আমার প্রিয় পোস্ট

আসেন দুর্নীতি করি। আর এই দুনিয়াটাকেই খুচাই!

উদাসীর ভালো লাগে না! মারলাম একখান ১০০, হুজুরের হাতে বাক্স! টুপির নীচে শয়তানি, আজাইড়া বইসা চুলকানি!

২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:২৪

শেয়ার করুন:                   Facebook

+18sL

একটা সময় মনে হয়েছিলো উদাসীনতা আর নিঃসঙ্গতা আমার সাথে একেবারে ফেভিকল গ্লুর মতো সেটে গেছে।কিন্তু মানুষ বুঝতে পারতো না, যে সারাদিন ভীড়ে মধ্যে থেকে এর ওর মাথায় চাটি মারাকে শিল্পে পরিণত করে ফেলেছে, অথবা কেউ চুপ করে বসে থাকলে তার লুঙ্গী টানাটাকে এ সময়ের নতুন ট্রেন্ড হিসেবে পরিচয় করিয়েছে, সে কেনো এরকম নিঃসঙ্গ?

আসলেই চিন্তার বিষয়। সেদিন ফোন করলো "কুদ্দুস" শামীম। তাকে আমরা ক্লাস সিক্স পর্যন্ত কবি বলেই জানতাম, মাগার তখনও তার কবিতা চোখে দেখি নাই।কেননা ও নিজের আনমনে লেখতো কবিতা আর কেউ আসলেই খাতা লুকাতো। একবার দেওয়ান স্যারের ক্লাসে ও কবিতা লিখছিলো আর স্যার মুখখান পুস্কুনির মতো আকার করে ঘুমুচ্ছিলো। হঠাত এক বেতাল মাছি বা কিছু একটা পড়লো তার মুখে। আমরা তখন ক্লাসের সবাই খাতায় জুটি বেধে কলম-কলম, গোল্লাগুল্লি, কাটাকুটি খেলছিলাম, মাগার তার গগনবিদারী চিতকারে আমরা হঠাত চমকে গেলাম। সে গলা কেশে হঠাত তাকালো আমাদের কুদ্দুসের দিকে। সে তখনও কবিতা লেখা চালিয়ে যাচ্ছে। সে গলা কাশতে কাশতে তার কাছে বললো," এই.. দাড়া!বল কে আমার মুখে চক মারছে?"
আমরা তার কথা শুনে আকাশ থেকে পড়লাম, ভাবলাম কে চক মারলো আবার?
"কুদ্দুছ" শামীম তুতলাতে তুতলাতে বললো,"স্যার আমি মারি নাই, দেখিও নাই!"
-দেখিস নাই ক্যান? কি করতাছস আমার ক্লাসে?
হঠাত দেওয়ান স্যার তার খাতা টান দিয়ে দেখতে লাগলো সে কি করছে!
-ও কবিতা লেখতাছো! তা ভালো, তা নামটা এমুন ক্যান?
একটু পর সে নিজেই অট্টহাসিতে ফেটে পড়ে নিজেই বললো," কবিতার নাম "মুক্তবাজার অর্থনীতির পাললিক প্রেম!" আমি বাপের জন্মেও এমুন নাম শুনি নাই!"
যদিও কবিতাটা ভুলে গেছি, মাগার এখন খুব জানতে ইচ্ছে হয় আসলে তার ঐ অদ্ভূত কাব্যের বর্ণনায় কি ছিলো?

যাক এবিষয়, আমার চিন্তা ভাবনায় বর্তমানে অনেক ফাক আবিস্কার করেছি। মনে হয় আমি যা বলি মুখে তা করি না, আবার যা করি তা মুখে বলি না। যেমন গুলশানে যখন রিক্সায় উঠি তখন আমার চোখ কোনো সুন্দরীর দিকে যায় না, যায় সুন্দর সুন্দর আলিশান বাড়ীর উপর। আবার কোনো কুটি পুলাপান দেখলেই বলি,"নামাজ পড়ো, ভালোমত পড়াশুনা করো, রেগুলার স্কুলে যাইবা।" ভুলে একবার আমি আমার চাচতোরে এইটা বইলা ফেলাইছিলাম, তা লগে লগে আমারে কাউন্টারে প্যাট্রিয়ট মিসাইল মাইরা দিলো ইসরাইলের মতো," তুমি তো দেহি জুম্মার আজানের টাইমে এমটিভি দেহো, আর নামাজের টাইমে ঘুম দেও। শুনছিলাম কুটিকালে নাকি স্কুল পালানোতে উস্তাদ আছিলা। আর একবার বিনা টিকিটে দুই ফিল্ম দেখতে যাইয়া তুমরা টিটির হাতে দাবড় খাইছিলা!" আমি ঢোক গিল্লা কইলাম," এই ঘটনা তরে কে কইলো?"
-আমার বাপে, হুনলাম হেয়ই নাকি তুমাগো নিয়া গেছিলো!

আমি চিন্তা করলাম আমার ছোট কাকা এমতে যদি আমাগো ভান্ডা ফাটায়, তাইলে আমার বিবাহের টাইম তত্বাবধায়ক সরকারের নির্বাচনের মতো পিছাইতেই থাকবো। তার তো বিয়া হইয়া সব শেষ তার আর কি চিন্তা, মাগার এই চাচতোর মুখ আমাগো হাসিনা আপার চেয়ে কম না!!

সকাল বেলা গোসল করা মহা ঝামেলার কাজ, তবে দুদিন ধরে গোসল করতে গেলে মনে হয় শরীরে কে যেনো বরফপানি ঢাইলা আমারে ফ্রিজ কইরা দিলো। বহুত বিলার মধ্যে আছি!

ভার্সিটি থাকার টাইমে, একবার স্টাফ কোয়ার্টারে গেলাম এক বড় ভাই কাম স্যার এর সাথে দেখা করলাম। গিয়া দেখি এক নতুন চেংড়া স্যার এক গাছির লগে গন্ডগোল। আমরা গন্ডগোল দেইখা মহা উতসাহে গেলাম সেইখানে অবশ্য তখনও বুঝতে ছিলাম ঐখানে গিয়া কার দলে যামু। যাই হোক, তাগো ডায়লগ শুনেন:
স্যার বলতাছে: না আমি ৩০ টাকার বেশী দিমু না। আমি ৩ মটকার দাম দিমু। দাম যে দিতাছি এইটাই অনেক!
-এইটা কি কন? রসের হাড়ি নিলেন ৬টা, দুইটা না হয় একটু নস্ট আছে, চাইরটার দামতো দিবেন!
-কি একটু নস্ট মানে? দুই হাড়ী ভরা মুতের পানি, আরেকটার হাড়ীটা একটু গন্ধ। আমি যে তিনটার দাম দিতাছি সেইটাই তো অনেক!
- আমি তো ঐ দুইটার দাম চাইনাই, মাগার ঐ গন্ধ আলা হাড়িটাতো খাইয়া ঐটার মধ্যে তো দেখি আপনেরা পান্তা ভাতও গুলাইছেন, তা আপনের কথা আমি বিশ্বাস করি ক্যামনে?আর আপনেগো পুলাপানের জ্বালায় তো রসের ব্যবসা না কইরা মুত বেচনের ধান্ধা করতে হবো!

স্যার দেখি আমাগো দেইখা চুপ মাইরা গেলো। তাড়াতাড়ি আর ৫ টাকা ধরাইয়া বিদায় করলো, আর আমাগো সাথে মুলাকাত করেলো। অবশ্য আমরাও হাসতে লাগলাম, কারন দুই রাইত আগে আমরাই ক্যাম্পাসে "অপারেশন খেজুরের রস" চালাইছিলাম!

যাই হোক আমার যৌবনের ভালগার কাহিনী আর কি লিখবো, তবে মাঝে মধ্যে যখন বন্ধু বান্ধব ফোন দেয় তখন মনে হয় সেই দিনগুলার কথা। তখন আসলে আমার খুব উদাস লাগে আর মনে হয় শেয়ার করি। আসলে এই ব্লগটা আমার এক বন্ধুর মতো হয়ে গেছে। তাই আমার সবকিছু এখানেই উগলে দেই, আর উগলাতে উগলাতে আজকে ১০০ পূরন করলাম।

জীবনে ভাবি নাই আমি কোনো কিছুতে ১০০ পূরন করুম! তাও কইরা ফেলাইলাম। আশা করি আমার আজাইরা ছাই ভস্ম পড়ানোর জন্য আমি সবসময় কেমুন জানি ইয়ে মনে হয়!
এখন আবার "ইয়ে"টা কি সেইটা জিগায়েন না!

 

 

  • ২০ টি মন্তব্য
  • ৩২৫ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৮ জনের ভাল লেগেছে, ২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩১
comment by: মনের কথা বলেছেন: উভিনুন্দন...
২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৫
comment by: মানুষ বলেছেন: সেঞ্চুরির জন্য অভিনন্দন আর লেখার পাঁচ।
৩. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪০
comment by: জয়িতা বলেছেন: ইয়ে কি?
৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৪৬
comment by: মুনিয়া বলেছেন: সেঞ্চুরির জন্য অভিনন্দন...
৫ দিলাম।
৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫০
comment by: জয়িতা বলেছেন: সেঞ্চুরিতে কি দেই?কবতে দিমু?

কপাল ভাঙগল খালেদার
মুচকি হাসি উদার।
ভাবী বুঝলো না উদার অন্তর
করলো না তারে আদর।
উদাসী গিয়া কাজীর বাড়ী
করলো একটা সেঞ্চুরি।
মকু আর মানু বাজায় তালি
ভাবীর দিলডা তো হইল খালি।
উদা তুমি মিষ্টি খাওয়াও
মনের সুখে ডিগডিগি বাজাও।
৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৪
comment by: প্রচেত্য বলেছেন: অভিনন্দন রইল সাথে থাকল প্রেরণা
এগিয়ে যাবার প্রত্যয়টা থাকতে হবে আপনার
আর সাহস? প্রয়োজনে আমার থেকে কিছু ধার দিব !
৭. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৪
comment by: জোনাকি বলেছেন: উদা
তুমারে বড় বড় অরকিট ফুলের শুভেচ্ছা!
৮. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৩:৫৯
comment by: দ্বিধা বলেছেন: অভিনন্দন
৯. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:০৭
comment by: এলোমেলো বলেছেন: ১০০ এর জন্য আভিনন্দ আরো ১০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০..
লেখা চাই
১০. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:১৬
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: @মাকু, তুমালেও অবিন্দুন!
@মানু, তুমালেও পাত!
@জয়ু,তুপ!
@মুনি, লাই কৈ?
@পতু, পকেতে তাকা নাই, আমালে একতু তাকা দেও!
@জুগনু,তুমালেও ধুতলা পুল!
@দিধা, তুমি কি ব্যাঙমামা?
@এলু, তুমি দিম পুচ খাউ!
১১. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৯
comment by: জয়িতা বলেছেন: ওমা, উদার আবার কি অইল?পেত্নী ধরছেনি?তোমার অইল কি?
১২. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:২৯
comment by: দ্বিধা বলেছেন: না, আমি ক্রেজি ফ্রগ ।
১৩. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৩১
comment by: খালেদা আকতার বলেছেন: উদাসু েকমুন অািছস , েতার লাউগা িদলডা ছটফট করতােছ
১৪. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪২
comment by: জয়িতা বলেছেন: ভাবী কেমন আছেন্?উদারে তুই কইতাছেন?আপনে বলে হেরে ভেজাল খেজুরের রস খাওয়াইছেন?
১৫. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৪৮
comment by: খালেদা আকতার বলেছেন: উদাইস্যা তুই মানুেসের এইসব বইল্যা েবড়াইেতিছস নািক? হায় হায় কপাল বুঝি ভাঙল আমার। হায় আল্লারে............
১৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৫
comment by: অরুনাভ বলেছেন: ভেজাল রসের অভিনন্দন সেন্চুরী হাকানোর জন্য....
১৭. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:১৭
comment by: আইরিন সুলতানা বলেছেন: শততম পোস্টে, শত শত শুভেচ্ছা
১৮. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ১২:১৯
comment by: রাশেদ বলেছেন: আরে! কবে হইলো!! অভিনন্দন।
১৯. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ সকাল ৯:৪৯
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: সবাইরে আর ধইন্যাপাতা দিবার পারুম না, বাজারে জিনিসের দাম যেমনে বাড়তাছে, তার চেয়ে আসেন আমরা সবাই এই আনন্দ ভাগাভাগী করি!
@খালেদা জিয়া, আপনি কি উকিল নোটিশ পাইছেন?
২০. ২৭ শে অক্টোবর, ২০০৭ রাত ৯:৪০
comment by: উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ঐমিয়া মাথা খারাপ হইলো নি মুজতবা? কি লেখলা এইডা? আমি মুছলাম!

 

 


ছেলেটি পথে নেমেছিলো একদিন নীল মায়ার হাতছানিতে। নিঃসঙ্গতায় হেটে যেতে আবিস্কার করে নিঃশব্দ চাদ তার সঙ্গী। এখন সে হাতড়ে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ৭০৮০২