আমার প্রিয় পোস্ট
- গণিতের সাধারন জ্ঞান ও নুহের প্লাবন - দস্যু বনহুর
- Rapidshare থেকে সহজে ডাউনলোড করার উপায় - ঐক্যতান
- ভাষা শিক্ষা বিষয়ক আমার ক্ষুদ্র ভাবনা - মেঘ
- ভাইরাস লাগবো ভাইরাস!!! নেট থেকে ডাউনলোড করুন ভাইরাস!!!
- নাফিস ইফতেখার
- হাজার হাজার জি পিএ ফাইভ (৫) -- একটু পর্যালোচনা। ( সাথে সকল কৃতকার্য পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা।) - পথিক!!!!!!!
- QYAO টিউটোরিয়াল (যে-ভাবে QYAO থেকে টাকা আয় করবেন) - মিতা রহমান
- আ টরচার্ড ইমেজ: রেহনুমা আহমেদের ফ্যাসিবাদীতা, ভণ্ডামী ও একটি মিশ্র অনুভূতির থিওরি, তারেক রহমান ও তার মায়ের অপরাধ ও শাস্তি এবং আমাদের নারী ভাবনা - রিফাত হাসান
- আমাদের চারিদিকের মিডিয়া ফেরেশতাদের তেলেসমাতি ! - নাসিমূল আহসান
- জাষ্ট ক্লিক এবং উপার্জন করুন ডলার - ৈশবাল চৌধুরী
- বাংলার জুমলা! প্রেমিক.........এক হও। - েছাটন
- পাবলিক লাইব্রেরী চত্বরে মিশ্র অনুভুতির কিছু মুহুর্তগুলি - মিলটন
- শতভাগ ডাটা পুনরুদ্ধারের উপায় - তারকে
- এ্যাডমিনিস্ট্রেটরের পাসওয়ার্ড খোলা - পথিক মানিক
- টিপস এন্ড ট্রিকস: মজিলা ফায়াফক্সে ব্রাউজিং স্পিড বাড়াতে (২) - ত্রিভুজ
- টিপস এন্ড ট্রিকস: মজিলা ফায়াফক্সে ব্রাউজিং স্পিড বাড়াতে (১) - ত্রিভুজ
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- বাক বাকুম বাক স্বাধীনতা - দিনমজুর
- উইন্ডোজ এ বিভিন্ন অপশন এনাবল/ডিজেবল এর জন্য কয়েকটি রেজিষ্ট্রি কি সেটিং - লুলুপাগলা
- পিএইচপিতে ইমেইল - মদন
- চমস্কি-র ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট এর অনুবাদ প্রসঙ্গে/ম্যানুফ্যাকচারিং কনসেন্ট গ্রন্থের সাথে আমার বসবাস- আ-আল মামুন - সংহতি
- হার্ডডিস্ক পার্টিশন করার ঝামেলা ছাড়াই ইন্সটল করুন উবুন্টু ৭.১০ - শাহেদুর রহমান
- কম্পিউটার সতেজ (ঢিলেমি দূর) করার কিছু টিপস্....................... - লুলুপাগলা
- দিনমজুরের পোস্ট ধরে সন্ধ্যাপ্রদীপের পোস্ট ,সেখানেই আমার উপলব্ধি,উপলক্ষ সমাজতন্ত্রে মুক্তির উপায়। - বিহংগ
- পুঁজিবাদের থাবা,সমাজতন্ত্রের বাঁধা আর ভাষা দিবসে পুতুলের ধাঁধাঁ! - পুতুল
- এবার নবম ও দশম শ্রেণীর পাঠ্যবইতে আদিবাসীদের জীবনধারা নিয়ে মশকরা! - কুঙ্গ থাঙ
- এক্সপি টিপস: আপনার পিসিটি আরো সুন্দর ভাবে চলার জন্য যা প্রয়োজন (২) - ত্রিভুজ
- সা¤প্রদায়িকতা ও সাম্রাজ্যবাদ জাতির দুশমন : যতীন সরকার - সাপ্তাহিক একতা
- সোশ্যাল ট্যাবু, প্রান্তিক জনপদের ভাষা এবং ব্লগীয় গালি - মিরাজ
- বাংলা বই এর সাইট - মাহবুব জামান আশরাফী
- ইয়াহু লগ ইন (মাল্টি ইউসার) - ইয়।সিন কবির
- আপনার ফায়ারফক্সের স্পিড বাড়িয়ে তুলুন ১০ গুনঃ টিপস - আহমাদ মুজতবা
- হে রাজাকার, তোমরা কুকুর হও - সামী মিয়াদাদ
- অ্যাগ্রো-ফুয়েল ও বিশ্ব ক্ষুধা - দিনমজুর
- একটা ব্লগ লিখেই ফেলি সমাজ বদলের (ব্লগ লিখলেই সমাজ বদল হয় না):২ - উদাসী স্বপ্ন
- '৭১ এর বুড়ি : সাধারণ কিছু মানুষের গল্প - ফারহান দাউদ
- ‘লালন’ সংস্কৃতি : সাধু! সাধু! - অরূপ রাহী
- কামসূত্র কামশাস্ত্রমাত্র নয়, বরং কর্মশাস্ত্র - মুজিব মেহদী
- রাজাকারের বিচার করবোই করব এই বাংলায় - রোকন
- বাংলাদেশ ব্যাংক, ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড(!), PayPal ও হতভাগা আমরা...
- আদনান™
- কার্টুন রাজনীতির নেপথ্যে - অমি রহমান পিয়াল
- আয়ের উপায় হতে পারে ওয়েব কনটেন্ট রাইটিং - নিশাত শাহরিয়ার
- দিলাম পুরা ৫ - অনিশ্চিত
পরীক্ষাগারে বিগ ব্যাং: উত্তর মিলবে অনেক প্রশ্নের
২৬ শে নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:০৯
সৃষ্টির শুরুতে মহাবিশ্বের চেহারা কেমন ছিল- মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন এটি। এই মিলিয়ন ডলারের প্রশ্নের উত্তর পেতে বিজ্ঞানীরা ব্যয় করেছেন বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার। মহাবিশ্বের আদিরূপের চেহারা জানার প্রচেষ্টায় বিজ্ঞানীরা আজ উন্মুখ বিলিয়ন বছর আগের চেহারা থেকে বর্তমান পৃথিবীর হারানো রূপ কিংবা সে সময়কার কিছু বস্তুর ধর্ম এবং আচরণ নিয়ে কিছু প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে। এর একটি তাত্ত্বিক উদ্যোগ হচ্ছে পৃথিবীর সেই আদিরূপ পরীক্ষাগারে সৃষ্টি করা যায় কি-না। কিন্তু শঙ্কা হচ্ছে, এতে করে নাকি পৃথিবীও ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। সত্যিই কি তাই?
‘ব্রুকহেভেন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি’ একবার এ ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিল। সেটি হয়েছিলো কিনা জানা নেই। তাত্ত্বিকভাবে এই পরীক্ষার কর্মপদ্ধতি হতে পারে এরকম। পরীক্ষার প্রথমে একটি গোল্ডের পরমাণুর দুটি নির্দিষ্ট ইলেকট্রন নিয়ে পরীক্ষাটির পর্যায়ক্ষেত্র সৃষ্টি করা হবে। পরমাণু দুটিকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে স্থাপন করে পরস্পরের দিকে তীব্র বেগে ধাবিত করে সংঘর্ষ ঘটানো হবে। এই বেগ হবে আলোর বেগের ৯৯ দশমিক ৯৯৫ শতাংশ। ফলে সৃষ্টি হবে তীব্র তাপ। ধারণা করা হয়, এই তাপের মাত্রা হবে সূর্যের কেন্দ্রের চেয় কমপক্ষে ১০ হাজার গুণ বেশি অর্থাৎ কমপক্ষে ট্রিলিয়ন ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। এ সময়ে বিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে যে ধরনের কিছু মৌলিক ও অতিমৌলিক কণা ছিল সেগুলোর পুনরুৎপত্তি হবে। এই কণাগুলো সৃষ্টির ১ সেকেন্ডের ১০ হাজার মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ সময়ের মধ্যেই ধ্বংস হয়ে যাবে। আবার এমন কিছু অতিমৌলিক কণাও বেরিয়ে আসতে পারে যার সঙ্গে হয়তো বিজ্ঞানীরা এখনো পরিচিতই নন। কোয়ার্ক, স্ট্রেঞ্জ কোয়ার্ক এবং গ্লুয়ন নামের এই কণাগুলো প্রচুর তাপও সৃষ্টি করবে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এই কণাগুলোর সঙ্গে পরিচিত হতে পারলে সৃষ্টি মুহূর্তের অনেক রহস্যের প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে।
এই ধরনের পরীক্ষা কি নিরাপদে করা সম্ভব? অনেকে মনে করেন, এই পরীক্ষার মুহূর্তে গবেষণাগারেই একটি ক্ষুদে ব্ল্যাক হোলের সৃষ্টি হতে পারে কিংবা ধ্বংসকণাজাতীয় কতোগুলো পদার্থ সৃষ্টি হতে পারে বা রিলেটিভিস্টক আয়ন কলিডার মহাবিশ্বকে লোয়ার ভ্যাকুয়াম অ্যানার্জি স্টেটে পরিণত হতে পারে, যার একটিই পরিণতি- পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।
এই আশংকার জবাবে বিজ্ঞানীরা বলেছেন যে, তাত্ত্বিকভাবে এরকমটা মনে করা অসঙ্গত নয়। কিন্তু ঘর্ষণকৃত দুটি কণার আয়তন এতো ছোট যে অনায়াসে এগুলোকে সাব-মাইক্রোস্কোপিক আখ্যা দেওয়া যেতে পারে। আর এদের সংঘর্ষে যে বল সৃষ্টি হবে তা সর্বোচ্চ হতে পারে কাঁচের গায়ে মাছির ধাক্কার সমান। আর যে পরিমাণ আয়তনের মধ্যে এই বল এবং তাপমাত্রা সৃষ্টি হবে তা এক মিলিমিটারের এক মিলিয়ন ভাগের এক ভাগের সমান যা দিয়ে কোনো ছোটখাটো বিস্ফোরণ ঘটানোও সম্ভব নয়। সুতরাং এর মাধ্যমে পৃথিবী ধ্বংস হওয়ার কোনো সম্ভাবনাই নেই।
আমরা জানি যে, পরমাণু গঠিত হয় নিউট্রন, প্রোটন ও ইলেকট্রন দিয়ে। পরমাণুর কেন্দ্র বা নিউক্লিয়াসে প্রোটন ও নিউট্রন একত্রে থাকে এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। কিন্তু পরমাণুতে এগুলো ছাড়াও নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন ইত্যাদি কণা রয়েছে যেগুলোর অস্তিত্ব সাধারণভাবে ধরা যায় না। অন্যদিকে সৃষ্টি মুহূর্তে অর্থাৎ মহাবিস্ফোরণের সময় কোয়ার্ক বা গ্লুয়নের মতো অনেক কণাই ছিলো যেগুলো হারিয়ে গেছে চিরতরে। এই পরীক্ষায় হারিয়ে যাওয়া এরকম অসংখ্য কণার অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা সহজ হবে। এপক্ষের বিজ্ঞানীরা বলছেন, নতুনভাবে সৃষ্টি হওয়া এই কণাগুলো কোনোরকম বিপর্যয় সৃষ্টি করার ক্ষমতা রাখে না। সবচেয়ে বড় কথা, এগুলো প্লাজমা অবস্থায়ও থাকতে পারে। তাঁরা এটাও বলেছেন, আইনস্টাইনের সূত্রের তাত্ত্বিক প্রয়োগানুসারে, এক মিটার লম্বা একটি দণ্ডকে আলোর বেগের কাছাকাছি যেমন শূন্য দশমিক নয় সি বেগে ছাড়লে তা পর্যবেক্ষকের কাছে শূন্য দশমিক ৪৩ মিটার মনে হবে। এ থেকে ধারণা করা যায়, যে বস্তুর আয়তনই আমাদের শক্তিশালী ক্যামেরায় ধরা পড়ে না, পর্যবেক্ষণকালে এটিকে কতো ক্ষুদ্র দেখা যাবে! আর যদি ক্যামেরার দৃষ্টিশক্তির নির্দিষ্ট মানের উপরে উঠতে না পারে, তাহলে কোনো বস্তুর পক্ষে সামান্য বিস্ফোরণ ঘটানো সম্ভব নয়।
অনেক বিজ্ঞানীই মনে করেন, এই পরীক্ষা করা সম্ভব হলে আদপে লাভ হবে আমাদেরই। কারণ সৃষ্টির আদি মুহূর্তে অর্থাৎ ১৩ বিলিয়ন বছর আগে বিলীন হয়ে যাওয়া কণাগুলোর ধর্ম বা প্রকৃতি কেমন ছিলো সেটা খুব সহজেই জানা যাবে। এই পরীক্ষা করার ব্যাপারে বিজ্ঞানীরা আরো যুক্তি দেখিয়েছেন। যারা মনে করেন সংঘর্ষ মুহূর্তে প্রোটন এবং নিউট্রন নিউক্লিয়াস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে, তাদের উদ্দ্যেশে পক্ষের বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই মুহূর্তে পৃথিবীর অবস্থা উঞ্চ নয়। ফলে প্রোটন এবং নিউট্রন আলাদা হলেও এক সেকেন্ডেরও কম সময়ে সেগুলো নিজেদের অবস্থানে ফিরে যাবে। আবার মুক্ত কোয়ার্ক এবং গ্লুয়ন কণাগুলো এক সেকেন্ডের মিলিয়ন-ট্রিলিয়ন সময়ের মধ্যে ফ্রিজ আউট হয়ে যাবে।
বিপক্ষের বিজ্ঞানীর এটাও মনে করছেন, এই সময়ে কিছু এমন কণাও সৃষ্টি হতে পারে যেগুলো সবকিছু ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। বিজ্ঞানীরা এগুলোর নামও দিয়েছেন- স্ট্রেঞ্জলেট কণা বা ধ্বংসকণা। তাদের ধারণা, এই কণার সংস্পর্শে আসামাত্র যেকোনো কিছু ধ্বংস হয়ে যেতে বাধ্য। আর যদি ধ্বংস নাও হয় তাহলে সেগুলো অন্য যেকোনো পদার্থে রূপান্তরিত হয়ে যেতে পারে।
পক্ষের বিজ্ঞানীরা এর উত্তর দিয়েছেন। তারা বলছেন, আমরা যদি স্ট্রেঞ্জলেট কণার অস্তিত্ব ব্যবহারিকভাবে স্বীকার করি তাহলে আমাদের প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে যে অকল্পনীয় স্বল্পশক্তির অবস্থা সৃষ্টি করা সম্ভব কিনা। এই মুহূর্তে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে যে, সেটি করা সম্ভব নয়। আবার সৃষ্টি করা সম্ভব হলে তাত্ত্বিকভাবে সেগুলো ধ্বংস করার মতে সময় ও ক্ষেত্র সৃষ্টি হতে হবে। সেটিও সম্ভব বলে আমাদের কাছে মনে হয় না। সবচেয়ে বড় কথা, স্ট্রেঞ্জলেট কণা ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট হবে তা পদার্থবিজ্ঞানের তাত্ত্বিকতা অনুসারে অসম্ভব। যদি ধরে নেওয়া হয় তাও সম্ভব, তাহলে এর দ্বারা ধ্বংসাত্মক কোনো কাজ সংগঠিত হবে না। কারণ এই স্ট্রেঞ্জলেট কণা সৃষ্টি হওয়ামাত্র ঋণাত্মক ইলেকট্রন কণা ঝাঁকে ঝাঁকে এসে সেগুলোকে নিস্ক্রিয় করে ফেলবে। সুতরাং এই আশঙ্কাটিও এখানে অপ্রযোজ্য।
পক্ষের বিজ্ঞানীরা এটাও বলছেন, এ উপায়ে পৃথিবী ধ্বংস তখনই সম্ভব যখন পৃথিবী সর্বনিম্ন শক্তিদশায় না থাকে। বর্তমানে পৃথিবী সর্বনিম্ন শক্তিদশায় আছে। সেক্ষেত্রে রিলেটিভিস্টিক আয়ন কলিডার আরো কম মাত্রার শক্তিদশা সৃষ্টি করে মহাবিশ্বকে আরো অনেক আগেই ধ্বংস করে ফেলতে পারতো। সুতরাং এ ব্যাপারেও চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। বিজ্ঞানীরা এই যুক্তিও দেখিয়েছেন, এই ধরনের সংঘর্ষ মহাবিশ্বে প্রায়ই নানা মাত্রায় ঘটছে। কিন্তু কোথাও ধ্বংসের খবর পাওয়া যায় নি। তাদের মতে, রিলেটিভিস্টিক আয়ন কলিডারের চেয়ে শতগুণ শক্তিশালী হওয়া সত্ত্বেও এই ধরনের সংঘর্ষের শক্তিমাত্রা খুবই কম।
নিউ ইয়র্কের ব্রুকহেভেন ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে অনেক আগেই এই সংঘর্ষসৃষ্টিকারী রিলেটিভিস্টিক হেভি আয়ন কলিডার মেশিনে চারটি ডিটেক্টর স্থাপন করা হয়েছে। এর প্রতিটিই ইলেকট্রনের প্যাকেট দিয়ে ঘেরা এবং প্রতি সংঘর্ষের ফলে সৃষ্ট হাজারের মতো কণার যাবতীয় তথ্য রেকর্ড করা থাকবে। ডিটেক্টরগুলো প্রতি সেকেন্ডে এক হাজার ২৪ গিগাবাইট বা এক টেরাবাইট তথ্য সঞ্চালন করতে সক্ষম। কণাগুলোর তথ্য ৩০ হাজার শক্তিশালী কম্পিউটারে ধারণ করা হবে।
তবে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, এসব ডাটা গ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হবে কোয়ার্ক ও গ্লুয়নের প্লাজমা অবস্থা নিয়ে। এ অবস্থা কোনোভাবেই দেখা বা পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে না। বিজ্ঞানীর আশাবাদী এটুকুই যে, এই প্লাজমা শক্তিশালী গামা রশ্মির ঝলক সৃষ্টি করবে যা দিয়ে তারা কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হবেন।
পর্যায় সারণীর ১০৯টি মৌলিক কণার মধ্যে এই ধরনের পরীক্ষণ কোনো নতুন সংযোজন ঘটাবে কিনা তা অবশ্য এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে যা-ই হোক না কেন, পৃথিবীতে এই ধরনের পরীক্ষা করা সম্ভব হলে তা আমাদের জ্ঞানভাণ্ডারে কিছু না কিছু সংযোজন ঘটাবে, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এই পরীক্ষা নিয়ে যারা বেশ কয়েকবছর ধরে কাজ করছেন তাদের মধ্যে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানী জন হ্যারিস, টিম হলম্যান, ব্রুকহেভেন ন্যাশনাল ল্যাবরেটির পরিচালক জন মারবার্গব উল্লেখযোগ্য।
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): বিগ ব্যাং ;
প্রকাশ করা হয়েছে: বিজ্ঞান বিভাগে ।
অনিশ্চিত বলেছেন:
দিলেন ৫৫৫। দেখাচ্ছে ৫। ব্যাপারটা কী? তাড়াতাড়ি জানান। নাইলে আফনেরে বিগ ব্যাং-এ ফাডাই দিমু।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
এখানে স্ট্রেন্জ্ঞলেট পার্টিকেলটা একটা থিওরেটিক্যাল হাইপো টাইপ বস্তু(আসলে কনা কমু, না কি কমু সেইটাও বুঝতাছি না কোয়ান্টাম মেকানিক্স আসলেই ক্যাচাইলা) যাকে অনেকে ডার্ক ম্যাটারও বলতে চায়।তবে এটা খুবই আনস্টেবল হবার কথা!এটা আসলে কিয়দ সমসংখ্যক কোয়ার্কের লাগালাগি করে থাকা। এদেরকে আলাদা করতে গেলে কিছু শক্তির খরচ হয়।এগুলান বাস্তবে পাওয়া হেভী শক্ত তবে কৃষ্ঞগহ্বরে এইটা পাওন যাইবো না।দুনিয়াতে এইটা আরো দূরের ব্যাপার যদিনা একটা সেরম আয়ন কলাইডার না পাওন যায়। বিগ ব্যাংএর সময় হয়তো এগুলান তৈরী হইছিলো মাগার এগুলান বেশী মাত্রা আনস্টেবিলিটির কারনে ধ্বংস হইয়াও গেছে। এখন অনেকে বলে নিউক্লিয়াস গুলান কেন কেন এই কনায় পরিনত হয় না? আসলেই জটিল প্রশ্ন!তবে এটা ঠিক এখানে হয়তো আলোর গতির বেরিয়ারকে অতিক্রম করার কোনো কণাকে পাওয়া গেলেও যেতে পারে তবু আমি আশায় থাকবো সেরকম এক রেজাল্টের যেটা এই আইনস্টাইনের এই ফালতু টাইম ডিপেন্ডেন্ট পার্টিকেলের দুনিয়া থিকা নতুন তত্বের কথা বলবে!
অনিশ্চিত ভাই, এমন লেখা হাইজেনবার্গের মতোই ব্লগে বিপ্লব আনবো বইলা আশা রাখি!
৫ দেয়াটা নিতান্তই এখানে ক্ষুদ্র যেমনটা একটা হাতীর কাছে একটা এ্যামিবা!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ডিটেইলস:http://en.wikipedia.org/wiki/Relativistic_Heavy_Ion_Collider
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
"এই পরীক্ষার মুহূর্তে গবেষণাগারেই একটি ক্ষুদে ব্ল্যাক হোলের সৃষ্টি হতে পারে"আসলে এই কথাটা একটু কন্ট্রাডিক্টরী মনে হচ্ছে। কারন স্ট্রেন্জলেট হলো এক গুচ্ছ সমসংখ্যক আপস, ডাউনস স্টেটের সমসংখ্যক কোয়ার্কের সমস্টি এবং এদেরকে ক্ষয় করার জন্য অপেক্ষাকৃত হালকা পার্টিক্যালের সাথে দুর্বল ইন্টারেকশনের প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে কৃষ্ঞগহ্বর হলো সবকিছুকে আকর্ষিত করে তার কেন্দ্রের দিকে টেনে নেয়। সেক্ষেত্রে একটা কন্ট্রাডিকশন থেকেই যায়!
অনিশ্চিত বলেছেন:
@ উদাসী স্বপ্ন, এখানে আসলে অনেক কিছুই কন্ট্রাডিকটরি। আর এটা হয়েছে বিজ্ঞানীদের কারণেই। কারণ বিগ ব্যাং-এ আসলে কী হয়েছিলো এবং সেখানে কী পার্টিকেল কীরকম আচরণ করেছিলো, সেগুলো এক ধরনের হাইপোথিটিক্যাল, যদিও এই হাইপোথিসিসের পেছেন পক্ষ-বিপক্ষ উভয়েরই জোরালো যুক্তি আছে। আবার কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা যেহেতু কিছু কিছু বিষয়ে সাধারণ ধারণার সাথে বিট্রে করে, কিংবা ফাইনম্যানের ভাষায়- কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার সাথে আমাদের চিন্তাপ্রক্রিয়ার মিল কম, সেহেতু অনেক কিছুই আগে থেকে বলা সম্ভব হয় না। আমি দাঁড়িয়ে থাকলেও আলোর বেগ যা, দ্রুত চলমান থাকলেও তা- এটা সাধারণ বুদ্ধিতে আসে না। ফলে বিজ্ঞানীদের কিছু অংশ ভাবছেন, তারা বিজ্ঞানের সাধারণ সেন্স দিয়ে যা যা ভাবছেন, সেগুলো সত্যি হতে পারে, আবার কিছু বিপরীতধর্মী ঘটনাও ঘটতে পারে, যেগুলো হয়তো কোয়ান্টাম মেকানিক্সের সাথে কঠিনভাবে মানানসই। ফলে তারা পরীক্ষা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু বলতে চান না। শুধু কী কী ঘটতে পারে, সেগুলোর একটি ইন্ডিকেশন দিয়েছেন। আর খারাপ কী ঘটতে পারে, সেগুলো আন্দাজ করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে চাচ্ছেন।@মদনবাবু, এরকম কঠিন বিষয় খুব একটা জানি না। আমার আবার সহজ বিষয় না লিখলে ঘুম আসে না। তাই...
আপনাদের দুজনকেই ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আচ্ছা স্ট্রেন্জলেট ম্যাটার গুলান কি তাদের এনার্জি ব্যান্ডের কারনেই কি একটা নিউক্লিয়াসের চেয়ে বেশী স্ট্যাবল? যদি এটা হয় তাহলে তো বিগ ব্যাংএর বেসিক নিয়া সমস্যা দেখা দিবে!অবশ্য স্ট্রেন্জলেট অবজেক্টের ব্যাপারটাই একটা হাইপো!যদি জানেন, তাইলে একটু জানান!
অনিশ্চিত বলেছেন:
উদাসী স্বপ্ন, !@@!2467731 !@@!2467732, !@@!2467733 !@@!2467734 !@@!2467735 এবং
!@@!2467737 এই লেখাগুলো পড়তে পারেন। তবে ফাইনম্যানের একটি বইয়ের অনুবাদ বেরিয়েছিলো কলকাতার উৎস মানুষ থেকে। খুব চমৎকার লেগেছিলো। সেটি মাঝখানে ইন্টারনেটেও দেখেছিলাম। কিন্তু এখন খুঁজে পাচ্ছি না। যদি পাই আপনাকে পাঠিয়ে দিবো।
- ভালো কথা, আমি ব্যক্তিগতভাবে এই বিষয়গুলো খুব ভালো জানি না। নিজের আগ্রহে কিছু কিছু পড়ছি এবং এই লেখাটি আসলে অনেকগুলো নিউজ ও ভিউজ পড়ে সেখান থেকে অনুবাদ করা। এই ব্লগে অনেকেই আছেন হয়তো তারা আরো ভালো বলতে পারবেন। আর আপনি যদি আরো কিছু জানতে পারেন, জানালে খুশি হবো। ধন্যবাদ।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
বস মেইল রাখেন:
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
গ্লুয়ন আর স্ট্রেন্জেলেটের ঐ লিংকগুলান মেলা আগেই পড়ছি।পড়ে ব্লাকহোলের এটাকে কেন পাওয়া যাবে না যদি আনস্ট্যাবলই না হয় সেটা নিয়া একটু লেখা পড়া করছিলাম, জাস্ট এজন্য যে বিগ ব্যাংএর কয়েক কোটি বছর পর ব্ল্যাক হোলের সৃস্টি হলো তখন ঐ মিসিং লিংকের সাথে এদের কোনো প্রভাব ছিলো কিনা সেইটা বুঝার জন্য! পরে আর আগাইতে পারি নাই। মনে হয় সেস্টেম্যাটিক্যাল এজাম্পশনে ভুল থাকতে পারে আমার!তবে আপনের এই লেখাটা পড়ে বহুদিন পর এগুলো পড়লাম। আর ভালো ছাত্র ছিলাম না বলে আমি এসব নিয়ে লেখতে ভয় পাই। একটা অনুরোধ আপনে এই সব লেখা ঘন ঘন দেবেন কাইন্ডলি!
বাঙাল যুবক বলেছেন:
আপনি বলেছেন যে,সবচেয়ে বড় কথা, স্ট্রেঞ্জলেট কণা ধনাত্মক চার্জবিশিষ্ট হবে তা পদার্থবিজ্ঞানের তাত্ত্বিকতা অনুসারে অসম্ভব। যদি ধরে নেওয়া হয় তাও সম্ভব, তাহলে এর দ্বারা ধ্বংসাত্মক কোনো কাজ সংগঠিত হবে না। কারণ এই স্ট্রেঞ্জলেট কণা সৃষ্টি হওয়ামাত্র ঋণাত্মক ইলেকট্রন কণা ঝাঁকে ঝাঁকে এসে সেগুলোকে নিস্ক্রিয় করে ফেলবে। সুতরাং এই আশঙ্কাটিও এখানে অপ্রযোজ্য।'
তাহলে কি আমরা ধারনা করতে পারি এভাবে একটি ব্ল্যাক হোল এবং তাকে নিস্ক্রিয় করেত আরেকটি হোয়াইট হোলের সৃষ্টি হবে। তাহলে কি প্যারালাল কোন কার্যক্রম চলবে বা প্যারালাল ওয়ার্ল্ড ধারণা প্রতিষ্ঠা পাবে?
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
হোয়াইট হোলের ধরনাটা তো এখনও আরও প্রিমেটিভ!
বাঙাল যুবক বলেছেন:
কিন্তু একই থিওরীতে বিশ্বের সবগুলো বলের প্রমাণের কি হবে?
অনিশ্চিত বলেছেন:
@দ্বিধা, ভাগাভাগি চলবে না। আপনাকেও এইসব হাবিজাবি কথা লিখতে হবে। নাইলে আফনেরে আমি ফাঁছ (৫) দিমু না।@অচেনা বাঙালি. মাথা এখনো গরম নাকি?
@ উদাসী স্বপ্ন, আমি আফনের ত্থিকা খারাপ ছাত্র। আমার স্যার ড. শাহজাহান তপন এইসব হাবিজাবি বিষয় নিয়া ইন্টারেস্ট মাথায় ঢুকাইছেন। এখন ছাড়তেও পারি না।
@উদাসী স্বপ্ন ও বাঙাল যুবক, বিশুদ্ধবাদী বিজ্ঞানীরা 'প্যারা' শব্দটির ব্যাপারে স্পর্শকাতর। প্যারাসাইকোলজি কিংবা প্যারামেডিক্যাল- এগুলোর কোনোটিকেই তারা গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন না, অপবিজ্ঞান ভাবেন। প্যারা-পাবলিকরাও তাদের বিষয়গুলো যথেষ্ট যুক্তি দিয়ে বুঝাতে পারেননি। (আমার ব্যক্তিগত ধারণা) ফলে তারা প্যারা--লাল ওয়ার্ল্ডকে স্বীকৃতি দিতে চান না।
যাই হোক, প্যারালাল ওয়ার্ল্ড নিয়ে একটি চমৎকার সিনেমা আছে, দেখতে পারেন। নাম 'দি ওয়ান' অভিনেতা- জেট লি।
যাই হোক, গবেষণাগারে স্ট্রেঞ্জলেট কণা সৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে সেগুলোকে নিউট্রাল করার সময় ব্ল্যাক হোল সৃষ্টি হবে কি-না, সেই ব্ল্যাক হোলকে নিষ্ক্রিয় করতে আরো কিছু ঘটনার উৎপত্তি হবে কি-না, সেই বিষয়গুলো এখনো আমার কাছে ধোঁয়াশা। আর হোয়াইট হোল নিয়ে নিশ্চিত কথা কি কেউ বলতে চান? স্টিফেন হকিং-এর সাথে রজার পেনরোজ এ ব্যাপারে একবার তর্ক করেছিলেন। ফলাফল শূন্য।
তবে বিজ্ঞানীরা যে যে মতেই থাকুক না কেনো, প্রায় সবাই মনে করে, পৃথিবীর সব সূত্র একইসূত্রে গাঁথা। তারা বিশ্বাস করেন, একই থিওরিতে সবগুলো বলের প্রমাণ সম্ভব এবং এখনো এটাই তাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
সেই বিখ্যাত পিএইচডি পেপার যেইটা নিয়া কিছু ক্যাচাল হইছিলো। তারপর রজার ভাইজান একটা বইও লেখেন(যদিও বইখান আমার কপালে জুটে নাই)।তবে টাইম ডাইমেনশনটাকে কন্ট্রোল করা গেলে বা ভেরিয়েবলের মতো ইউজ করা গেলে আর মনের মতো ল থাকলে সবগুলানের কিছু সমাধান পাওন যাইতো!তবে একই সূত্রে সকল সমাধান নিয়া আমি আশাবাদি হইলেও এখনও মনে হয় এর আবিস্কারের সময়টা আসে নাই!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
শাহজাহান তপন আপনের স্যার নাকি? বাহ ভালোই! আপনে তো মেলা সুযোগ পাইছেন। আপনেরে আমার হিংসা হইতেছে!কিযে করি? আমি কার সাথে লাগতে আইছি? বস উনারে আমার সালাম দিয়েন!
'ভিমরু' বলেছেন:
অসাধারন লেখা.... ৫ দিলে অনেক কম হয়ে যায়। তবে পৃথিবী ধ্বংস না হলেও বিষয়টা ডিজিটাল প্রযুক্তির ধ্বংস ডেকে আনতে পারে। অনেকদিন এই লাইনে ষ্টাডি নাই.. তাই এলিমেন্টটার নাম মনে পড়ছে না... সেই বিশেষ ম্যাগনেটিক ফিল্ডের অতি-সামান্য পরিবর্তন হলেই আমাদের সকল স্যাটেলাই, কম্পিউটর ও যতরকম ডিজিটাল প্রযুক্তি আছে কোনটাই কাজ করবে না। উদাসী মনে হয় আরো বিস্তারিত বলতে পারবে।দু:খিত আধা-সেদ্ধ মন্তব্য করার জন্য।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
ভিমরু সৌর ঝড়ের কথা কইতাছো নাকি? এর আলোক বর্ণালী দেখবার চাইলে তো উত্তর মেরু যাওন লাগবো, মাগার ঐখানে এখন বিপুল ঠান্ডা, তার উপর রাশিয়া-কানাডা তেলের জন্য কামড়া কামড়ি। দরকার নাই!
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
হোয়াইট হোল নিয়া একটা পোস্টের দরকার। কেউ শুরু করলে আমি বিস্তারিত জানাতে পারতাম কিভাবে এটা মাল্টিইউনিভার্সের সাথে সম্পর্ক এবং এর অস্তিত্ব কোথায় থাকতে পারে! তবে ভালো ছাত্র কখনোই ছিলাম না বিধায় আমার প্রেজেন্টেশন ভালো হয় না!তাই কেউ এটা দিয়ে শুরু করুক!
নির্ভয় বলেছেন:
কঠিন পোষ্ট। এমন পোষ্ট আরো চাই। ৫৫৫
অনিশ্চিত বলেছেন:
'ভিমরু', এখনো কি আধা সিদ্ধ আছেন। শীতের সময়ে সিদ্ধ হন ক্যামনে?বাপ্পী, এব্যাপারে পুরোপুরি উদাসী কাউরে লিখতে বলেন।
উদাসী স্বপ্ন, আপনি হোয়াইট হোল নিয়ে শুরু করেন। নিশ্চয়ই এর মধ্যে আরো অনেকেই ইনপুট দিবেন। কাউকে না কাউকে শুরু করতে হবে। আপনার কাছ থেকে সেটা আশা করছি।
নির্ভয়, কঠিন বিষয়ের ওপর সহজ পোস্ট চান, নাকি সহজ বিষয়ের ওপর কঠিন পোস্ট চান? দ্বিতীয়টি হলে আমি আছি। এমুন কোবতে দিমু, ফইড়া কিসু বুঝতাইন না।
মদনবাবু বলেছেন:
অনিশ্চিত আর উদাসী প্লীজ ছারেন কিছু -- আমরা আমাদের ব্লাকহোল এ ইনপুট নিতে চাই।
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
আমার দ্বারা ভালো কিছু শুরু হইবার নহে, আমারে ক্ষেমা দেন। আপনেরা শুরু করেন, আমি দেশনেত্রী-নৌকানেত্রীদের মতো আপনাদের সাথেই আছি!আগে বাড়ো!
অনিশ্চিত বলেছেন:
ভাই ও বোনেরা (কিডা বাই আর কিডা ভইন জানি না, একজনরে ভইন কইতে চাই না), আগামী ১০-১১ দিন আমি নাই। ব্ল্যাক হোলে যামু। নাইলে হোয়াইট হোলে। এই ব্যাপারে আপডেট আগামীকাল। কোনহানে যামু হেইডা হকিং নানা (আমার বস), পেনরোজ (আমার সিনিয়র কলিগ) এবং ফাইনম্যানের (আমার জুনিয়র কলিগ) সাথে আলোচনা কইরা ঠিক করতাসি।
চতুরভূজ বলেছেন:
ওহ এটা আপনার লিখা ছিল??? এটা আমি সেদিন পড়েছিলাম পরে একটা বিষয়ে খটকা লাগাতে একটু ঘাঁটতে গিয়ে হারিয়ে ফেলেছিলাম এরপর আর খুঁজে পাইনি আর লেখক কে ছিলো তাও ভুলে যাওয়াতে পেতে সমস্যা হয়েছিলো। এখন আপনার ব্লগে ঢুকতেই পেয়ে গেলাম! আসলেই অসাধারণ পোষ্ট! এরকম আরও চাই।৫
`হাসান বলেছেন:
ভালো পোষ্ট পরে সময়মত পড়ে নিবো
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন:
হোয়াইট হোলের উপর বিস্তারিত পড়িয়া উদাসীর নয়া মাকাল এ্যাজাম্পশন:যদি প্যারালাল ইউনিভার্স একসেপ্টেড হয় তাহলে প্রতিটা ব্লাক হোলের সমান্তরাল দিকে একটি হোয়াইট হোলের অবস্হান থাকবে অথবা উক্ত ব্লাক হোল যখন ইভেন্ট হরাইজনে কিছু প্রবেশ করবে তখন তারপরই উক্ত সময়ের জন্য অন্য ডিরেকশনে উহা হোয়াইট হোলের ন্যায় আচরন করবে!
তবে এই এ্যাজাম্পশনের দ্বিতীয় অংশ ভুল প্রমান হলেই মনে হয় প্যারালাল ইউনিভার্স এর কনসেপ্ট ধরা খাইবে!
আমি এই থিওরী খানা প্রমান করতে পারি নাই ম্যাথমাটিক্যালি। আগামী দুই তিন বছর ইহা নিয়া পড়িয়া থাকিবো আশা করি। কেউ যদি কোনো ফিজিক্সের উপর ভালো কোনো ইন্টারেক্টিভ গ্রুপ সাইট পান জানান দেন!
বজলু মহাজন বলেছেন:
অনেকে মনে করেন, এই পরীক্ষার মুহূর্তে গবেষণাগারেই একটি ক্ষুদে ব্ল্যাক হোলের সৃষ্টি হতে পারে কিংবা ধ্বংসকণাজাতীয় কতোগুলো পদার্থ সৃষ্টি হতে পারে বা রিলেটিভিস্টক আয়ন কলিডার মহাবিশ্বকে লোয়ার ভ্যাকুয়াম অ্যানার্জি স্টেটে পরিণত হতে পারে, যার একটিই পরিণতি- পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে।কিন্তু কেন এটা মনে হতে থাকবে?
যেখানে বিগব্যাং এর শুরু একটি বস্তু যেটা প্রচন্ড ভর সম্বলিত এবং যাকে সমস্ত ছায়াপথ কলেকটেডের জন্য বিন্দু হিসেবে বলা যেতে পারে। A Black hole is the same except that its mass is much smaller.
দেখিন তোনটি ডিফরেন্স - বিং ব্যাং হোল স্ট্যাবল যেখানে ব্যলক হোল আনস্ট্যবল।
-ব্ল্যাক হোল ম্যাটার কলেকটস করে এবং বড় হয় যেখানে বিগ ব্যাং ম্যটারকে রেডিয়েটস করে।
- ফিজিক্স ল এর সাথে ব্ল্যক হোল এগ্রী করে কিন্তু বিগ ব্যাং এগ্রী করেনা তাই The only way out is that the laws কারও এ বিষয়ে ভাল জানা থাকলে জানান ।
বজলু মহাজন বলেছেন:
উদাসীরে কইতাছিব্লাক হোল যখন ইভেন্ট হরাইজনে কিছু প্রবেশ করবে তখন তারপরই উক্ত সময়ের জন্য অন্য ডিরেকশনে উহা হোয়াইট হোলের ন্যায় আচরন করবে!
--এই তথ্য ঠিকনা । যদি তাই হইতো তাইলে আইনস্টাইনের থিওরী অব রেলেটিভিটিতে ধাক্কা লাগত কারণ হোয়াইট হোল আলোর সাথে যুক্ত। ব্ল্যাক হোল ম্যাটার আ্যবজোরভ করে আর হোয়াইট হোল ইজেক্ট করে। দুইটার আচরণ এখানেই খুব বিপরীত।
অনিশ্চিত বলেছেন:
কিছু কিছু কণা আছে যেগুলো সৃষ্টি মুহূর্তে কী ধরনের আচরণ করেছিলো, সেগুলো আমাদের প্রচলিত জ্ঞান দিয়ে হয়তো সামান্য ব্যাখ্যা করতে পারি। এই ব্যাখ্যা পুরোপুরি ঠিক নাও হতে পারে। অন্যদিকে হয়তো আরো এমন কিছু কণা বিগ ব্যাং-এর সময় সৃষ্টি হয়ে সাথে সাথেই ধ্বংস হয়ে যেতে পারে যেগুলোর অস্তিত্ব সম্পর্কে হয়তো আমরা আদৌ জানি না। ফলে কিছুটা অনিশ্চয়তা থেকেই যায়।
আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন:
বিগ ব্যাং(স্ট্যান্ডার্ড মডেল,ইনফ্লাশন,ক্যায়োটিক ইনফ্লাশন সহ) অনেকটাই অসুম্পূর্ন এই অর্থে এটা আদি মহাবিশ্বের ন্যাচার অফ এক্সপ্লোশান এবং ন্যাচার অফ এক্সপ্যানশন সম্পর্কে মোটামুটি সঠিক প্রেডিকশন করতে পারলেও বিস্ফোরনমুহুর্ত এবং তার কারন ব্যাখ্যায় সমর্থ নয়।তাছাড়া জেনারেল রিলেটিভিটি আর কোয়ান্টাম মেকানিক্সের একীভুতকরনটাও এখানে প্রয়োজন।আর কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কোয়ার্ক আর গ্লুয়ন ভিত্তিক "GUTS" গুলো অসীম দ্বারা প্লেগড।এছাড়াও মহাকর্ষকে পারছে না এইসকল থিওরী একীভূত করতে।
সেখানে জন শোয়ার্য,মাইকেল গ্রীন,এডওয়ার্ড উইটিন প্রস্তাবিত স্ট্রিং থিওরী(হেটেরিক,বোসনিক,১১ মাত্রার "এম" থিওরি সহ) অনেকটাই গানিতিক ভাবে সুন্দর এবং কনসিসটেন্ট।যদিও ১১ মাত্রার কথা স্বীকার করতে হয়(১১ মাত্রার ব্যাখ্যা অনেক অনন্য)
তবুও থিওরী অফ এভরিথিং হবার দাবী রাখে।
স্ট্রিং থিওরী প্রমানিত হলে(একে প্রমান করার মত পর্যাপ্ত টেকনোলজি আমাদের হাতে নেই,ফার্মী ল্যাব এবং সার্ন যদিও চেষ্টা করে যাচ্ছে ) সৃষ্টি মুহুর্ত সম্পর্কে অনেক ধারনাই পাল্টে যাবে কারন এই থিওরীতে বিগ ব্যাং সৃষ্টি মুহুর্ত নয়।
দিগন্ত বলেছেন:
আমার একটা জিনিস নিয়ে আগ্রহ কমে নি, সেটা হল ব্ল্যাক হোল কিভাবে আনস্টেবল হতে পারে? ব্ল্যাক হোল তো সবথেকে স্টেবল হবার কথা।
মুনিয়া বলেছেন:
জ্ঞানী গুণী লোকেদের কঠিন পোস্ট(এবং অবশ্যই আমার বুদ্ধির অগম্য)প্রথমে ভাবলাম কমেন্টস পড়ে ভাগি; তারপর ভাবলাম ৫ দিয়ে ভাগি-
তারপর ভাবলাম একটা কমেন্ট দেব(ভালইসসে টাইপ)
শেষমেষ পড়ার লোভ সামলাতে পারলাম না।
দারুণ লাগল...
শেষমেষ আবার প্রিয়ও করে ফেললাম
আনিকা বলেছেন:
আমি কিছু বুঝি নাই,, তবে আরো একটু বুঝার খায়েশ হইতেছে... কেউ আচেন ভালোমত বুঝাই দিবেন?
বজলু মহাজন বলেছেন:
CERN এর কিছু অংশনা শুধু, বেশ অনেক খানি অংশই ইন্ডিয়ার প্রডাকশন! চমক দিতে চলছে ইন্ডিয়া!
বজলু মহাজন বলেছেন:
দিগন্তব্ল্যাক হোল আনস্টেবল হবে এটা কেন মনে হচ্ছে?আপনার কথাটার অর্থ ঠিক বুঝতে পারলামনা। একটু বুঝিয়ে বলুন হয়ত অন্য তথ্য বেড়িয়ে আসতে পারে।
দিগন্ত বলেছেন:
বজলু, আপনি আগে লিখেছেন - "বিং ব্যাং হোল স্ট্যাবল যেখানে ব্যলক হোল আনস্ট্যবল।" সেটা দেখেই প্রশ্নটা জাগল।
নাজিম উদদীন বলেছেন:
এ ধরণের পোস্ট আরও চাই।
















