তাল আনতে। উদ্দাম পরিবেশ। একটা একটা ঘাটে কয়েক হাজার মানুষ। নদীতে নৌকোর সার। প্রতিমা আসছে গরুর গাড়িতে খুব বড় পুজো হলে ট্রাকে। সাথে মিছিল করে সে পাড়ার ছোট বড় সবাই। স্লোগান চলছে, দূর্গামাই কি....জয়....আবার কবে? বছর পড়ে। ঘাটের পাশে মাঠে প্রতিমা নামিয়ে উদ্দাম নাচ। একসাথে কয়েকশ ঢাক। বাজির আওয়াজ, আলোর রোশনাইতে মনে হচ্ছে যুদ্ধক্ষেত্র। মহিলারা সেই নাচে সাধারনত অংশ নিতেন না। তালিকা অনুসারে মাইকে ক্লাবের নাম ঘোষনা করা হত। এক এক করে হয়ে যেত বিসর্জন। শান্তিজল ছিটিয়ে বিজয়ার কোলকুলি শেষে আস্তে আস্তে বাড়ির পথ।

এখন বদলে গেছে অনেক ধরন। বদলায়নি শুধু আসছে বছর পুজোর জন্য অপেক্ষার শুরু।

(Picture: http://www.flickr.com)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28739022 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28739022 2007-10-22 14:58:59
বান্দর কুলের চারিকোন প্রেম (রাগুপার জন্য ধারাবিবরনী) থাইল্যান্ড বসে পুকা ব্লগেতে ব্লগায়।
তাল দিয়ে ঢিল মেরে রাশু ভাঙ্গে ঠ্যাং
উদায় ছাড়িয়া পুকা মানুষেরে ল্যাং।
সারাদিন বকে মানু পুকার প্রলাপ
রাশু খুঁজে চান্স পেয়ে ফাঁকা সেই খাপ।
মকু বলে শোন কথা ধারাবিবরনী
সাথে অচু যোগ নিয়ে ব্লগীয় লেখনী।
চারিকোন প্রেম কথা কেমনে বুঝাব
মানু, রাশু শেষ আমি দেখিয়া ছাড়িব।

(মানু রাশু কালকে ব্লগে আসিলে ইহা কলেবরে বৃদ্ধি পাইবে, এখন ঘুম পাইছে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738929 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738929 2007-10-22 03:12:58
টাটকা ছবি, বিসর্জনের প্রাক্কালে জলপাইগুড়ির মা দূর্গা http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738846 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738846 2007-10-21 19:50:20 মজার জোকস (ব্লগারবেদনে মুছলাম না)

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:১৬:২৭
কি বোর্ডে দেখুন prt sc অথবা Print screne বাটন আছে। প্রেস করে পেইন্টে গিয়ে পেস্ট করুন।

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:১৬:৫৯
কি বোর্ডের ডানদিকে ওপরে আছে।

প্রচেত্য বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:১৭:০৫
আপনার কি-বোর্ডের "Print Screen SysRq" বাটনটি প্রেস করে স্ক্রীন শট নিয়ে কোন ফটো এডিট সফটওয়ারে পেষ্ট Ctrl+V করুন

প্রচেত্য বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:১৯:০৪
আলাদা বিশেষ সুবিধাজনক অনেক সফটওয়ার আছে সেগুলো বিশেষ সুবিধা দিয়ে থাকে, কতটুকুন জায়গা, এডিটিং, ইত্যাদি
আমার কাছে ছিল, এখন দেখতে হবে
হার্ডডিষ্কটা আমাকে যথেষ্ট ভুগিয়েছে, আর ভাইরাসে ভুগিয়েছে হার্ডডিষ্কটাকে

বাংলা আইসিটি বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:২৪:৩৯
আপনি একটা ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে এই কাজ খুব সহজে করতে পারেন। উপরের আলতু ফালতু সাজেশন ফলো করতে গেলে ঝামেলা হতে পারে। আপনি একটা ডিজিটাল ক্যামেরা যোগাড় করেন। ফ্লাশ ছাড়া ছবি তুলতে থাকুন আপনার স্ক্রিনের। খতম!

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:৩৭:৫৯
বাংলা মালের মাথায় এত বুদ্ধি কুনহান থেইকা আইলো!!

বাংলা মালের মূল্যবান সাজেশনঃ
১।ডিজিটাল ক্যমেরা অন করো।
২।স্ক্রীন এ তাক কইরা শাটার মারো।
৩। হেইডারে কম্পুতে লাগাও।
৪। ফটুর সফ্টওয়ার দিয়া ডাউনলোড করো।

আমাগো ফালতু সাজেশনঃ
১। কিবোর্ডের একটা বুতাম টিপো।
২।পেইন্টে গিয়া পেস্ট করো।

গনডার বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:৪৬:৪২
""বাংলা আইসিটি বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:২৪:৩৯
আপনি একটা ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে এই কাজ খুব সহজে করতে পারেন। উপরের আলতু ফালতু সাজেশন ফলো করতে গেলে ঝামেলা হতে পারে। আপনি একটা ডিজিটাল ক্যামেরা যোগাড় করেন। ফ্লাশ ছাড়া ছবি তুলতে থাকুন আপনার স্ক্রিনের। খতম!
""

মানব ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা জোক্স এটা।
আবাল গাছে ধরেনা , মাইনষের পেডেই জন্মাই

সর্বদাবেলায়েত বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৩:৫২:৫৬
বাংলা মালের মূল্যবান সাজেশন পেয়ে টাশকি খেলাম। এমুন চিলিকমারা সাজেশন তো আগে পাই নাই। একডা ক্যামেরা থাকলে ট্রাই মারতাম। দেখতাম-ক্যামনে কি।

যাউকগা, বাংলা (মাল) ভাই, চট করে 'আলতু-ফালতু' শব্দটা যে মাইরা বসলেন ঠিক হইলো কি? আর ক্যামেরা তো অনেকের কাছে না ও থাকতে পারে।

কখগঘ বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৪:২০:১১
@বাংলা মাল: আমার মনে হয় ওইভাবে না কইরা এইভাবে করলে কেমন হয়?

১. স্ক্রিনের সামনে দাড়াইয়া উল্টা ঘুরেন।
২. ৯-১০ পা সামনে আগান।
৩. আবার উল্টা ঘুরেন।
৪. এবার সামনে দৌড় দিয়া স্ক্রিনের কাছে গিয়াই লাগান একটা লাথি (শট)।

হয়ে গেল আপনার স্ক্রিন শট।

প্রচেত্য বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৪:২২:২২
ভাইরে হাসতে হাসতে শেষ

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৪:২৩:৩০
মাল গেল কই!! হেতার ব্লগে গিয়া দেইখা আসেন কি মাল....গনডারের গুতা দিতে হবে।

মিসকল বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৪:৩০:৪২
হা হা হা হা @ কখগঘ

সংস্থাপক বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৪:৩২:৩৮
ডিজিটাল ক্যামেরা না থাকলে নরমাল কেমেরা দিয়ে ডেস্কটপের ফটু তোলেন।* সেটা স্টুডিওতে গিয়ে প্রিন্ট করে হেই ছবি স্ক্যান করলেই ডেস্কটপের প্রিন্টস্ক্রিণ পাবেন।
* কম খরচে ছবি প্রিন্ট করতে নিউমার্কেটে আমার পরিচিত স্টুডিও আছে।

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৪:৩৭:৫১
হা হা হা @সংস্থাপক

মাল গেল কই

ঠোটকাটা ব্লগার বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৫:৪৪:০১
হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে যাচ্ছে ।হোসেইনের ''ভাইটি আমার আইটি শিখো"র কথা মনে পড়ে গেল ।

গনডার বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৫:৪৮:০৯
বাংলার মাল ডরাইয়া পলাইসে মনে লয়

আন্ধার রাত বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৬:৩৪:৩৫
বাংলা আইসিটি বোধহয় অত্যন্ত উচুঁ মানের জ্ঞানী(?)


মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-২১ ১৮:৪৪:০১
আমি হেতার ব্লগে গিয়া কমেন্ট গুলা পুস্টায় আইলাম।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738834 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738834 2007-10-21 18:47:44
শুভ বিজয়া সামহোয়ার... http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738789 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738789 2007-10-21 14:13:18 দুনিয়ার বান্দর.....এক হও.... ২০০৭-১০-১৯ ১৩:৪৯:০৩
ডাইনে বামে কিছু না থাকলে রাস্তার ধারে টয়লেট করনের লিগা এই পরিবেশ বেস্ট!

খালি দরকার এক বদনা পানি!

শিলা বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৫:০৩:২৫
উদাসী স্বপ্ন @ যে পরিবেশে বড় হয়েছেন, সেই পরিবেশের কথা মনে পড়লো বুঝি? আমি মোটেও বিস্মিত হইনি। কারণ উদাসী তার অতীতকে ভুলেনি।

অন্যরকম বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৬:০০:২৫
উঃদা আবার চিপায় পরল.... হে হে হে

শিলা বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৬:১২:২৩
অন্যরকম @ উদা মোটেও চিপায় পড়েনি। চোখ আর মন থেকে 'শরম' (ভদ্রতা) তাড়িয়ে দিন। আপনিও নিমিষেই 'মুই কি হনুরে' টাইপের জানোয়ার হয়ে যাবেন। নিজে লেংটা থাকবেন, অথচ সাপ দেখলেই বলবেন : দেখেছো সাপটা উলঙ্গ'। নিজে নাচতে পারেন না! তাতে কি? নর্তকীকে ঘৃণা করতে আপনার মোটেও অসুবিধা হবে না। আপনি শিক্ষিত? সো হোয়াট? ওটা এমনিতেই আপনার হিপ পকেটে চলে যাবে।

শিলা বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৬:১৭:০৮
উদাসীর প্রতি আমার বিন্দুমাত্র রাগ নেই। তিনি একজন ভালো ব্লগার। কিন্তু একটা লোক কতোটা নিচ আর ইতর হলে আরেক জনের ব্লগকে টয়লেটের সাথে তুলনা করতে পারে? ছি: ছি:
আমি না হয় তার মতো ভালো লিখতে পারি না। এটাই কি আমার অপরাধ? তার মত বা দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে আসার মিল নেই---এটাই কি আমার অপরাধ?

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৬:১৯:১৮
শিলা.... আপনাকে আমাদের দরকার...একটা কাজ করতে হবে.....মোটা পারিশ্রমিক পাবেন।
Click This Link ঘুরে আসুন। আপনি রাজি হলে আমাদের কাজ হালকা হয়ে যাবে....!

পোস্টে ৫চাইলাম কিন্তু।

অন্যরকম বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৭:২৫:১৩
শিলা... এত ক্ষ্যাপছেন কেন? যেই কমেন্ট করছেন.... বুঝতেই বহুত টাইম চইলা যাইব। আচ্ছা, আপনি কি আমারে গাইলাইছেন? <img src=" style="border:0;" />

মনের ব্যাথার প্রপোজাল ভাইবা দেইকেন!

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৭:৩১:৪৫
শিলা আমার মনে হয় আপনি উদাসীকে বুঝতে ভুল করছেন। উদাসী আপনার ব্লগ সম্পর্কে বলেনি। ওর মানসিকতার সাথে যতটুকু পরিচিত তা থেকে বলতে পারি ও আপনার লেখা যথেষ্ট গুরুত্ব সহকারে পড়েছে। ওর কমেন্টগুলো জাস্ট ফর ফান। ওর লেখা পড়লে বুঝতে পারবেন।

অন্যরকম বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৭:৫৩:১৪
টেক ইট ইজি শিলা। উই আর হিয়ার জাস্ট ফর ফান!

শিলা বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৮:১৩:৩৫
অন্যরকম @ ঠিক আছে। কিন্তু ফানের অর্থ যেন না হয়, কারো ঠোঁট দেখে চুমু খাওয়ার নোংরা ইঙ্গিত দেয়া। আমার বিশ্বাস, আমরা আরো ক্রিয়েটিভ হতে পারি। সমস্যা শুধু মানসিকতায়। উদার মানসিকতা থাকলে কোনো সমস্যা হতো না।
ডেস্ট্রাক্টটিভ ওয়েতে এগুতে চাইলে ভিক্টিমরাও যে একই পথ ধরবে, এ সহজ অঙ্কটি আমাদের মাথায় আসা উচিত।

মনের কথা বলেছেন :
২০০৭-১০-১৯ ১৮:২৬:৪২
মানসিকতার সমস্যা নিয়া আমার এখন সন্দেহ দেখা দিছে!!!!]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738616 http://www.somewhereinblog.net/blog/monerkothablog/28738616 2007-10-20 15:49:39