আমার প্রিয় পোস্ট
- ইঞ্জিনচালিত পতিতা - ২য় জীবনানন্দ
- মুহূর্ত ভাবনা-২ - ২য় জীবনানন্দ
- আগুনেরও আছে শ্বাসকষ্ট নিজস্ব ধোঁয়ায় - ঘোর
- তুমি আছ বলে - জয়িতা
- হাত বাড়িয়ে দাও - মৃন্ময় আহমেদ
- শুধু তোমার জন্য - জয়িতা
- স্যরি, আমি তোমার হতে পারলাম না(বিশেষ একজনের উদ্দেশ্যে মুনিয়ার বিশ্রী রকমের বড় কবিতা) - মুনিয়া
- সব কিছু তোমার জন্য নয় - মানুষ
- আমার পঞ্চবিংশতি প্রেম... - নীলাঞ্জনা
- প্রতীক্ষা - মুকুল
- শেষ - মানুষ
- ভালবাসা দিবসে ঈশ্বরের কাছে খোলা চিঠি। - আলভী
- তুমি , কোথায় যাবে? - রাগ ইমন
- শিরোনামহীন - ঘাতক
- ঘাতকের শুরু - ঘাতক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গ: একটি ব্যক্তিগত ক্ষমাপ্রার্থনা!
২৩ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১:১৫
বিকেল ৪টার দিকে যখন শুনলাম কারফিউ শুরু হবে- সে সংবাদ শুনে অবাক হই নি তেমন। যখন শুনলাম রাত ৮টার মধ্যে হল ভ্যাকেন্ট করে দিতে হবে, সে খবরেও বেশ একটা অবাক হইনি। আমরা যারা হলে আছি, আমরা জানতাম এমন কিছুই হবে শেষ পরিণতি। কেন তা পরে বলছি। তবে ধাক্কা-টা খেয়েছি এ জন্য যে, এত তাড়াতাড়ি এমন বিপর্যয় আসবে বুঝতে পারি নি। তাই, তাড়াতাড়ি করে ১০-১৫ দিনের প্রস্তুতি নিয়ে ব্যাগ গুছিয়ে ছুটলাম চাচার বাসায়। বাড়ি তো আর যাওয়া যাবে না। বাসে উঠতে পারলেও মাঝরাতে কারফিউর মধ্যে বাস নামিয়ে দেয়ার পর যাবো কি করে?
বিষয়-টা খুব সাধারণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হলেও আর্মিদের আমাদের প্রতি "ব্লাডি সিভিলিয়ান" ভাবটা আঘাত করেছিল আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্রকে। তাই আমরা প্রতিরোধ মুখর ছিলাম, মিছিল করেছি, গলা ভেঙ্গে স্লোগান দিয়েছি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পতন ঘটনো আমাদের উদ্দেশ্য ছিল না মোটেও, তারা সফল না ব্যর্থ, তা নির্ধারন করার যোগ্যতাও আমাদের নেই বোধহয়। আমরা শুধু ওই জলপাই রঙাদের ত্রাস থেকে মুক্তি চেয়েছি, স্মরণে ছিল একটি '৭৫ কিংবা '৯০ এর বিভীষিকা, জ্বালাতে চেয়েছিলাম দেশবাসীর জন্য অনুপ্রেরণার দীপাবলী। দেরিতে হলেও যখন সেনা-ক্যাম্প প্রত্যাহারের এবং বিচার বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত দেয়া হলো.......উল্লসিত আমরা ফিরে এসেছিলাম যার যার হলের ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠে। কিন্তু রাস্তায় তখনো রয়ে গেলো আমাদের মূল ধারার রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি করা, গত ৬-৭ মাস ধরে বেকার হয়ে যাওয়া, রাজনীতির ভবিষ্যত অন্ধ দেখা- ছাত্রনেতারা। আমাদের চোখের সামনেই তারা ভেঙ্গেছে বাস-গাড়ি-দোকান, এমনকি দরিদ্র অভুক্ত রিকশাওয়ালার ভাড়া করা রিক্সাটিকেও ছাড় দেয় নি তারা। সাথে যোগ দিয়েছে বিভিন্ন এলাকা ও মহল্লার নেতা, কর্মী, মাস্তানরা। একে ঠেকাতে এমন পরিণতি হবে... এটাই তো ধরে নিয়েছিলাম আমরা।
তবে দুঃখ একটাই, আমরা নপুংসক সাধারণ ছাত্ররা চেয়ে দেখেছি আর পরিণতি ভোগ করছি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অরাজকতার.........আর নপুংসক দেশবাসী দরজা বন্ধ করে শুনতে থাকুন রাস্তায় বুটের শব্দ!!
নূর হোসেন আমাকে ক্ষমা করো।
তোমার রক্তের ঋণ শোধ করার ক্ষমতা যে দেননি বিধাতা..
দিয়েছেন তোমাকে অপমান করার গ্লানি.. বার বার..
জন্মই বুঝি আমাদের আজন্ম পাপ!
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
কোন ভাবেই দালাল গুলো কে ফেরত আসার সুযোগ দেয়া যাবেনা
ফরিদ বলেছেন:
সহমত ও সহমর্মিতা
হাসান শরিফ বলেছেন:
দেবদারু সবই ঠিক আছে। এক দরিদ্র ভ্যানওয়ালার খাবার নষ্ট করায় আমি নিজেও এক ছাত্রকে সকালে জহরুল হক হলের সামনে বকেছি। বলেছি এমন করলে তো আন্দোলনটাই নষ্ট হয়ে যাবে। সেটাই শেষ পর্যণ্ত হলো। তবে সরকার বিষয়টি অন্যভাবে সামলাতে পারতো। ঢাকার বাইরের বিশ্বিবদ্যালগুলোতে পুলিশের আরও শান্ত থাকা দরকার ছিলো।
সুর বাংলা বলেছেন:
সহমত।ও সহমর্মিতা নিজেগো লাইগা।
তয় আইজুবালের লাহান দ্বিমুখী সর্প থেইকা সাবধান। বালছালের কতায় কান দিতে নাইক্যা।
জায়দান বলেছেন:
জলপাইরাই নষ্ট রাজনীতিবিদদেরকে নায়ক বানাচ্ছে। তত্ত্বাবধায়ক চোদনা সরকার বসে বসে হাওয়া খাইতেছে।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
বাইরের বিশ্বিবদ্যালগুলোতে ছাত্র দের শান্ত থাকা উচিত ছিল
রাশেদ বলেছেন:
সহমত।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
সকলরে ৫ দেওনের আহবান জানাইলাম
রাশেদ বলেছেন:
এইটা টপ পোস্ট হইতেই হবে, সবাই জানুক কি থেকে কি হইছে। কেউ কেউ অন্ধ সাইজা রইছে...তাদের জন্য।
নিরপরাধ বলেছেন:
দেবদারু, এবার বুঝতেছেন তো যে আপনারা না জেনে কাদের উপকার করে গেলেন! সহজ সত্যটা স্বীকার করার জন্য ধন্যবাদের সাথে ৫।
ভাঙা চাঁদ বলেছেন:
৫
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
নিরপরাধ একটি বরাহনন্দন যার জন্ম মুজাহিদ আর নিজামীর সন্গমে
দেবদারু বলেছেন:
@সবাইকে ধন্যবাদ, তবে @নিরপরাধ কে বলছি, সেনাসদস্যের আচরণে আমাদের প্রতিবাদ ঠিক ছিল বলে আমি মনে করি.. সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় প্রতিবাদ করতেই হবে। সেনা কতৃপক্ষ তো সাথে সাথে কোন সিদ্ধান্ত দেয় নাই সেইদিন। সে দায় ভার তো তাদেরও নিতে হবে। কিছু লোক তো এই ফাঁকতালে সুবিধা নেবেই... আমাদের চেষ্টা করতে হবে সাধ্যমতো তা প্রতিহত করা.. সবসময় হয়তো সফল হতে পারবো না, কিন্তু সত-সাহস তো রাখতে হবে। কেন, '৭১-এ যুদ্ধের ডামাডোলে লুটপাট করে অনেকেই স্বাধীন বাংলাদেশে বড় শিল্পপতি সেজে বসে নাই? এর মানে কি, মুক্তিযোদ্ধারা তাদের সাহায্য করেছিল?
তানভীর বলেছেন:
৫ দিলাম...এই পোস্টটা থেকেই আসল ঘটনা জানতে পেরেছি। ধন্যবাদ।
বায়েজীদ বলেছেন:
হুমম। দেশ যে কোন দিকে যাচ্ছে! এবারও বোধহয় হলো না!
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
"আর নপুংসক দেশবাসী দরজা বন্ধ করে শুনতে থাকুন রাস্তায় বুটের শব্দ!!"দেশের বোকাচোদা জনগণ কিছুই deserve করে না।
নিরপরাধ বলেছেন:
অবশ্যই সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় প্রতিবাদ করতেই হবে এবং এ ব্যাপারে আমি আপনার সাথে একমত। কিন্তু আপনাদের প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে সেনা ক্যাম্প উঠিয়ে নেয়ার ঘোষণা এবং সরকারের পক্ষ থেকে দুঃখপ্রকাশ করে ঘটনার তদন্তের আশ্বাস দেয়ার পরও ছাত্রনামধারীরা সারা ঢাকা শহরে তান্ডব চালিয়েছে, ভাংচুর করেছে, কোটি কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করেছে। এবং এটা ঘটেছে হকাররা ছাত্রদের সাথে যোগ দেয়ার আগেই। তাই আপনি বলতে পারেননা যে সাধারণ ছাত্ররা ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ করেনি।পুলিশ বাড়াবাড়ি করেছে সেটা স্বীকার করেই বলছি প্রতিবাদ প্রকাশে ছাত্ররা আরো মার্জিত হতে পারতো এবং সবার জন্য উদাহরণ সৃষ্টি করতে পারতো। কিন্তু সেটা হয়নি।
অমিত বলেছেন:
নিরপরাধ পাকিপোংচাটা, অফ যাও...
নিরপরাধ বলেছেন:
আমার পাছা চেটে অমিতের কি সুখ বুঝি না! মধু আছে কি সেখানে?
অকুন্ঠ ৫
অমিত বলেছেন:
ঐকাম তোমার ফ্যামিলি ট্র্যাডিশন.. আর ঐজায়গায় আইজুদ্দিনের গাধার খাম্বার স্পর্শ আছে...
ওবায়েদ বলেছেন:
মনেহয় সঠিক খবর জানতে পারলাম।
এস্কিমো বলেছেন:
"প্রতিবাদ প্রকাশে ছাত্ররা আরো মার্জিত হতে পারতো "মার্জিত প্রতিবাদ! কাঠালের আমসত্ব নাকি?
যারা প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে দেশের প্রেসিডেন্টকে স্বপরিবারে হত্যা সমর্থন করে ...তারা প্রতিবাদের মার্জিত ভাষা বলতে কি বুঝায় ..বুঝতে চাই!
এস্কিমো বলেছেন:
"প্রতিবাদ প্রকাশে ছাত্ররা আরো মার্জিত হতে পারতো "মার্জিত প্রতিবাদ! কাঠালের আমসত্ব নাকি?
যারা প্রতিবাদের ভাষা হিসাবে দেশের প্রেসিডেন্টকে স্বপরিবারে হত্যা সমর্থন করে ...তারা প্রতিবাদের মার্জিত ভাষা বলতে কি বুঝায় ..বুঝতে চাই!
নিরপরাধ বলেছেন:
অমিত সোনা, তোমার ফ্যামিলির সবার পাছা চেটে সাবার করে দাও। কিন্তু সেই গল্পটা দেবদারুর ব্লগে করাটা ঠিক না বোধ হয়। বেচারা এমনিতেই অশান্তিতে আছে।
নিরপরাধ বলেছেন:
এছকিমো ভায়া, এছকিমো ভায়া, এইযে আর্মিরা ছাত্রদের এতো এতো মারলে ... এই খবরটা শুনে এখনো হতভম্ব হওনি! শুধু সহমর্মিতা আর পরামর্শ দিলে হবেনাতো ভায়া! একটু হতভম্ব না হলে কি ক্লাইমেক্স তৈরী হবে!!!
দেবদারু বলেছেন:
নিরপরাধ ভাই, আমি তো স্বীকার করছি আমাদের অক্ষমতাকে। রাজনৈতিক নেতাদের প্ররোচনায় বেপরোয়া হয়ে ওঠা আমার সাধারণ যে ছাত্রবন্ধুরা বলে ওঠে..."প্রাইভেট কার ভাঙতে মজা লাগে" কিংবা "বড়লোকের পাজেরো ভাঙ্গবো", তখন উপলব্ধি করি, সার্টিফিকেট নিয়ে হয়তো ঠিকই ভার্সিটি থেকে বেরোবো একদিন, কিন্তু সবাই মানুষ হয়ে বেরোবো না- কেউ কেউ অমানুষ থেকে যাবো নিজের অজান্তেই! এরা রাজনৈতিক কর্মী না ঠিক, কিন্তু এদেরকে আমি সাধারণ ছাত্রের কাতারে ফেলি কি করে!
নিরপরাধ বলেছেন:
সমস্যা সেটাই দেবদারু। ধন্যবাদ আপনাকে।
ফরিদ বলেছেন:
টপলিস্টে উঠে এই পোস্টটি চুপিচুপি সেরা পোস্টের দিকে এগুচ্ছে। এতো কাছে থেকে আর কেউ এমন সরল স্বীকারোক্তি দেয়নি বলেই কি? ৫ দিতে পারি শুধু একবারই, দিয়েছিলাম বহু আগেইঃ)
খালেক সাজেদিন বলেছেন:
দেবদারু, আপনার এই পোস্টটি কি সংবাদপত্রে প্রকাশের উদ্যোগ নেয়া যায় ? ৫ দিলাম।
এস্কিমো বলেছেন:
না, হইনি। তবে হতভম্ব হয়েছি এটা দেখে যে কিছু চারপেয়ে প্রানী মানুষের মতো ব্লগিং করতে দেখে।
নিরপরাধ বলেছেন:
অঁ! তা ... সমস্যা নাই। দুইদিন পরে যখন আবার নিজামীর খবর দেবেনে পত্রিকায়, তখন হতভম্ব হতি পারবা। এর আগ পর্যন্ত লাদি ছড়াও। কেমুন। @ এছকিমো ভায়া
সোনার বাংলা বলেছেন:
সহমত@নিরপরাধ।
খালেক সাজেদিন বলেছেন:
সেই সাথে আপনার মত সমমনাদেরকে নিয়ে টিভি সাক্খাতকার প্রচার করা গেলে খুব ভালো হত। can anybody take necessary steps?
খালেক সাজেদিন বলেছেন:
সহমত @নীল দিগন্ত
নিরপরাধ বলেছেন:
খালেক সাজেদিনের আইডিয়াটা ভালই। সংবাদপত্রে অবশ্যই এই লেখা প্রকাশিত হওয়া উচিৎ। কিন্তু টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার প্রচারে সমস্যা হইতে পারে। দেবদারু না আবার কারো রোষাণলে পড়ে।
মানবী বলেছেন:
বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রের উপর হামলা নিঃসন্দেহে একটি নিন্দনীয় ধৃষ্টতা ছিলো, ছাত্রদের প্রতিবাদে কর্তৃপক্ষের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন কে সাধুবাদ জানাই। আর, ছাত্রদের এই ন্যায্য দাবীটির সুযোগ নিয়ে যেসব স্বার্থান্বেষী মহল দেশে অরাজকতা, অশান্তি আর ধ্বংস যজ্ঞ শুরু করেছে তাদের প্রতি তীব্র ঘৃণা।চমৎকার ভাবে সত্য তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ দেবদারু। ৫
জ্বিনের বাদশা বলেছেন:
এই কথাটাই কইতেছি গত কয়েকদিন ধরে ... আইজুও কইতেছিল ... তখন অনেকেই আগুনে ঘি ঢালছেঢাবি ছাত্রদের আরেকটা নৈতিক দায়িত্ব বেড়ে গেল ... সেটা হলো নিজেরা এক হয়ে কিভাবে করতে হবে ডিসিশান নিয়ে দেশবাসীকে জানানো যে বুধবারের ঘটনা তাদের হাত থেকে আন্দোলন ছিনতাই করে অন্যরা করেছে
কিন্তু মাথামোটা সরকার সেটা করার উপায় রাখেনাই, হল থেকে সবাইকে বের করে দিয়ে কার্ফ্যু জারি করছে, সেইটাই ফাকা-হাঁটু জলপাইদের জন্য আয়রনি
নেই মানুষ বলেছেন:
৫
এস্কিমো বলেছেন:
সোনার বাংলা...সহমত কিসে?
মাহমুদ রহমান বলেছেন:
নয়া দিগন্তে ফরহাদ মজহারের লেখাটাও পড়ার মত। ভদ্রলোক গতকালের সেনাসদস্যকে কিক মারার ছবি প্রকাশ করার ব্যাপারে ভাল মন্তব্য লিখেছেন।
দেবদারু বলেছেন:
ডঃ আইজউদ্দিন, ফরিদ, হাসান শরিফ, সুর বাংলা, জায়দান, রাশেদ, নিরপরাধ, ভাঙা চাঁদ, নাদান, আবদুর রাজ্জাক শিপন, তানভীর, বায়েজীদ, ওবায়েদ, দ্বিতীয়নাম, অমিত, দ্বান্দ্বিক, খালেক সাজেদিন, ফরিদ, এস্কিমো, মানবী, সোনার বাংলা, নেই মানুষ, মাহমুদ রহমান - ধন্যবাদ সবাইকে।....... কেউ কি বাদ পড়লেন না কি?
রিউ বলেছেন:
দেবদারু,আমরা জানি আপনার কথাটাই ঢাবি'র সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের মনের কথা। কিন্তু এর আগেও কিন্তু সাধারণ ছাত্রদের ন্যাজ্য দাবীর আদায়ের আন্দোলনকে কতিপয় নোংরা রাজনীতির পা চাটা ছাত্রনেতারা তাদের স্বার্থে ব্যাবহার করেছে। সুতরাং এমন একটা ঘটনাকে তারা সে ভাবেই ব্যাবহার করবে, সেটাতো জানা কথাই। বারাবরের মত এবারও সাধারণ ছাত্ররা সেই তথাকথিত ছাত্রনেতাদের সেই সুজোগটাই করে দিয়েছে। আপনাদের মত সুবিবেচনার অধীকারী ছাত্রদের আরো প্রগ্গার পরিচয় দেয়া উচিৎ ছিল। আরো দূরদর্শী হওয়ার দরকার ছিল।
আপনারা কি অনুধাবন করতে পারেন, আপনারা নিজেদের কত বড় ক্ষতিটা করে ফেলেছেন? আমরা যখন ছাত্র ছিলাম, তখনও দেখেছি এরকম অনেক ঘটনা। কিন্তু আমাদের অনুজরা সে সব থেকে কোন শিক্ষা নেয়নি। তারা আমাদের মতই ভুল করে যাচ্ছে।
দাবি আদায় ছাত্রদের একমাত্র কাজ নয়। তার চেয়ে অনেক বড় কাজ তাদের রয়েছে। কিন্তু অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, ছোট কাজটাকেই তারা কি ভাবে বড় করে দেখেছে।
সকল ছাত্র-ছাত্রী ভাই-বোনদের অনুরুদ করব, একটু সচেতন হোন নিজের এবং সাধারণ মানুষের প্রতি। ন্যায্য দাবী আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলনের দরকার নেই। যোগ্য জায়গায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করে সেটা খুব সহজেই আদায় করে নিতে পারেন।
দেবদারু বলেছেন:
@রিউ,"দাবি আদায় ছাত্রদের একমাত্র কাজ নয়।"
"ন্যায্য দাবী আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলনের দরকার নেই। "
--------- আপনার এ বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া পেয়ে যাবেন পাঠকদের কাছ থেকেই..... আমার বলার প্রয়োজন হবে না আশা করি। আর দেখতে থাকুন... সবে তো শুরু, এবার আর ছাত্ররা নয়, "যোগ্য জায়গায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত " করা আপনাদের মতো সবাইসহ আপামর জনসাধারণ কে নামতে হবে রাজপথে... খোঁজ নিয়ে দেখুন কি হচ্ছে "কারফিউ"-র ঢাকায়।
ব্রাইট বলেছেন:
সেই একই পুরানা জিনিস নতুন বোতলে।বাস-গাড়ি ভেঙ্গে, দেশের অর্থনীতির বারটা বাজিয়ে, দেশ গড়ার কারিগররা কি দেশ গড়বে তা ইতিহাসই স্বাক্ষ্য দেয়।
তবে বুঝা গেল এবারও হবে না, এদের দিয়ে হবে না।
রিউ বলেছেন:
দেবদারু,"খোঁজ নিয়ে দেখুন কি হচ্ছে "কারফিউ"-র ঢাকায়।"
এই আমরা যারা আপনাদের আন্দোলনের আগে পিছে কোথাও ছিলাম না, তারা যদি ঢাকার বর্তমান এই অবস্থার জন্য আপনার মত ছাত্রদের কে দোষারোপ করি, এর জবাবে কি বলবেন আপনি? পারবেন কোন ভাবে এই দায় থেকে নিজেকে মুক্ত করতে?
আপনারা প্রতিবাদ করেছেন ঢাবি থেকে সেনা কেম্প তুলে নিতে। ভাল কথা। কিন্তু আপনারা কি একটি দিনের জন্যও আন্দোলন করেছেন দুর্নিতীর বিরুদ্ধে। যে সরকার স্বাধীনতার ৩৬ বছরে জমে থাকা অবক্ষয়গুলোকে সরাতে ব্যাস্ত, তাকে ধন্যবাদ জানিয়ে একদিনও সমউচ্চারণ করেছেন আপনাদের বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর?
বরং আপনারা এমন একটা সময়ে দুর্নিতীর দায়ে দোষী কিছু মানুষকে সুবিধা করে দিয়েছেন আর বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলার পথ পরিষ্কার করে দিয়েছেন। জ্বালাও পোড়াও আর হরতালের আন্দোলন করে দাবী আদায় যে বাংলাদেশের জন্য চরম ক্ষতিকর, সেটা বুঝার সুভবুদ্ধি যেদিন আমাদের হবে, সেদিন আমাদরে দেশের যদি ভাল কিছু হয়।
একটা উদাহরণ দেই। জাবি তে আমরা তখন ৩য় বর্ষের ছাত্র। মানিকের অপকর্মের বিরুদ্ধে আমরা আন্দোলন করেছি। কিন্তু ফলাফল কি হল? বিশ্ববিদ্যাল বন্ধ থাকল পুরো ৩ মাস। আমরা আমাদের জীবন থেকে হারালাম দুইটি বছর। আর ৮০০০ ছাত্রে জীবন থেকে খসে গেল ১৬০০০ বছর। আর যার বিরুদ্ধে ছিল আমাদের আন্দোলন, সে বহাল তবিয়তে ঢাকায় বসে পরীক্ষা দিয়ে ইউরোপের কোন দেশে পাড়ি জমাল। তার কোন সমাস্যাই কিন্তু হয়নি। বরং আমরা আজো জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া সেই দুইটি বছরের ঘানি বয়ে বেড়াচ্ছি। বয়ে বেড়াব সারাটি জীবন। আমরা আশা করেছিলাম আমাদের অনুজরা এসব ঘটনা থেকে শিক্ষা নেবে। কিন্তু আপনার কমেন্টস পড়ে মনে হল, আমাদের আশা বিফল। এখনকার ছাত্ররা এখনো আমাদের মতই অবুঝ রয়ে গেছে।
রাশেদ বলেছেন:
রিউ এর কথার উত্তর দেবার প্রয়োজন নাই। অন্যায়ের প্রতিবাদ সব সময়ে করতে হবে। আমাদের শাষণ ব্যবস্থার উন্নতি না হওয়া পর্জন্ত এইটা চলবে। এইটা ইয়রোপ আমেরিকা না যে সব সিস্টেমে আইসা রইছে। এইটা সবাই জানে ও বুঝতেছে যে আন্দোলন ছিন্তাই হইছে ছাত্রদের কাস থেকে, তেনা পেচানোর কিছু নাই।আর এক্তা কথা আন্দোলন একবার শুরু হইলে তা থামানো এতো সোজা না, ছাত্ররা চাইলেই থামাইয়া দিবে, তা না কিন্তু।
দেবদারু বলেছেন:
@রিও ভাই, ঠিক বলেছেন, সব দায়ভার আমার মতো ছাত্রদের। আমাদের দোষ সত্যি কারণ আমাদের মাঠে, আমাদের খেলা নিয়ে, আমাদের আনন্দে যখন বাধা দেয় এক সেনাসদস্য, প্রহৃত করে আমার বন্ধুদের, লাঞ্ছিত করে মাঠে উপস্থিত আমাদের শিক্ষককে- তখন সহ্য করতে পারি না বলে। যখন আহতদের পুনরায় মেডিকেল সেন্টারে গিয়ে তারা পিটিয়ে আসে তখনো আমাদের বিক্ষোভে ফেটে পড়াটা অপরাধ! আমাদের প্রো-ভিসি স্যার কে আঘাত করে পুলিশবাহিনী, হলে হলে তাদের তাণ্ডবলীলা আর কানসাটের শ্রমিকদের উপর আক্রমণের মতো করে ছুঁড়ে দেয়া রাবার বুলেট আর টিয়ারগ্যাস সহ্য করতে পারি না বলে আমরা-ই আজ দাঁড়াবো কাঠগড়ায়।কিন্তু , আপনি কি বলবেন "প্রতিষ্ঠিত জায়গায়" থেকে আপনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কি প্রতিবাদ করেছেন? আমরা তো আমাদের সামনে সংঘটিত অপরাধ সহ্য না করে প্রতিবাদ করেছি। আর অফিস, আদালত, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে যে দুর্নীতি হয়েছে এবং হচ্ছে, তা প্রতিরোধে আপনারা "প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিবর্গ" কি করেছেন দেখে যাওয়া ছাড়া? সামান্য সি.এন.জি. চালকদের মিটারে না যাওয়ার দুর্নীতি রোধ করতে পারেন না আপনারা যারা কর্মজীবী, দাতাদের ষড়যন্ত্রে পাটকল বন্ধ হয়ে যায় যখন একটা বিবৃতি দিতে পারেন আপনারা.... আপনারা আমাদের দোষ দেবেন! অবশ্যই দিতে পারেন... আমাদের তো আর আন্দোলনের আগে বৌ-বাচ্চার কথা ভাবতে হয় না, যে ছেলেরা পুলিশী আক্রমণের সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছে, তারা তাদের মা-বাবার কথাও মাথায় রাখে নি। সামরিক শক্তির মাথা চাড়া আমরা সমূলে উচ্ছেদ করতে চেয়েছি আমরা..আপনি হয়তো দেখেও দেখবেন না। আমাদের রক্তে যে বান ডেকেছে- তাকে আপনি পরিণামদর্শী হয়ে দোষ দিতেই পারেন।
দেবদারু বলেছেন:
@পাঠক, দুঃখিত এত দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য। আসলে প্রত্যেকের অধিকার আছে তার মতামত প্রকাশ করার....পক্ষে কিংবা বিপক্ষে। সুতরাং সে মতাদর্শকে সম্মান দেখিয়ে আমার আর কিছু বলার নেই। তবে এটি নিশ্চিত থাকুন, অনেক বিস্ময় অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য... ভোগান্তি শুরু হলো মাত্র.... আকাশে-বাতাসে আমি দেখতে পাচ্ছি প্রতিশোধের ছায়া..... দেখতে থাকুন... সময়ই বলে দেবে...ছাত্ররা পথ দেখিয়েছে আরেকটি অভ্যুথ্থানের...। কারফিউ শিথিল হলেই বেড়িয়ে যাবে কাদের ধরা হয়েছে খুঁজে খুঁজে... টার্গেট হলো কারা.... - আমি প্রাণপণ প্রার্থনা করছি আমার ধারণা মিথ্যে হোক.... দেখতে চাই না কোনো প্রতিহিংসার সরকারকে....... ছাত্রদের বিরুদ্ধে।
শওকত হোসেন মাসুম বলেছেন:
৫
ঝরা পাতা বলেছেন:
ভালো লাগলো উপলব্ধিটুকু। সাধারণ ছাত্রের ভীড়ের মাঝেই কিন্তু ঢুকে যায় কিছু রাজনৈতিক মদদপুষ্ট সুযোগসন্ধানী ছাত্রও। তারাই সূচনা করে, জড়িয়ে পড়ে অন্যরা, আর কলঙ্কিত হয় পুরো ছাত্রসমাজ। তবুও এই ছাত্রসমাজকে অভিনন্দন, এখনো প্রতিবাদের প্রথম ভাষা তাদের কন্ঠেই উচ্চারিত হয় বলে।
জায়দান বলেছেন:
দেবদারুকে সাধুবাদ। রাজনীতি কিন্তু এ পোস্টেও হচ্ছে। দালালরা এখানেও সক্রিয়। তাই যত দোষ ছাত্রদের। তাদেরকে থাপড় দিয়েছে, সেটাও তাদের দোষ, তাদের শিক্ষককে পুলিশ মেরেছে, সেটাও তাদের দোষ, তাদের আন্দোলনকে পরোক্ষভাবে ব্যবহার করছে রাজনীতিবিদরা, তাতেও ছাত্রদের দোষ। ছাত্ররা বইখাতায় মুখ ডুবালেই কিন্তু সুবিধা। তখন ইচ্ছেমত তাদেরকে থাপড় দেয়া যায়, ইচ্ছেমত চাপিয়ে দেয়া যায় আইয়ূব খানের শাসন, ইচ্ছেমত প্রতিষ্ঠা দেয়া যায় রাষ্ট্রভাষা উর্দুর।ছাত্রদের দোষ। ছাত্রদের জন্যই আমরা বাংলায় কথা বলি, এরশাদের পতন হয়, দেশ স্বাধীন হয়। ছাত্ররা তো দোষীই।
মদন বলেছেন:
সত্য তুলে ধরার জন্য ধন্যবাদ।আমি বারবার যে ভয়ের কথা এখানে বলেছি তা সত্য হতেই চলেছে। অনেকে আবেগে হয়তো মেনে নিতে পারেনি।
আর্মি অপরাধ করেছে তার ফল পেয়েছে এবং মাথা নিচু করে এলাকা ছেড়ে চলে গেছে।
মুল সমস্যা শুরু হয়েছে এর পরেই। ছাত্রদের কাধে যে বন্দুক রেখেছিল তার ট্রিগার টানা শুরু হয়ে গিয়েছিল। চারদিকে আন্দোলনের নামে জনসাধারনের জিনিস ভাংচুর এবং লুটপাট শুরু হয়ে গেছিল। এর মধ্যে কোন ছাত্র জড়িত ছিল । অর্থাত সুযোগ সন্ধানী নেতারা আন্দোলেনর স্রোতকে নিজের সুবিধামতো নিয়ন্ত্রন করা শুরু করে দিয়েছিল। আন্দোলন মানেই যদি বাস পোড়ানো হয় আর লুটপাট হয় তাহলে ক্ষতি তো আমাদেরই।
দ্বীপবালক বলেছেন:
৫
দেবদারু বলেছেন:
রিউ, শওকত হোসেন মাসুম, ঝরা পাতা, জায়দান, সফদর আলী, মদন, কাকতাড়ুয়া, দ্বীপবালক - সবাইকে অকুন্ঠ ধন্যবাদ আপনাদের মতামতের জন্য।
চিলে কোঠার সেপাই বলেছেন:
সেরা পোষ্ট। 5।
আমি কে বলেছেন:
সারওয়ারচৌধু...ভাই আপনার ৫ পড়ে নাই। প্লিজ চেক করেন।
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
এটা মনে হয় হায়েষ্ট রেটেড পোষ্ট এভার
রাশেদ বলেছেন:
আর কেউ কি রেটিং করবেন প্লিজ...
ত্রিভুজ বলেছেন:
"তবে দুঃখ একটাই, আমরা নপুংসক সাধারণ ছাত্ররা চেয়ে দেখেছি আর পরিণতি ভোগ করছি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অরাজকতার........."ভাল বলেছেন। ৫
আমি কে বলেছেন:
@ সারওয়ারচৌধুরী ভাই, ভালো কাজ করছেন। ধন্যবাদ আপনাকে। যাদের কথা বলছিলেন কেউ কিন্তু খারাপ না, কয়েকদিন থাকেন, দেখতে পাবেন। তাদের পুরান পোস্টগুলা ঘাটেন...
রূশো বলেছেন:
৫
ডঃ আইজউদ্দিন বলেছেন:
সারোয়ার মিয়া ধন্যবাদ পোস্টটা সরানোর জন্য।
আহমাদ মুজতবা বলেছেন:
খারাপ না ভালোই।
রিউ বলেছেন:
দেবদারু,আপনি যে প্রশ্নগুলো করেছেন, তার সাথে আমার কোন কন্ফি্লক্ট নেই। কিন্তু আপনার করা প্রশ্নগুলোকে সামানে রেখে আমিও আপনাকে কিছু প্রশ্ন করতে পারি-
- আমরা বলে থাকি সেনারা হল সর্বোচ্চ ইন্টরমেডিয়েট পাশ। তাদের বুদ্ধি থাকে হাটুতে। এই হাটুর সমান বুদ্ধিমান অর্ধশিক্ষিত মানুষগুলো যেটা করেছে আপনাদের বন্ধুদের উপর খেলার মাঠে এবং পরবর্তী সময়ে, সেটার তুলনায় আপনাদের মত দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের শ্রেষ্ঠ শিক্ষিত ছেলেরা যা করলেন, তা কি কম অপরাধ। হাটুর সমান বুদ্ধি নিয়ে সেনারা আপনাদের কয়েকজন ব্ন্ধুদের মেরেছে, কিন্তু মাথা ভর্তি বুদ্ধি নিয়ে আপনারা মেরেছেন দেশের শতকোটি মানুষকে। আপনাদের অদূরদর্শী আন্দোলনকে ব্যবহার করে সুবিধাবাদীরা যা করেছে, তার দায় ভার আপনারা কি ভাবে অস্বীকার করবেন? আপনারা মাথা ভর্তি বুদ্ধি নিয়েও বুঝতে অক্ষম কতটা ক্ষতি আপনারা করেছেন নিজেদের এবং সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষদের। কিন্তু দেশের গরীর মানুষগুলো, খেটে খাওয়া মুটে, রিক্সাওয়ালারা যখন খেতে পাবেনা দুবেলা, তখন ঠিকই বুঝবে।
- আর শিক্ষকদের কথা বলছেন? আফসোস আপনাদের অপরিপক্ক বিবেচনার জন্য। যে শিক্ষকরা ছাত্রদের না পড়িয়ে মাসের পর মাস বেতন নেন, যে শিক্ষকরা রাজনৈতিক লেজুরবৃত্তি করে ছাত্রদের ক্লাস না নিয়ে রাস্তায় মিছিল করে, যে শিক্ষকরা উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশে গিয়ে টাকার লোভ সামলাতে না পেরে তাদের মহৎ পেশার কথা ভুলে যায়, সেশন জটে আটকে থাকা অসহায় গরীব ছাত্রটির প্রতি যাদের বিবেক থেকে এতটুকু সহানুভুতিও নিসৃত হয়না, তাদের প্রতি আপনার এত মমতা দেখে আমি সত্যি অবিভুত (!)। আপনি সত্যি একজন আদর্শ ছাত্র।
- আমি কতটা প্রতিষ্ঠিত জায়গায় আছি, সেটা বলা এখানে বাহুল্য। কিন্তু বর্তমানে দেশ
















