আমার প্রিয় পোস্ট

অধঃপতিত দাড়ীওয়ালা শুকর শাবকেরা, আমি তোদের মুখে কষে একটা লাথি দিলাম। অতঃপর সাবান পানি দিয়ে পা-খানা ধুয়ে নিলাম। আমার পা তোদের মুখের থেকে শতগুন পবিত্র

আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি

০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫২

শেয়ার করুন:                   Facebook

আমি সর্বদা একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি। জন্মের পর থেকে জীবনের এই শেষ প্রান্তে এসেও আমি একদিকে কাত হয়ে হেলে আছি। নিজেকে এখন মনে হয় পিসার ঐ হেলানো টাওয়ারটার মতো। ভালবাসা-ঘৃণায়, হিংসা-দ্বেষে, রাগে-ক্ষোভে, সরলতা-জটিলাতায় ক্ষুধা-তৃষ্ঞায়-কাতরতায় আমি প্রতিনিয়ত একদিকে কাত হয়ে হেলে থাকি। যদিও কখনোই আমি এই হেলে পড়াটাকে ভালভাবে ব্যবহার করতে পারিনি। তাইতো আমার জীবন বারবার হেলে পড়ার নির্মমতার শিকার হয়েছে। মাঝে মাঝে আমার হাসফাস লাগে। কবি সুনীল ৩৩ বছর অপেক্ষা করে ধৈর্য্য হারিয়ে শেষে হাহাকার করে বলেছিলেন "নাদের আলি, আমি আর কতো বড় হবো?" কবির মতো আমারো চিতকার করে বলতে ইচ্ছে করে, আমি আর কতো হেলে পড়বো? কতবার কতটুকু হেলে পড়লে আমি এই হেলে পড়ার নির্মমতা থেকে মুক্তি পাবো?

নিজের কোন জন্মদিনের কথাই আমার নিজ থেকে কখনো মনে আসেনা। হেলে পড়তে পড়তে আমার জন্মদিনের কথাও আজ মাথা থেকে ছিটকে পড়েছে। এখন সন্তানেরা, বন্ধু-বান্ধবেরা শুভেচ্ছা জানালেই মনে হয় যে ঐদিন আমি জন্মেছিলাম। ঐদিন থেকেই আমি পৃথিবী নামক কারাগারে বন্দী হতে বাধ্য হয়েছিলাম। সুখে-অসুখে, চৈত্র-বৈশাখে, বৃষ্টি-বাদলে, গ্রীষ্ম-বর্ষায়, আনন্দ-বেদনায়, রাগ-অভিমানে, বালতির জলে-চোখের জলে, হাসি-কান্নায়, প্রেমে-অপ্রেমে, ক্ষুধা-তৃষ্ঞায়, ঝগড়া-বিবাদে, মিলন-বিচ্ছেদে যারা দীর্ঘ দিন একসাথে ছিলেন, আজ থেকে অনেক বছর আগে ১লা ফাল্গুনে যারা তিন কবুলের এক সামাজিক শেকলের মাধ্যমে আবদ্ধ হয়েছিলেন এক মহান দৃঢ় বন্ধনে, তাঁদের পারস্পরিক ভালবাসার ফলস্বরূপ আমি পৃথিবীতে আবির্ভূত হলাম এবং একদিকে হেলে পড়তে শিখলাম। যদিও হেলে পড়াতে বরাবরই আমি বেশ হতবিহ্বল বোধ করি। তারপরও আমাকে হেলে পড়তে হয়েছে, আজও হেলে পড়তে হয়।

জন্মের পর প্রায় সাতটি বছর বাবাকে পাশে পাইনি। জীবনের প্রয়োজনে, ইদুর দৌড় দৌড়াতে দৌড়াতে বাবাকে দেশের সীমারেখা পার হয়ে পাড়ি দিতে হয়েছিল বিদেশে। কাজেই শুরু হয়েছিল আমার হেলে পড়া। মাকে বেশী কাছে পেয়েছিলাম, স্বভাবতই আমি মায়ের দিকে হেলে পড়লাম। ছোটবেলার কোন স্মৃতিই আজ বেশী মনে পড়েনা, শুধু এটুকু মনে আছে কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করতো কাকে বেশী ভালবাসি, মাকে না বাবাকে? আমি নির্দ্বিধায় উত্তর দিতাম, "আমি মাকে বেশী ভালবাসি"। যদিও কালে অকালে, সুযোগে-দুর্যোগে আমি অনেকবারই আমার বাবার দিকেও নির্দ্বিধায় হেলে পড়েছি।(ক্লোজআপহাসি)

সবচেয়ে বিহ্বল বোধ করতাম যখন আমার মা-বাবা দাম্পত্য কলহ নামক রোমান্টিক ঘটনার রোমান্টিসিজমে নিজেদের জড়িয়ে ফেলতেন। কলহের একপর্যায়ে আমার মা চিরাচরিত নিয়মে আমাকে নিয়ে নানার বাড়ির দিকে রওয়ানা হওয়ার পায়তার করতেন। আমি হতাশ দৃষ্টিতে দিশেহারা একটা ভাব নিয়ে মা-বাবা দু’জনের দিকেই তাকিয়ে থাকতাম। কার দিকে হেলে পড়বো তা নিয়ে মনে চলতো তুমুল যুদ্ধ। মা না বাবা.....বাবা না মা....আবার বাবা না মা.... অথবা.... মা না বাবা....। মা...বাবা...মা...বাবা...মা...মা...মা...বাবা...বাবা...বাবা...মা...বাবা...মা...বাবা চলতো আমার দীর্ঘ, জটিল পারমুটেশন কম্বিনেশন। কখনই কোন উত্তর খুজে পাইনি। যদিও চরম নির্মমতায় আমাকে সবসময়ই কারও না কারও দিকে হেলে পড়তে হতো। বড়োই বিহ্বল, অসহায় বোধ করতাম। কেউ যেন আমার দেহটাকে, আমার মনটাকে টেনে দুই টুকরো করে ফেলছে, এমন মনে হতো আমার।

বড়ো হতে থাকলাম, হেলে পড়তে শিখলাম প্রবলভাবে। মা-বাবা, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, যখন যার দিকে হাওয়া আমি তার দিকেই হেলে পড়েছি দ্বিধাহীন চিত্তে। সুবিধাবাদী মানুষের মতো, তালগাছ হয়ে খাম্বার মতো দাড়িয়ে থাকা বরাবরই ছিল আমার স্বভাব বিরুদ্ধ। কখনও কখনও প্রবল আকর্ষনে হেলে পড়েছি কোন এক নারীর দিকেও। কিন্তু মা-বাবা হেলে পড়ার বেশী সুযোগ দিলেন না। তাঁদের কাছে এই হেলে পড়াটাকে সামাজিকভাবে ঠিক বিধিসম্মত মনে হয়নি। আমি মায়ের দিকে, বাবার দিকে, ঘরের দিকে, বাড়ীর দিকে, ইতিহাস-পাতিহাস-রাজহাসের দিকে, এমনকি বটগাছের দিকে অথবা উত্তর-দক্ষিন-পূর্ব-পশ্চিম আরও নানা দিকে অযুত-নিযুত-লক্ষবার হেলে পড়তে পারি, কিন্তু কোন মেয়ের দিকে, কোন নারীর দিকে আমি হেলে পড়তে পারিনা। এতে আমাদের সমাজপতিরা ক্ষুব্ধ হন, দেবতারা রূষ্ঠ হন। তাইতো মা-বাবা চব্বিশ বছর বয়সেই আমার প্রতি হেলে পড়া সেই নারীর সাথে আমাকে সামাজিক শেকলে আবদ্ধ হতে বাধ্য করলেন। আমি বড়ই উতফুল্ল বোধ করেছিলাম। মেঘ না চাইতেই বৃষ্টির মতো হেলে পড়তে না চাইতেই একেবারে পতনের লাইসেন্স।

গিন্নির কোলে পতিত হলাম। তার দিকে যারপরনাই ভাবে হেলে পড়লাম। কিছুদিন যেতে না যেতেই হঠাত পেছন পানে টান অনুভূত হলো। গিন্নির প্রতি হেলে পড়লেও প্রকৃতি আমার রশিটি রেখে দিয়েছিলেন আরেকজনের হাতে। তাই এই বিপরীতমুখী টান। হতাশার সাগরে নিমজ্জিত হয়ে অসহায় বোধ করতে লাগলাম। বান্গালী মধ্যবিত্তের চিরাচরিত সেই বউ-শাশুড়ীর যুদ্ধ। মাঝে আমি চিড়েচ্যাপ্টা অবস্হায় ফাঁটা বাঁশে লেজ আটকে পড়া সেই বাদরের মতো ত্রাহি ত্রাহি করতে লাগলাম। আজ গিন্নি অনুযোগ করে তো কাল মা এসে তার অভিযোগ জানিয়ে যায়। হেন কোন বিষয় নেই যাতে তাদের দু’জনের দ্বিমত হয়না। মা উত্তর বললে তার বউ বলে দক্ষিন, বউ পূর্ব বললে শাশুড়ী বলে পশ্চিম। আমার চোখের জল ফেলা ছাড়া কোন গতি রইলনা।(আম্মাআআ) মা আর বউয়ের ঠেলাঠেলিতে আমার ভালবাসার ভালো বাসাটি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়লো। মা...বউ...মা...বউ...বউ...মা...বউ...মা...বউ...বউ...মা...মা...বউ...মা...বউ...মা.. এভাবে আবার সেই পারমুটেশন কম্বিনেশনের গোলকধাঁধায় আটকা পড়লাম।(বাঁচাওওও)

এরই মাঝে জীবনের সবচেয়ে স্মরনীয় ঘটনা ঘটলো। আমাদের ঘর আলো করে ফুটফুটে চাঁদের মতো এলো এক দেবশিশু। আমি পেলাম পিতৃত্বের অমোঘ আস্বাদ। গিন্নি পেল বহুল প্রতিক্ষিত মাতৃত্বের কোমল যন্ত্রনা। সৃষ্টিশীলতার বেদনায় সে রাঙা হয়ে উঠলো। তার কোল জুড়ে আসল আমাদের প্রথম সন্তান “হাসি”। আমার মা-বাবাও দাদা-দাদী হয়ে আনন্দে নাচতে থাকলেন। হাসি বড় হতে থাকলো, বছর খানেকের মাঝে আমার আর গিন্নির পরস্পরের হেলাহেলির ফলস্বরূপ আরেক দেবশিশুর আগমন ঘটলো। প্রথম সন্তান হাসির সাথে মিলিয়ে দ্বিতীয় জনের নাম রাখা হলো "খুশী"। হাসি-খুশী বড়ো হতে থাকলো, তাদের দু’জনকে নিয়েই আমাদের পরিবারে আনন্দের বান ডাকতে থাকলো। বানের তোড়ে ভেসে গেলাম এবং গিয়ে পড়লাম আবার সেই পারমুটেশন কম্বিনেশনের মায়াজালের বিভ্রমে।

হাসি-খুশী দু’টোর মাঝে সবসময়ই ঝগড়া লেগে থাকতো। এখন হাসির বিচার তো একটু পর খুশীর বিচার। এই খুশীর কান্না তো কিছুক্ষন পরই হাসির চিতকার। এমন কোন দিন নেই যে অফিস থেকে ফেরার পর আমার উপর হেলে পড়ার নির্মমতা বিরাজ করেনি। হাসিকে খুশী রাখার জন্য খুশীকে চোখ রাঙাতে হতো, আবার খুশীর মুখে হাসি ফুটিয়ে তোলার জন্য পর মূহুর্তেই হাসিকে শাসাতে হতো। এ বড়ো অদ্ভুত মায়ার গোলকধাঁধা। হাসি...খুশী...হাসি...খুশী...হাসি...হাসি...খুশী...খুশী...হাসি...খুশী...হাসি...খুশী... আবার সেই চিরাচরিত পারমুটেশন কম্বিনেশন। আবার সেই চিরচেনা হেলে পড়া।(বাঁচাওওও)

চাকুরী জীবনেও বারবার হেলে পড়তে হলো। ঘুষ খেতে হবে ভেবে, সেকালের সোনার হরিণ “সরকারী চাকুরী” কে বুড়ো আঙুল দেখানোর মতো দুঃসাহসিক কর্ম সম্পাদনার পর আমি অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ঠাই নিয়েছিলাম একটা ব্যক্তিগত মালিকানাধিন প্রতিষ্ঠানে। ব্যবসার মালিক দুই সহোদর। রাজা আর বাদশা। বড়ো ভাই রাজা মিয়া প্রতিষ্ঠানের বড়কর্তা আর ছোট ভাই বাদশা মিয়া প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্হাপনা পরিচালক। দু’জনে বেশ মিল, দু’জনে বেশ অমিল। আর এই অমিলের কারনেই আমাকে চাকুরী জীবনেও পেতে হলো আবার হেলে পড়ার স্বাদ। রাজা মিয়া আর বাদশা মিয়ার মাঝে চেহারার যেমন মিল স্বভাবের তেমনি অমিল। দু’জন সম্পূর্ন বিপরীত মেরুনিবাসী। বিপরীত মেরুর এই উভমুখী টানে আমাকে অফিসেও প্রতিনিয়ত একদিকে হেলে থাকতে হলো। রাজা...বাদশা...রাজা...বাদশা...রাজা...রাজা...বাদশা...বাদশা... যেন এ এক মরন ধাঁধা। পারমুটেশন কম্বিনেশেনর এই গোলকধাঁধায় পড়ে চাকুরী বাচানোই হয়ে গেল বিরাট যন্ত্রনা। তবে আশার কথা ছিল রাজা-বাদশার বিপরীতমুখী স্রোত। চাকুরী আমার অনেকবারই আটকে গেল এই উভমুখী স্রোতের গ্যাড়াকলে।

আজ জীবনের শেষ প্রান্তে দাড়িয়েও আমি হেলে আছি। হেলে আছি অনন্তের আস্বাদে, চির অন্ধকারের দিকে। মৃত্যুর ঘুম আমাকে আজ ডাকছে প্রবলভাবে হাতছানি দিয়ে। আমি হেলে আছি, হেলে থাকতে থাকতেই আমি একদিন কবরের গাঢ় অন্ধকারে পতিত হবো। রোগ-শোকে কাতর এই আমি হেলে আছি। প্রতিক্ষা করছি মৃত্যুর, যেমন করে প্রতিক্ষা করেছিল কবি রফিক আজাদের কবিতার নায়ক। প্রেমিকার প্রতি তার সেই প্রতিক্ষা কি ফুরিয়েছিল? আমিও হেলে থাকতে থাকতে অপেক্ষারত, আমারটা কবে ফুরোবে? মা-বাবা গত হয়েছেন কতদিন তা আজ মনে নেই, চোখ বুজলেই ভেসে ওঠে চেহারাদু’টো, গন্ডবেয়ে গড়িয়ে পড়ে টপটপ অশ্রু। মেয়ে দু’টো দেশের বাইরে জামাইয়ের সাথে। সুখে থাক আমার জানেরা, আমার হাসি খুশীরা। গিন্নির মুখ খানা মনে পড়লেই চোখ দু’টো ঝাপসা হয়ে যায়। আমি কাদতে পারিনা। শুধু বিমুড় হয়ে পড়ে থাকি, আজীবন তার দিকে হেলে থাকি। কতদিন, কতরাত একসাথে কেটেছে, একই ছাদের নীচে....কত স্মৃতি...কত....হাসি...কত....কান্না...রাগ...অভিমান...খুনসুটি...কত সুখ...কত...দুখের এক মিশেল অনুভূতি...বিছানার চাদর....ঘরের দেয়াল....ফুলদানী....দেয়ালে...দেয়ালে...ওয়েল...পেইন্টিং...রেকাবে রেকাবে বইয়ের জন্জাল...কথোপকোথনে মুগ্ধ...কন্ঙাবতী...বনলতা সেন...রাত্রি...অতন্দ্রিলা ঘুমাওনি জানি... যেতে হবে বহুদূর ঘুমোনর আগে...পূর্নিমার চাদ যেন ঝলসানো রুটি...প্রিয়...প্রিয়...প্রিয়...পঙক্তিগুলো, মুখগুলো...ভুলগুলো...ভালোবাসাগুলো....ফুলগুলো....ঝরে গেল। আমি শুধু পড়ে থাকলাম, জেগে থাকলাম, হেলে থাকলাম। একাকী...নিঃসন্গ....


 

 

  • ৮৮ টি মন্তব্য
  • ৮৮০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৩১ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৫৯
comment by: সৃজন বলেছেন: পারমুটেশন কম্বিনেশনের মায়াজাল.......।

অসাধারন হইছে .......@সামী মিয়াদাদ

২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০১
comment by: বিহংগ বলেছেন: অসাধারন, কাব্যময় গদ্য, দারুন রচনাশৈলী।
৫++++
৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:০৪
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: লাইফটারে এখন পারমুটেশন-কম্বিনেশন ছাড়া আর কিছু মনে হয় না...থোর বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়... @ সৃজন

ধন্যবাদ, এই দীর্ঘ লেখা পড়ার জন্য@বিহংগ
৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৬
comment by: এলোমেলো বলেছেন: অদ্ভুদ সুন্দর ৫
৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩০
comment by: কালপুরুষ বলেছেন: অপূর্ব! চমত্কার!! আমি মুগ্ধ!!!
৫++
৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৫
comment by: অন্যআনন বলেছেন: আপনি খুব ভালো একজন মানুষ সামী। ভীষণ সুন্দর সব আশাবাদের দিকে হেলে থাকা একজন মানুষ!
৭. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪২
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: ধন্যবাদ, দীর্ঘ লেখাটা ধৈর্য সহকারে পড়ার জন্য @ এলোমেলো

কালপুরুষদা, আমি যদি আপনার মতো কবিতা লেখতে পারতাম?
আমি অনুপ্রানিত দাদা আপনার কাছ থেকে এমন মন্তব্য পেয়ে।
৮. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৪৪
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: আননদা, মন্তব্য পেয়ে বড়ো ভাল লাগতেছে। একজন উদার, ভাল মানুষই পারে আপনার মতো এমন মন্তব্য করতে।
৯. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৮
comment by: অন্যরকম বলেছেন: ৫..... ফেভরিটেড!...... বাকরুদ্ধ!

মাত্র ২৪ শেই কর্ম সাধনা...!!! অথচ আমার ২৪ পার হয়ে গেছে... এখনো হেলতেও পারি নাই , কেউ হেলায়ও দেয়নাই !

১০. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৩০
comment by: তুষারমানব বলেছেন: হেলে দুলেই পড়ে ফেললাম।
অসাধারন.....

১১. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১:৪৯
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: হেলে পড়লে আর সোজা হইতে পারবেননা। তখন বুঝবেন ঠেলা....
এত লম্বা লেখাখান পড়ছেন কষ্ট কইরা....কৃতজ্ঞতা রইল....

তুষারমানব, ধন্যবাদ হেলেদুলে লেখাখান পড়ার জন্য। আপনারে দেখিন খুব একটা? তুষারের তলে চাপা পড়লেন নাকি?
১২. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:০৪
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: হ্যালো
১৩. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৩
comment by: তুষারমানব বলেছেন: হেহ হেহ! চাপা পড়ি নাই। ব্লগে একটু অনিয়মিত।
১৪. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:১৯
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: পিয়াল ভাই....আর হ্যালতে পারুমনা...তাইলে ভূমিকম্প হইতে পারে ....কৃতজ্ঞতা দাদা...

তুষারমানব, হুমমমমম...নিয়মিত হন...নিয়মিত হন...
১৫. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:০৬
comment by: যীশূ বলেছেন: আমি তো আপনার দিকে খানিকটা হেলে গেলাম। দারুন লেখা।
১৬. ০৫ ই নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৩:৩৬
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন: অনুপ্রাণিত হইলাম যীশুদা....আমি আপনার দিকে আগে থাইকাই হেলানো আছিলাম...