আমার প্রিয় পোস্ট

আমি ভালবাসি বিজ্ঞান ঘৃণা করি জামাত

বাঙাল গরব ৪ : বাঙাল জাতি জনগনের মধ্যে থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল, দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য।

১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:১৮

শেয়ার করুন:                   Facebook

ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।
একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন তরীকা।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে।

একজন ব্যক্তি রাজা গোপাল একশ বৎসরের মাৎসান্যায়ের অবসান ঘটিয়ে হতদ্যম বিশৃঙখল নিজ জাতিকে সমৃদ্ধিশালি গর্বিত জাতিতে উন্নীত করেছিলেন।

হাজার বছর পিছনের বাঙালির গর্বের সেই চমকপ্রদ অভূতপূর্ব ঘটনাবলীর দিকে একটু নজর ফেলা যাক।

মাৎসান্যায়
বাঙালি রাজা শশান্কের গৌড়কে কেন্দ্র করে বৃহত্তর গৌড়তন্ত্র গড়ে তুলার প্রচেষ্টা তার মৃত্যুর পর ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। শশান্কের ধনুকে গুণ টানার মত বীর অব্যবহিত পরে আর দেখা গেল না। ফলে এর পর সুদীর্ঘ একশত বৎসর(৬৫০ -৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ) সমগ্র বাংলার উপর নেমে আসে গভীর ও সর্বব্যাপী বিশৃঙখলা, মাৎসান্যায়ের অরাজকাতা।

প্রখ্যাত বৌদ্ধ ইতিহাস রচয়িতা তারানাথ এই সময় সম্পর্কে বলেন,
'সমগ্র বাংলাদেশ জুড়িয়া অভুতপূর্ব নৈরাজ্যের সূত্রপাত হয়। গৌড়ে-বঙ্গে সমতটে তখন আর কোনও রাজার আধিপত্য নাই, সর্বময় রাষ্ট্রীয় প্রভুত্ব তো নাইই। রাষ্ট্র ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন; ক্ষত্রিয়, বণিক, ব্রাহ্মণ। নাগরিক স্ব স্ব গৃহে সকলেই রাজা। আজ একজন রাজা হইতেছেন, কাল তাহার মস্তক ধূলায় লুটাইতেছে।'

এর চেয়ে নৈরাজ্যের বাস্তব চিত্র আর কী হতে পারে! সমসাময়িক লিপি ও কাব্যে (রামচরিত) এ ধরনের নৈরাজ্যকে বলা হয়েছে মাৎসান্যায়।
বাহুবলই একামাত্র বল, সমস্ত দেশময় উচ্ছৃঙ্খল বিশৃঙ্খল শক্তির উন্মত্ততা; দেশের এই অবস্থাকে কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে তাকেই বলে মাৎসান্যায়। অর্থাৎ বড় মাছের ছোট মাছকে গ্রাস করার যে ন্যায় বা যুক্তি সেই ন্যায়ের অপ্রতিহত রাজত্ব।

শত বৎসরের এই মাৎসান্যায়ের নৈরাজ্যে বাংলায় আর্থ সামাজিক অবস্থা চরম নাজুক অবস্থায় পতিত হয়। এই নৈরাজ্যে সাধারণ মনুষের জীবনে কি পরিমান ভোগান্তি ও দূর্দশা ছিল টা সহজেই অনুমেয়। সংস্কৃত গ্রন্থ মঞ্জুশ্রীমূলকল্প থেকে এই সময় ঘটা এক নিদারুণ দুর্ভিক্ষের খবর পাওয়া যায়।

জনগনের মধ্যে থেকে জনগনের রাজা নির্বাচন
শেষ পর্যন্ত এই উৎপীড়ণ যখন আর সহ্য হলো না তখন সারা বাংলার রাষ্ট্র নায়কেরা একত্র হয়ে নিজেদের মধ্য থেকে একজন কে অধিরাজ বলে নির্বাচন করলেন এবং তাঁর সর্বময় আধিপত্য মেনে নিলেন। এই রাষ্ট্রনায়ক অধিরাজের নাম গোপাল দেব

কে এই গোপাল দেব? গোপালের পুত্র ধর্মপালের খালিমপুর তাম্রলিপি তে বলা হয়েছে "গোপালদেব ছিল দয়িতবিষ্ণুর পুত্র এবং বপ্যটের পৌত্র। মাৎসান্যায় দূর করিবার অভিপ্রায়ে প্রকৃতিপুঞ্জ গোপালকে রাজা নির্বাচন করিয়াছিল"

বাঙালি রাজা গোপাল দেব
একটা ব্যাপার লক্ষণীয় পাল রাজাদের রাজ সভায় রচিত কোন গ্রন্থে নিজেদের বংশ কৌলিন্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয় নাই। সাধারণ প্রজা দয়িতবিষ্ণুর পুত্র গোপালদেবের জন্ম ভুমি বরেন্দ্র(রাজশাহি) অঞ্চলে। এবং সেখানে তিনি একজন সামন্ত নায়ক ছিলেন। এবং তিনি যে বাঙালি ছিলেন এতে সন্দেহের অবকাশ নাই।

লিপিতে বলা সংস্কৃত প্রকৃতিপুঞ্জ শব্দের অর্থ যদিও জনসাধারণ, কিন্তু বাংলার সকল জনগণ সম্মিলিত হয়ে গোপালকে রাজা নির্বাচিত করেছিল এটা মনে হয় না। আসলে তখন দেশ জুড়ে অসংখ্য সামন্ত নায়কেরা ছিল দন্ডমুন্ডের কর্তা। তাহারা যখন দেশকে বারবার বৌদেশিক শত্রুর আক্রমন থেকে আরা রক্ষা করতে পারলেন না, শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পারলেন না, তখন একজন রাজা ও কেন্দ্রিয় রাষ্ট্র গড়ে তোলা ছাড়া বাঁচার আর পথ ছিলনা। তাদের এই শুভ বুদ্ধির ফলে বাংলাদেশ নৈরাজ্যের অশান্তি ও বিশৃঙ্খলা এবং বৈদেশিক শত্রুর কাছে বার বার অপমানের হাত থেকে রক্ষা পেল।

আনুমানিক ৭৫০ খ্রীস্টাব্দে গোপালদেব(৭৫০ খ্রীঃ-৭৭৫ খ্রীঃ) পাল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন। রাজা হয়ে সমস্ত সামন্ত প্রভূদের দমন করে নিজের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন, দেশ থেকে অরাজকতা দূর করেন, বহি শত্রু আক্রমন থেকে দেশ কে রক্ষা করেন। দ্বাদশ শতাব্দিতে গোবিন্দ পালের(১১৬১খ্রীঃ-৬৫খ্রীঃ) সঙ্গে সঙ্গে গোপাল প্রতিষ্ঠিত এই পাল বংশের অবসান ঘটে। সুদীর্ঘ চারশ বৎসর ধরে নিরবিচ্ছিন্ন একটা রাজবংশের রাজত্ব খুব কম দেশের ইতিহাসেই দেখা যায়।

বাঙালির সামরিক শক্তি ও সাম্রাজ্য বিস্তার
বৃহত্তর বাংলাকে সংহত ও শক্তিশালী করে গোপাল মারা যাবার পর হাল ধরেন পুত্র ধর্মপাল। তার নেতৃত্বে বাঙালির সামরিক শক্তি তৎকালীন ভারতের আন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়। তিনি প্রায় সমগ্র পূর্ব ভারতের একের পর এক রাজয় জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি হন।
"কনৌজ জয় করার পর এক দরবারের আয়োজন করেন। ঐ দরবারে ভোজ, মৎস, মুদ্র, কুরু, যদু, যবন, অবন্তী, মালব, বেরাব, গান্ধার, পেশোয়ার, কীর প্রভৃতি প্রাচীন রাজ্যগুলির রাজাগন উপস্থিত হইয়া বাঙালি ধর্মপালকে অধিরাজ বলিয়া স্বীকার করেন" - (খালিমপুর তাম্র লিপি)

পাঞ্জাব থেকে নেপাল পর্যন্ত বিস্তৃত বিভিন্ন রাজ্যসমূহ ধর্মপাল জয় করেছিলেন। ধর্মপাল মারা যাওয়ার পর রাজা হন পুত্র দেবপাল। দেবপাল পিতার সাম্রাজ্য আরও বিস্তৃত করেন। হিমালয়ের সানুদেশ হতে আরম্ভ করে বিন্ধা পর্যন্ত এবং উত্তর পশ্চিমে কম্বোজ থেকে আরম্ভ করে প্রাগজোতিষ পর্যন্ত তার আধিপত্য স্বীকৃত হতো।

এত বড় সাম্রাজ্য রক্ষার জন্য বিশাল শক্তিশালি সেনাবাহিনীর প্রয়োজন ছিল। আরবের বণিক পর্যটক সুলেমান তার বিবরণীতে বলেন।
"বঙ্গরাজ দেব পালের সৈন্যদলে ৫০০০০ হাতি ছিল এবং সৈন্যদলের সাজসজ্জা ও পোষাক পরিচ্ছদ ধোওয়া, গুছানো ইত্যাদি কাজের জন্যই ১০ থেকে ১৫ হাজার লোক নিয়োজিত ছিল"।

একশ বছরের কম সময়ের মধ্যে ছিন্ন ভিন্ন হত্যদম বাঙালি গা ঝারা দিয়ে উঠে শোর্য বীর্য ও দক্ষতার সাথে বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করেছিল। যার যাদু মন্ত্র ছিল বৃহত্তর বাংলার ঐক্যবদ্ধ শক্তি। এই শক্তির ভিত্তি রচনা করে গিয়েছিলে প্রতিষ্ঠাতা গোপাল।

বাঙালির জন্য পাল বংশের গুরূত্ব
বাংলার ইতিহাসে পালবংশের আধিপত্যের এই চারশ বৎসর নানাদিক থেকে গভীর ও ব্যাপক গুরূত্ব বহন করে। বর্তমানের বাঙালি জাতির গোড়াপত্তন হয়েছে এই যুগে। শশান্ক যদিও শুরু করেছিলেন কিন্তু পাল আমলেই বাঙালির রাষ্টব্যবস্থার বিকাশ লাভ করে এই পাল যুগে। বাংলা ভাষা ও লিপির গোড়া খুঁজতে হলে এই চারশ বৎসরের মধ্যে খুঁজতে হবে। এই লিপি, ভাষা, ভৌগলিক সত্ত্বা ও রাষ্ট্রিয় আদর্শকে আশ্রয় করে একটি স্থানীয় সত্ত্বাও গড়ে উঠে এই যুগে।

সেই হাজার বছর আগে পাল রাজাগন ছিলে অসম্প্রদায়িক। তারা নিজেরা বৌদ্ধ; অথচ বৈদিক হিন্দু ধর্মও তাদের আনুকূল্য ও পোষকতা লাভ করেছিল। এমনকি একাদিক পালরাজা হিন্দু ধর্মের পুজা এবং যজ্ঞে নিজেরা অংশ গ্রহন করেছেন, পুরোহিত সিঞ্চিত শান্তি বারি নিজেদের মস্তকে ধারণ করেছেন। রাষ্ট্রের বিভিন্ন কর্মে ব্রাহ্মণের নিয়োজিত হতেন, মন্ত্রি সেনাপতি হতেন, আবার কৌবর্তরাও এই সব পদে স্থান পেত। এইভাবে পালবংশ কে কেন্দ্র করে বাংলায় প্রথম সামাজিক সমন্বয় সম্ভব হয়েছিল।

পাল রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও আনুকূল্যে নালন্দা, বিক্রমশীলা, ওদন্তপুরী, সারনাথের বৌদ্ধ সংঘ ও মহাবিহারগুলিকে আশ্রয় করে আন্তর্জাতিক বৌদ্ধজগতেও বাংলা ও বাঙালির রাষ্ট্র এক গৌরবময় স্থান ও প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল।

এই সকলের সম্মিলিত ফলে বাঙলায় এই সময়েই অর্থাৎ এই চারশ বৎসর ধরে একটি সামগ্রিক ঐক্যবোধ গড়ে উঠে। এটাই বাঙালির স্বদেশ ও স্বজাত্যবোধের মূলে এবং এটাই বাঙালির একজাতীয়ত্বের ভিত্তি। পাল-যুগের এটাই সর্বশ্রেষ্ঠ দান।


মোরাল অব দি স্টোরি

সঠিক সময়ে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করা গেলে বাঙালিরও উন্নতির শিখরে উঠতে না পারার কারণ নাই।




----------------------------------------------------------------
বাঙাল গরব সিরিজ:
বাঙাল গরব ১

বাঙাল গরব ২ : বাঙালিই প্রথম পরাজিত করেছিল হাজার বছর ধরে শত শত যুদ্ধে বিজয়ি অপ্রতিরোধ্য আর্য দের

বাঙাল গরব ৩ : বাঙালিই থামিয়ে দিয়েছিল আলেকজান্ডারকে

-----------------------------------------------------------------


একটা কথা:
শিরোণামের বাঙাল বলতে শুধুমাত্র বাংলাদেশের বাঙালিদের বোঝানো হয় নাই। বরং বৃহত্তর বাঙালি জাতির পূর্বপুরুষকে বুঝানো হয়েছে।

ছবি : দেব পালের সাম্রাজ্যের মানচিত্র (উইকিপিডিয়া থেকে)

তথ্য সূত্র:
বাঙ্গালীর ইতিহাস (আদি পর্ব) - নীহারঞ্জন রায় | দে'জ পাবলিশিং - কলিকাতা
বাংলাপিডিয়া
উইকিপিডিয়া

অনুপ্রেরণা : এই সিরিজটা মুক্ত মনার লেখক ফতে মোল্লার বিদ্রোহি বঙ্গ।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: বাঙাল গরব  বিভাগে ।

 

  • ৪৭ টি মন্তব্য
  • ৪০৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৩৩
comment by: আকাশচুরি বলেছেন: এরকম আরো লেখার অপেক্ষায়...+
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৪৭
comment by: জয়িতা বলেছেন: পড়তে পড়তে মাতা কাইত।তবে লেখাটা জুসসসসসসসসসসসসস।কত কিছু অজানা রয়ে গেছে......লিখে যাও।
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩১

লেখক বলেছেন: থ্যান্কু!

৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫২
comment by: মনিটর বলেছেন: এই আকালে হীরার টুকরা লেখা ।

(পাল সাম্রাজ্যে নেপাল কি বাঙলার অন্তর্গত ছিল? সেইদিন কে যেন বলল, জবাব দিতে পারলাম না ।)
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৭

লেখক বলেছেন: কনৌজের ইন্দ্ররাজকে পরাজিত করেন ধর্মপাল এবং সেই সিংহাসনে বসান চক্রায়ুধ কে। কনৌজে চক্রায়ুধের অভিষেকের সময় ধর্মপালের হাতে পরাজিত রাজ্যের রাজারা তাকে অধিরাজ বলে স্বীকার করেন। এই দিগ্বিজয় উপলক্ষে তার সৈন্য-সামন্তরা কেদার, গোকর্ণ ও গঙ্গাসমেতাম্বুদি তে তীর্থ পুজা ইত্যাদি করে। কেদার ও গোকর্ণ নেপালে অবস্থিত। অনেকে মনে করেন গঙ্গাসমেতাম্বুদি স্থান টা ও নেপালে।

ধর্মপালের মুঙ্গের লিপির একটা শ্লোকে হিমালয়ের পাদদেশ দিয়া ধর্মপালের সমরাভিযানের ইঙ্গিত আছে।

স্বয়ম্ভূপুরাণেতো স্পষ্ট বলা আছে গৌড়রাজ ধর্মপাল নেপালের অধিপতি ছিলেন।

৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৫৩
comment by: মনিটর বলেছেন: + প্রিয় পোস্ট
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:১৪
comment by: রেটিং বলেছেন: +
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:২৬
comment by: নগর বাউল বলেছেন: +
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সিটি বাউল। :)

৭. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৩৩
comment by: মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: পাল যুগের কথা আবার মনে করায়ে দিলেন।
Click This Link
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:২৫

লেখক বলেছেন: পর্লাম।

৮. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৪২
comment by: আরিফ জেবতিক বলেছেন: আমার একটা প্রস্তাব হচ্ছে , ধারাবাহিকতা রক্ষা করে সিরিজ করুন ।

শুরু হতে পারে শশান্কেরও আগে থেকে , মানে যতোটুকু আগে পর্যন্ত যাওয়া যায় ।
একেকটা পোস্টে একেকটা এরা আলোচনা করলেই ব্লগের যারা এই ইতিহাসের অংশটুকু জানেন না তাদের পক্ষে জানা সহজ হয় ।
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৭

লেখক বলেছেন: বাঙাল গরব ৩ এ আলেক্সান্ডারের সময় বাঙালি নন্দ রাজাদের কথা লিখেছিলাম। কিন্তু তারপর থেকে শশাঙ্ক পর্যন্ত হাজার বছরে বাঙালি রাজা বা বাঙালির সাম্রাজ্য ইতিহাসে খুজে পাওয়া যায় না। শশাঙ্কেরও সোর্স খুব কম।

৯. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫০
comment by: দ্বিতীয়নাম বলেছেন: +
তাইলে বাঙালি পাল রাজাগণ ৪০০ বছর ভারতবর্ষ শাসন করছে!
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: সীতা কার বাপ!

১০. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৫
comment by: ঝড়ো হাওয়া বলেছেন: এই জিনিস বুঝতে আমার সময় লাগবে।
সময় কইরা একদিন লাইভ বুঝায় দিয়েন।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:১৪

লেখক বলেছেন: জালি বেত দিয়া পিটাইয়া বুঝামু ;)

১১. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:৫৯
comment by: মনের কথা বলেছেন: এই রকম সিরিজ চলতে থাকুক। +++++

(মেসেঞ্জারে পাচ্ছি না কেন!)
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! আছিতো।

১২. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:২৫
comment by: জ্বিনের বাদশা বলেছেন: +++++ ... ইতিহাস আলোচিত হোক ...
ক্রনোলজিকাল সিরিজ করে ফেলেন ... সহজবোধ্য ভাষায় ইতিহাস পড়ি
১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

তবে এই সিরিজটা ইতিহাস লেখার জন্য না। শিরোনামটা খেয়াল করলে বুঝতে পারবেন লেখার উদ্দেশ্য।

১৩. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৫:৩৭
comment by: নেমেসিস বলেছেন: +++++++++++++ ( ইনফিনিটি )

মোরাল অব দি স্টোরি

সঠিক সময়ে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করা গেলে বাঙালিরও উন্নতির শিখরে উঠতে না পারার কারণ নাই।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ৯:৪৯

লেখক বলেছেন:
আমার এই সিরিজের আপনি একনিষ্ঠ পাঠক নেমেসিসকে অনেক ধন্যবাদ । :)

১৪. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৮
comment by: রাশেদ বলেছেন: যাক, অনেকদিন পরে আবার দিলেন। থ্যাঙ্কস। :)
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:১৩

লেখক বলেছেন: ওয়েল্কাম। :)

১৫. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪৩
comment by: শফিউল আলম ইমন বলেছেন: ভালো লেখা।++++++
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

১৬. ১৭ ই মার্চ, ২০০৮ রাত ৯:৫৫
comment by: মুকুল বলেছেন: অনেক দিন পর! আবারও দুর্দান্ত পোস্ট! :)

*****
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৫৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুকুল।

১৭. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:০৭
comment by: শেখ জলিল বলেছেন: সুন্দর পোস্ট। ..বাঙালির গর্বের ইতিহাস, অবশ্যকর্তব্য পড়ার ইতিহাস।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৪৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ জলিল ভাই।

১৮. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:২৩
comment by: বিবর্তনবাদী বলেছেন: সঠিক সময়ে সঠিক নেতৃত্ব নির্বাচন করা গেলে বাঙালিরও উন্নতির শিখরে উঠতে না পারার কারণ নাই। এবং আমরা উঠবোই।

@অচেনা বাঙালি - ব্লগে লেখা পড়তে আসা কতটা স্বার্থক সেটার হিসেব যদি আমি কখনও করি, তার মাঝে অন্যতম একটি কারন হবে আপনার বাঙাল গরব সিরিজটা পড়তে পারা। দূর্দান্ত এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪০

লেখক বলেছেন: লাল হয়ে গেলাম ভাই। কি আর বলব; কৃতজ্ঞতা।

১৯. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৪২
comment by: আলম ভাই বলেছেন: বস এরম এক্টা সিরিজ লেক্তাছেন খিয়াল করি নাই৷ থেঙ্কু৷
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: বস আপনারেও থেন্কু ।

২০. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:০৫
comment by: মিরাজ বলেছেন: ভালো লাগলো লেখাটি । আপনার এই সিরিজের আগের লেখাগুলিও পড়তে হবে ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ। পোস্টে আগের পর্ব গুলোর লিংক যোগ করলাম।

২১. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:২৬
comment by: এস্কিমো বলেছেন: অচেনা,

একটু মাদবরি করি।

আপনি কষ্ট করে পুরো লেখাটাকে ছোট ছোট পর্বে দিতে পারেন। অবশ্যই লিংকগুলো ধারাবাহিক ভাবে আসবে।

ইতিহাস পড়ার মজাই আলাদা। সেই মজাটা পরিবেশনের জন্যে ধন্যবাদ।
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ সকাল ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এস্কিমো মাতুব্বর। :)

একবার ভেবেছিলাম দুই পর্বে দিই। পরে কেন জানি ভাগ করতে ইচ্ছা হলনা।

২২. ১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:০৩
comment by: সামী মিয়াদাদ বলেছেন:


গুড জব ডান.....পরেরটার ওয়েটে আছি....দেরীতে পড়লাম, বিকেলের দিকে লম্বা লেখা পড়ার ধৈর্য্য থাকেনা

ভাল লাগলো


পরে সব একসাথে একটায় সবগুলো পার্ট পোষ্ট দিয়ে দেবেন, প্রিয়তে রাখতে সুবিধা হবে
১৮ ই মার্চ, ২০০৮ দুপুর ১২:২০

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধনবাদ সামী।

২৩. ২৪ শে মার্চ, ২০০৮ দুপুর ২:৩৪
comment by: বন্ধনহীন বলেছেন: প্রিয় অচেনা, খুব ভালো লাগলো পড়ে।

অনেক অনেক দিন পর গত পরশু থেকে আবার সামহোয়্যারে আসা হচ্ছে। (বসন্তে কড়া ঠান্ডায় ঘর থাকে বের হতে ইচ্ছে হচ্ছে না, আজ সকালবেলা -৬° ডিগ্রী স্টুটগার্টে) অন্যান্য পোষ্ট পড়তে পড়তে আপনার ব্লগে আসা হয়নি। আশা করি ক্ষমা করবেন।

সেন রাজারা যখন তৎকালীন বঙ্গের পশ্চিম অংশ দখল করে নিয়েছিল, তখনও প্রায় ৫০/৬০ বছর পূর্বাংশে (আজকের কুমিল্লা, চট্রগ্রাম) পাল রাজাদের স্বাধীনভাবে রাজত্ব ছিল। বাংলার পূর্বাংশ খুব সহজে পরাজয় বরণ করে নিত না। এটা আপনিও হয়ত খেয়াল করেছেন।

শশাংকের উপর আমার কাছে যা আছে, আমি আপনাকে পোষ্ট করার চেষ্টা করবো। বাংলা পিডিয়ায় ভালই তথ্য পাবেন শশাংকের উপর।


হ্যাঁ, আপনার মেইল পেয়েছি। ১৩ তারিখ ঢাকায় পৌছঁবো। সুযোগ পেলে আপনার সাথে দেখা করার প্রচন্ড ইচ্ছে আছে।

আবারো অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
২৪ শে মার্চ, ২০০৮ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

২৪. ১৮ ই নভেম্বর, ২০০৮ সকাল ১১:৫৯
comment by: কাক ভুষুন্ডি বলেছেন: সিরিজ আর আগায় না ক্যান?

 

 


ফেলে আসি পেছনে
সব কষ্ট
আশায় থাকি আসবে
সুদিন নিরন্তর
আসেনা, থাকে শুধু প্রতীক্ষা
কাটেনা আধাঁর।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ৪২০৪৪