আমার প্রিয় পোস্ট

ধুলো থেকে আগমন আবার ধুলোতেই প্রত্যাবর্তন

দেশপ্রেমিকের প্রবেশ নিষেধ! পোষ্টে তাদের ফাঁসী চাওয়া হয়েছে! (চতুরভূজ)

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

নিজের দেশকে কে না ভালবাসে? নিরেট মূর্খ থেকে নিয়ে শুরু করে উঁচুতলার শিক্ষিত সবাই ভালবাসে নিজ নিজ মাতৃভুমি। তাইতো এই দেশ নিয়ে রচিত হয়েছে কত শত গান , কবিতা আর ভালবাসাময় সকল সাতকাহন। অনেকেই অনেক কিছু দিয়ে ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন, অনেকে আবার সব দিয়েই সময়ের দাবীতে মুক্ত করেছেন নিজ দেশের সোনার চেয়ে দামী মাটিকে। মুক্তির দাবীতে পঙ্গুত্ব বরণ করে নেয়া সেই অর্ধেক মানুষেরাও অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে " আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি" গাইতে গিয়ে চোখের পবিত্র জলে ভিজেছেন। এতটাই মমতা এই দেশটির জন্য আমাদের। আমরা যেন সব সহ্য করে নিতে পারি কিন্তু মাতৃভুমির অপমান সহ্য করতে পারিনা, প্রয়োজনে জান দেব তবু মান দেবনা!

এইতো গেল মুদ্রার একপিঠ; কিন্তু অপর পিঠে কি রয়েছে তা বোধকরি সবারই জানা-
সব কিছু সহ্য করে নিতে গিয়ে আমরা সহ্য করে যাচ্ছি বিষাক্ত সীসায় ভারি হয়ে যাওয়া বাতাস,বসবাস করছি পৃথিবীর গ্যাস চেম্বারে! সইতে হচ্ছে কালো ধোঁয়া, দূষিত পানি। অসহনীয় ট্রাফিক জ্যামও আমরা সহ্য করে যাচ্ছি দিনের পর দিন! যত্রতত্র আবর্জনার স্তুপ যেন আমাদের চোখ সওয়া হয়ে গিয়েছে, রাস্তায় উপচে পড়া ডাস্টবিন না দেখলেই যেন মনের অজান্তে কুঁচকে যায় ভুড়ু। এটিইকি আমার সেই চির পরিচিত গলি নাকি অন্য কোথাও এসে পড়লাম!- এই হল আমার দেশের নিত্যদিনের সামান্য রুপের ঝলক! সোনার বাংলা ধীরে ধীরে পরিনত হচ্ছে তামার বাংলায় আমাদেরই চোখের সামনে, কিন্তু সবাই যেন কেমন করে সব কিছু সহ্য করে যাচ্ছি! মনুষ্য প্রজাতীতে জন্ম গ্রহণ করেও নিজেদের নামিয়ে আনছি তেলাপোকার মত সর্বভূকের প্রজাতীতে! বিষাক্ত বাতাস সেবন আর দূষিত পানি পান করেও দিব্যি বেঁচে থাকছি ৫০ বছর- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার এক বিস্ময়কর বিস্ময় হয়ে! সৃষ্টিকর্তা যেন অপরিসীম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দিয়ে আমাদের এদেশে পাঠিয়েছেন! টানতে টানতে আমাদের যতই টানা হচ্ছেনা কেন আমরা ছিঁড়ে যাচ্ছিনা - আমাদের ইলাস্টেসিটি এতই বেশি! সামান্য নড়ে চড়ে জেগে উঠার ভয়ে এই সব নষ্ট দিনরাত্রী যাপন করছি আমরা, দেশপ্রেমিকেরা! যতটুকু সময় আমরা নিজেরা কাজে লাগাতে পারতাম সেটুকুও হারিয়ে ফেলছি সরকারের দোষ দিতে গিয়ে; আবার সেই সরকারকেই প্রতি পাঁচ বছর পর পর নির্বাচিত করে প্রতারিত হচ্ছি নিজের দ্বারা নিজেই, প্রতারণার স্বাক্ষর পার্মানেন্ট কালি হাতে নিয়ে মনের সুখে গান গাইতে গাইতে ফিরে আসছি বাড়ি- ফুলের মত চরিত্রের কাউকে রাজাকীয় আসনে আসীন করেছি! ঘরে ফিরে এসে হিসেবের টাকায় মোটা চালের ভাত গলা দিয়ে নামতে চায়না! নিকৃষ্টমানের চালের দামও ২৬ টাকা কেজি। শায়েস্তা খান সাহেব বেঁচে থাকলে হার্ট আ্যটাক করতেন!

কিন্তু এভাবে আর কতকাল চলবে? এখনও কি আমাদের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়নি, এখনওকি আমাদের ঘুম ভাঙ্গার সময় হয়নি?
একটা ব্যাপার আমরা ভুলে যাই বারবার, সব কিছুর দায় দায়িত্ব সরকারের হাতে না দিলেওতো চলে। আমরা নিজেরাই পারি নেজেদের জীবন যাত্রাকে কিছুটা হলেও আনন্দদায়ক করতে । যেমন,আমরা নিজেরাই পারি নিজেদের এলাকা পরিষ্কারের দায়ীত্ব নিতে যেটা নিয়েছে কলাবাগান বাসীরা। একবার বিদেশী একদল তরুন ঢাকার রাজপথে গীটার বাজিয়ে গান গেয়ে গেয়ে ঢাকাবাসিকে সজাগ করতে চলেছিল আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যাপারে । এসব দেখেও আমাদের নিজ দেশের তরুনদের লজ্জা হয়নি। ওরা আগের মতই নিশ্চুপ রয়ে গিয়েছে। তারা মশাদের গান শুনতেই বেশি আগ্রহী! সেনাকর্মকর্তা কেন কলার চেপে ধরেছে এজন্য অচল করে দিয়েছে সারা দেশ! কিন্তু সেই শক্তি, সেই বলের সামান্য একটা অংশও ব্যায় করতে পারেনা নিজ এলাকার ময়লা পরিষ্কারের জন্য। কি করেছি আমরা এই প্রানপ্রিয় বাংলার জন্য? এখনও কি আমাদের সাজে নিজ নিজ দলের লেজুড়বৃত্তি করা, নিজেকে দেশপ্রেমিক হিসেবে পরিচিতি দেবার হাস্যকর চেষ্টা করা?

অসহনীয় ট্রাফিক জ্যামের প্রধান কারণ- অনিয়ন্ত্রীত ভাবে একই পথে সকল গতির যানবাহন চলাচল। যেখানে চলছে ঘোড়ার গাড়ি সেই পথেই চলছে বাস! যেখানে চলছে মানব চালিত রিক্সা সেই একই পথে চলছে লেক্সাস! চলছে একজনের আগে অন্যের সামনে যাবার রতি, কিন্তু থেমে গিয়েছে দেশেটির প্রগতির গতি। একবার সদরঘাট থেকে গুলিস্তান আসতে আমার সাড়ে তিন ঘন্টা লেগেছিল! তখন মনে মনে ভেবেছিলাম আমাদের পাঠ্যপুস্তক থেকে "সময়ের মূল্য" রচনাটি কেন উঠিয়ে দেয়া হয়না - বেঁচে যেত কয়েক লক্ষ কাগজ আর কয়েক গ্যালন কালি; আর আমাদের ছাত্ররাও বাঁচত সময়ের মূল্যের মত মূল্যহীন রচনার জন্জাল থেকে! একজনকে দেখলাম গাড়ির ভেতর বসে "আ্যলাইস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড" পড়ছে। সে হারিয়ে গিয়েছে আ্যালাইসের সাথে; জ্যাম তাকে স্পর্শ করছেনা। সে মেনে নিয়েছে! জ্যামের কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখা গেল ওয়াসার পাইপলাইন ঠিক করা হচ্ছে মাটি খুঁড়ে। প্রতিদিনই এই মাটি খোঁড়া খুঁড়ির কাজ চলে, প্রতিদিনই জ্যাম লাগে, প্রতিনিয়তই আমরা মেনে নিই! প্রতিদিনই পুলিশকে দুই টাকা ঘুষ দিয়ে এগিয়ে যাবার চেষ্টা করি দেশকে পেছনে ফেলে, আর প্রতিদিনই চিত্কার করি নিজেকে দেশপ্রেমিক সাজাতে!

কালোবাজার আর মজুতদারি সমাজের গভীরে এমনভাবে প্রবেশ করেছে যে এখন সেটাকে বিজনেসের অংশ হিসেবেই দেখা হয়! আমার দেশের শিশুরা ভোগে অপুষ্টিতে, খেতে পায়না ওরা। একটু ভাল খাবারের আশায় রোদের মাঝে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে। কারও মন চাইলে দুটো টাকা পায় আর কারও না চাইলে পায়না। আমার বাবা বলতেন, "ওদেরকে কখনও টাকা দিবিনা; টাকা পেয়ে লোভ হয়ে গেলে ওরা ভাবতে থাকবে - পথের মাঝেই আনন্দ, রাস্তা থেকেইতো পয়সা আসছে তাহলে অন্য পথে কেন চেষ্টা চালাবো, সারা জীবন ওরা রাস্তায়ই থেকে যাবে।" বাবাতো একটা দিক তুলে ধরলেন কিন্তু তিনি কি আসলেই গভীরে গিয়ে ভেবেছেন যে , ওদেরকে দরীদ্র করে তুলছে কারা? কারা বেশি মুনাফা লাভের আশায় সিন্ডিকেট তৈরী করে জিনিসপত্রের দাম নিম্নবিত্তের নাগালের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে, কারা মজুতদারি করে পথকলিদের হক মেরে খেয়ে নিজের উদরপূর্তি করছে! মজুতদারেরাতো ডায়নিং টেবিলে বসে মনোরম সব খাবার গিলছেন বড় আয়েশ করে; ঘরময় স্প্লিট এসির ১৮ ডিগ্রী সেলসীয়াস শীতলতা! ওদিকে আমার দেশের অর্ধেক মানুষ না খেয়ে ক্ষুধার যন্ত্রনায় ভোগে। আমি তাদের সাহায্য করতে দলবদ্ধ হইনা, আমি সাহায্য করি কালোবাজারীকে - যখন কাঁচা মরিচের কেজি ৩০০ টাকা তখনই যেন আমার কাঁচা মরিচ খাবার ধুম পড়ে যায়, বাজার থেকে উধাও হয়ে যায় সেই ৩০০ টাকা দামের মরিচই। আরে এতে করে কি সাহায্য করা হচ্ছেনা সেই অর্থলোভীকেই যে বেশি মুনাফা লাভের আশায় বাজারের এহেন অবস্থা করেছে? সেই কাঁচামরিচ কিছুদিন না খেলে কি জাত চলে যাবে? যাবেনা, কিন্তু তারপরও আমরা হুড়োহুড়ি করি সেটা কিনে নেবার জন্য। একবারের জন্যও ভাবিনা , কিছুদিনের জন্য ওটা বর্জন করলেই পঁচনশীল কাঁচা সব্জীর দাম পড়ে যেতে বাধ্য। না , তা না করে আমাদের কাঁচামরিচ খেতেই হবে আর নিজের ঝালমাখা মুখের ঝাল ঝাল ভাষন দিয়ে প্রমান করতেই হবে - আমি দেশপ্রেমিক!

এভাবেই চলছি প্রতিনিয়ত, অনিয়ন্ত্রীত, এলোমেলো, নিয়মকানুনের কোনো বালই ছাড়া। এটা কি আমাদেরই দোষ নাকি আমার এই দেশটির মাটির দোষ! নইলে দেশের বাইরে গিয়েতো ঠিকই নিয়ম মানছি,আপনি কেন সাহস করেননা সবুজ বাতি না পড়া পর্যন্ত রাস্তা যতই ফাঁকা থাকনা কেন সময় বাঁচানোর জন্য কেন দৌড় দিতে? আপনিকি সাহস করবেন সুইজারল্যান্ড গিয়ে সিগারেটের বাট যত্রতত্র ফেলতে? পারবেন কানাডাতে গিয়ে রাস্তার ধারে প্রস্রাব করতে? দেখেছেন কোথাও বড় করে লিখা ব্যানার, "এখানে প্রস্রাব করা নিষেধ"!!! আপনিকি টোকিওতে উচ্চ শব্দে মাইক বাজিয়ে গান শুনতে পারবেন? আপনি কি সাহস করবেন সিডনীতে স্পীড লিমিট অতিক্রম করে গাড়ি চালাতে? আপনার কি সাহস হবে ফিনল্যান্ড গিয়ে কাউকে ঘুষ সাধার? আপনি কি পারবেন লন্ডনের ফুটপাথে দোকান খুলে বসার? আপনি কি একবারও চিন্তা করেন নি্উইয়র্কের কোনো পথে যেখানে সেখানে গাড়ি পার্ক করার? নাহ, পারবেননা। কিন্তু দেশের মাটিতে পা দেয়ার সাথে সাথে আমরা সব নিয়ম কানুন ভুলে যাই; মনের ভেতর পোষন করি, " যশ্মিন দেশে যদাচার।" একই মানুষ আপনি, আমি, আমরাইতো বিদেশে গিয়ে লয়্যাল সিটিজেন হতে পারছি; সেটা এই দেশটিতে হতে সমস্যা কোথায়? দেশে প্রবেশ করার সাথে সাথে এই মাটিকে নোংরা করার জন্য হাত নিশপিশ করতে থাকে , হাতে রাখা অপ্রয়োজনীয় প্যাকেট খানা যেখানে সেখানে ছুড়ে ফেলে দিয়ে তবেই যেন তৃপ্তি! একটু হেঁটে গিয়ে ডাস্টবিনে চকলেটের প্যাকেট খানা ফেলতে চাইনা কিন্তু নিজেকে দেশপ্রেমিক প্রমান করতে গিয়ে বহুদূর যেতে চাই! দেশীয় পন্যে আমাদের অম্বল হয় কিন্তু দেশপ্রেমিক খ্যাতির জন্য গরীবের রক্ত চুষে খেতেও রুচিতে বাধেনা!

এইসব দেশপ্রেমিকদের জন্যই কি তবে সেইসব দেশপ্রেমিকেরা প্রান দিয়েছিলো, ওরা কি তবে এই জন্যই বরণ করেছে পঙ্গুত্ব? তাঁরা কি একবারও ভেবেছিলেন এইরকম একটা চিত্র হবে সোনার বাংলার? ৩৫ বছরে কি আমাদের কিছুই করার ছিলনা? দেশ দেশ করে বাঁচার জন্য মরে যাচ্ছি কিন্তু দেশের জন্য কাজের কাজ কিছুই হলনা ! এই যদি হয় দেশপ্রেম তবে -

আমি বিদ্রোহী হতে চাই,
আমি একজন সাধারণ নাগরিক হয়েই থাকতে চাই,
আমি দেশপ্রেমিকেরও ফাঁসী চাই।


 

 

  • ১৬৪ টি মন্তব্য
  • ১১০৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৭৬ জনের ভাল লেগেছে, ১৭ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৩৯
comment by: শাক্যমূণি বলেছেন: ৫

কিছু বলিলে ধমক দিতে পারেন আপনি ! ভয় করে!
২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪১
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: আমি কি কেবল ধমকাই!! পক্ষ - বিপক্ষ সবাই বলে একথা! নাহ, আর ভাল্লাগছেনা।
৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৩
comment by: ইফতেখার ইনান বলেছেন: চিন্তাভাবনা চমত্কারা... ৫
৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৭
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: আমাদের দেশপ্রেমিক(?)দের ঐ প্রেম দু'ঠোট ও জিহবা গলিয়ে হৃদয়ে প্রবেশ করেনা। তাই দেশের উন্নতি নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নেই। মাথাব্যথা হচ্ছে কিভাবে রাজনৈতিক বিরোধীদের দমিয়ে - তা নৈতিক অনৈতিক যেভাবেই হোক - নিজের ক্ষমতার মসনদ পাকা করা যায় অথবা নিজের দলটিকে ক্ষমতায় রাখা যায়। কারন এদের কাছে দেশের চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে নেতা বড়, আর নেতার চেয়ে তারা নিজেরা বড়।
৫. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
comment by: ম স রানা বলেছেন: ঠিক আমার মনের কথাগুলো আপনি লিখেছেন।আমারতো মাঝে মাঝে মনে হয় মানুষ হিসেবে আমরা বাংলাদেশীরা খুবই নিচুমানের।আমরা কোন সিস্টেম মানতে চাইনা।শুধু একে অন্যের দোষ দেই।
৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
comment by: আবূসামীহা বলেছেন: দেশপ্রেমিকরা(?) অনেকেই হয়তো কিছু না পড়েই ১ রেটিং করে গ্যাছেন।
৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৪৮
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: ইফতেখার ইনান- ধন্যবাদ।

আবূসামীহা ভাই- শতভাগ একমত।
৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫০
comment by: রাশেদ বলেছেন: সালাম।


ভালা পুস্ট।
৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫০
comment by: ম স রানা বলেছেন: ৫ দিতে ভুলে গেছিলাম।এখন দিলাম।
১০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৪
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন: @চতুরভূজ
আমাদের দেশপ্রেমের চিত্রটা চোখের সামনে ভেসে উঠলে সত্যি খুব লজ্জা হয়। দীর্ঘ ৩৬ বছরে আমারা যে দেশপ্রেম দেখিয়েছি তা হয়ত আর কেউ দেখাতে পারেনি।

আমাদের দেশপ্রেমের চিত্রটা সুন্দর ভাবে তুলে ধরার জন্য আপনাকে ৫
১১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৪
comment by: বইপাগল বলেছেন: আপু ৫ দিয়ে গেলাম, পরে পড়বো, একটু লগ অফ করতে হবে এখন।
১২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৫
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @ম স রানা- লিখায় কাজ হবেনারে ভাই, এবার মাঠে নামতে হবে। নইলে উপরের দিকে চাতকের মত তাকিয়ে থাকতে থাকতে নিজেরাই তলিয়ে যাব অতলে।
@আবূসামীহা ভাই, দেশপ্রেমিকেরা(?) এতেই প্রমান করলেন ওরা যে কতবড় দেশপ্রেমিক!
@রাশেদ, ওয়ালাইকুমআসসালাম। ধন্যবাদ।
১৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৬
comment by: ললিতা বলেছেন: ৫
দেশপ্রেম শুধু মুখে আমাদের। রাজনীতিকদের শ্রদ্ধা করতে ইচ্ছে হয় না। ভালো লিখেছেন।
১৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৮:৫৮
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: পিতাদের দোষদেই আমি,
তাদের জেনারেশন,গত ৩৬ বছর ধরে আমার ধানের শীষের গন্ধলাগা কোমল কিশোরীর মত দেশটাকে দিনে রাতে,ঘুমিয়ে জেগে,অনবরত ধর্ষণ করেছে ।আমাদের সামনে উদাহরন হিসেবে রেখে যাচ্ছে এক পতিত বেশ্যা,শিখিয়ে যাচ্ছে কিভাবে সুবিধালোভী হয়ে এই মাটিটাকে আরও ধর্ষণ করতে হয় ।
সব ভেঙ্গে ফেলতে ইচ্ছে করে আজকাল!!
১৫. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০১
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @ভাস্কর চৌধুরী, আমাদের লজ্জা ঢাকার কোনো ক্ষমতাও আমাদের নেই। বিঁষের বিষাক্ততায় আমাদের মস্তিষ্কে পুরু আস্তরণ পড়ে গিয়েছে! আপনার লিখা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরকে কয়জন জানেন?কতজন আপনার রক্তে লিখা স্বাধীনতাকে জানতে চেয়েছেন?
@ললিতা- আসলেই ওদের প্রতি শ্রদ্ধা হারিয়ে গিয়েছে অনেক আগেই।
@আরিফুল হোসেন তুহিন, আপনার কমেন্টের বীপরীতে কোনো কমেন্ট করার সাহস পেলামনা!
১৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:০৭
comment by: শীখা বলেছেন: অনেক বড় অনেক সময় লাগল পড়তে। পড়ার পর বুঝলাম খুব কঠিন কিছু কথা লেখা আছে ।
কেমন আছ?
১৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:১০
comment by: শামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন বলেছেন: চমতকার লেখা। ৫
১৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২০
comment by: মুকুল বলেছেন: ভালো লেগেছে লেখা।
১৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:২০
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: চতুরভূজ,
আমি এইখানে অনেক নতুন,কিন্তু মনে হচ্ছে কেউ কেউ আপনার উপর দুর্দান্ত খ্যাপা(কেন আমি জানি না,আপনার যতগুলো পোস্ট পড়েছি সবগুলোই কম বেশী অসাধারন,এবং আপনি শ্রম দিয়ে লেখেন তা বোঝা যায়)।কারন টা কি আমি জানি না,আপনি একটু স্পষ্টবাদী("একটু" শব্দটা হয়ত দুর্বল বিশেষন হয়ে গেলো),হয়তো সেটাই ।
ভাই বা বোন যাই হোন এগিয়ে যান,কনস্ট্রাকটিভ লেখার প্রয়োজন আছে,আমরা তো সারাজীবন কবিতা নাম্নী "ফাতরামী" করে গেলাম ।কারও না কারও তো কথাগুলো বলতে হবে!
এইধরনের অপ্রাসঙ্গিক কথা বলার জন্যে স্যরি(স্যরিটা মীন করিনি,এত সহজে ক্ষমা চাওয়া ঠিক না,চারদিকে অনেক অপরাধ হয়)
২০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩১
comment by: নাজিরুল হক বলেছেন: শিরোনাম দেখে ভেতরে ঢুকতে ভয় পেয়েছিলাম। কারণ আমি যে দেশকে খুব ভালবাসি। যাই হোক পুরোটা পড়ে শিরোনামের ব্যাখ্যা জানতে পারলাম।
......... ......... ......... ........ ........ .......
দেশ আমাকে কি দিয়েছে সেটা বড় কথা নয়,
আমি দেশকে কি দিয়েছি সেটাই বড় কথা।

এই কথাটা আমাকে মাঝে মাঝে ভাবিয়ে তূলে। নিজের ও জাতীর উন্নতির জন্য কি আমরা শুধুই দেশের কর্তাদের উপর ডিপেন্ড করবো? নাকি নিজেরাও কিছু করে দেখাবো।

আপনি অনেক সমস্যাই তূলে ধরেছেন।
৫ দিলাম।
২১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৩২
comment by: আদিপ্ত বলেছেন: আলোকিত সকাল, জরাজীর্ণ কুঠির থেকে বেরিয়ে এক যুবক, আলোকিত সকাল দেখে হয়ত তার মনের কোন এক কুঠির উদ্ভাসিত হয়, অনাবিল সুন্দর এক জীবনের সপ্নের।

সেই রকম এক সুন্দর সপ্ন দেখার প্ররম্ভিকতার জন্য চতুরভুজ আপুকে রইল ধণ্যবাদ,

বিদ্রহীরায় স্বপ্ন দেখে,

অসাধারণ পোস্ট .................. ৫
২২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫০
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @শীখা, ভাল আছি। প্রজেক্টের খবর কি?
@সামসুজ্জামান সিদ্দিকী শাহীন, ধন্যবাদ।
@মুকুল, ধন্যবাদ।
@আরিফুল হোসেন তুহিন, নতুন এসেছেন কিন্তু অনেক পুরোনোদের চাইতে অনেক বুঝে ফেলেছেন। আর আপনি যদি কবিতাকে 'ফাতরামি' বলেন তবে সেটাকি অন্যায় হবেনা? স্পষ্টবাদী হিসেবে উচ্চারণ করেছেন বলে বললাম, আপনি কবিতার মাধ্যমে অনেক শকুনীর ব্যাবচ্ছেদ ঘটিয়ে চলছেন প্রতিনিয়ত!
@নাজিরুল হক, আসলেই দেশ আমাদের কি দিল সেটা নিয়ে না ভেবে দেশের জন্য কে কতটা করলাম সেটাই বিবেচ্য হওয়া উচিত।
@আদিপ্ত, চমত্কার এক কমেন্ট করে আমার পোষ্ট কে আলোকিত করে তোলার জন্য ধন্যবাদ।
২৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৮
comment by: রিজভী বলেছেন: ইদানিং এতো ব্যস্ত যে ব্লগে ঠিক মতো আসতে পারিনা।

-- অসাধারণ লিখেছেন।৫
২৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ৯:৫৯
comment by: আদিপ্ত বলেছেন: চতুরভুজ আপু আমি আরিফুল হোসেন তুহিন ভাইয়ার সাথে পুরোপুরি একমত। কিছু কিছু ব্লগার যে পিছে লেগে কি শান্তি পায় ভগবানই জানে।

২৫. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৩
comment by: মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: আমি বিদ্রোহী হতে চাই,
আমি একজন সাধারণ নাগরিক হয়েই থাকতে চাই,
আমি দেশপ্রেমিকেরও ফাঁসী চাই
২৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৪
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: আমার প্রবাস অভিজ্ঞতার কথা বলি।
দেশে যাদেরকে দেখেছি খুবই উচ্ছৃঙ্খল, ঝগড়াটে, নিয়ম কানুনের কেয়ার করে না, যাচ্ছেতাই করে বেড়ায়, ওই তারাই প্রবাসে এসে একেবারে সাধু সজ্জন। কারণ এখানে নাট-বল্টু একেবারে টাইট। কঠোর আইনের হুঁশিয়ারী আছে। আইনের প্রয়োগও যথাযথ। উনিশ থেকে বিশ হলে খবর আছে। তাই এখানে দুষ্টেরা অল্প দিনেই শিষ্ট হয়ে যায়। এই মানুষগুলো নিজ দেশে প্রকৃত ভালো মানুষের মতো থাকলে, এদের দ্বারাই সমাজ যথেষ্ট উপকৃত হতো।
আর আসলে আমাদের জনসংখ্যার অধিকাংশই হতাশাগ্রস্থ। পড়ি কি মরি দৌড়-ভাগের ভেতর দিয়ে জীবন যাপন করে। অধৈর্য অপ্রাপ্তির কারণেও। কবে যে আমরা উন্নত জাতি হবো জানি না। আর রাজনীতির ময়দান তো দখল নিয়েছে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়-আশয়। মৌলিক চাহিদার দিকে খেয়াল নাই। যৌগিক পদার্থ নিয়ে লড়াই হর-হামেশা। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো, ঘৃণ্য রাজনীতিক প্রতিযোগিতা। প্রতিপক্ষের ভালো কাজটাকে স্বীকৃতি দিতে কার্পন্য। ব্লগেও এর প্রকাশ আছে।
তমুকে লিখেছে, তমুক আমাদের শত্রু, তমুক নোবেল বিজয়ী হোক, ১ দাবাও!!
আমাদের মানসিক দৈন্যতার বহিঃপ্রকাশ এসব!!

ভালো লিখেছেন
দুনিয়ার সকল চতুরদের আম্মা!
২৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৫
comment by: সারওয়ারচৌধুরী বলেছেন: ৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫৫
২৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:০৬
comment by: পরাগ জাফর বলেছেন: লেখায় এত জোর কিভাবে পেলেন? আমাদেরকে এর রহস্যটা বলুন।
২৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:১৪
comment by: ইছামতীর পাড়ে বলেছেন: মানুষদের মনের কথাটা বেশ সুন্দর করে তুলে ধরেছেন। এরকম আরো লিখুন। ধন্যবাদ।
৩০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৪০
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: মনের অনেক গভীরে লেগেছে....
অসাধারন।৫
এই পর্যন্ত আমাদের কোন নেতা নেত্রী তাদের কর্মীদের বলে নাই যে আন্দোলন বা মিছিলের সময়
দেশের সম্পদ নষ্ট না করতে! আমরা যা কিছু গড়ি
বিন্দু বিন্দু করে তা মুহুর্তের মধ্যে শেষ করে দিই-
গোষ্টি বা ব্যক্তি স্বার্থে অন্ধ হয়ে! আমরা গান্ধিজীর
কথা বলে ফেনা করি ৩" চামড়া খানা অথচ তার
অহিংস্র বাণী পড়ে থাকে কিতাব খানায়!
আমাদের দেশ প্রেম
কথার কথন আর কাগজের কালির মাঝে বন্ধি....।
পৃথিবীতে অনেক অন্ধ বধির মানুষ দেখেছি যারা
আমাদের দেশের চোখ আছে তবু অন্ধ এমন মানুষদের থেকে হাজার লক্ষ গুন আলোকিত।

৩১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫২
comment by: বিহংগ বলেছেন: সবার ঘুমন্ত চোখ খুলে যাক,৫
৩২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৪
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: @রিজভী, ব্যাস্ততা আমাকেও দেয়না অবসর।
@আদিপ্ত, ওদেরকে পেছনে লাগতে দিন, শান্তিটাই মুখ্য যেখানে।
@মেহরাব শাহরিয়ার, অসংখ্য ধন্যবাদ।
@সারোয়ার ভাই, আবারও দ্যুতিময় কমেন্ট!!
@পরাগ জাফর, এইভাবে বলিয়া লজ্জা দেবেননা জনাব।
@ইছামতির পাড়ে, ধন্যবাদ এবং যেন লিখায় নয় কাজেও বড় হতে পারি দোয়া করবেন।
@সোনার বাংলা, আপনাদের মত দামালেরা কেন আজও চুপটি করে বসে আছে? কেন জেগে উঠছেননা? আজ যে আপনাকে এই সমাজের বড়ই প্রয়োজন!
@
৩৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১০:৫৫
comment by: চতুরভূজ বলেছেন: বিহংগ, অনেক ধন্যবাদ। আপনার শেষ পোষ্ট অসাধারণ হয়েছে।
৩৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৩
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: দেশপ্রেমিকদের(?) আবেদন করিয়া এই অর্বাচীন বালকও পোস্টখানাকে পঞ্চমায়িত করিল।
৩৫. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৫
comment by: দ্বীপবালক বলেছেন: দেশপ্রেমিকদিগকে(?) দেশপ্রেম নামক বৃক্ষের সর্বোচ্চ শাখা হইতে ঝুলাইবার আবেদন করিয়া এই অর্বাচীন বালকও পোস্টখানাকে পঞ্চমায়িত করিল।

দুঃখিত। দেশ
৩৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:১৯
comment by: মিরাজ বলেছেন: ভালো লাগল আপনার চিন্তাধারাটা। এই ব্যাপারে আমার কিছু বলার আছে, এখন ব্যস্ত আছি তাই পরে সময় করে লিখব।
৩৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৩
comment by: বিকেলবেলার সপ্ন বলেছেন: ওরে বাবা.. এতো সমস্যার কথা একসাথে দেখে এদেশে কোটি কোটি মানুষ কেমনে বাস করে এটাই বুঝতে পারছিনা।

অবশ্য সমস্যাগুলোকে অস্বীকার করার কোন উপায় নাই।
৩৮. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৫
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: দোয়া করবেন...
যেন কিছু করতে পারি দেশের জন্য।
আর আমাদের মতো লোকদের কথা কেউ শুনবে না!
৩৯. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:২৯
comment by: লাল দরজা বলেছেন: চতুরভূজ, অনেক দীর্ঘ্য লেখা খেই হারিয়ে যাবার মতো বাক্যবান। পড়া গেল শুধু আপনার সুলিখনের কারনে।
আপনার প্রকাশিত দুঃখ গুলো বাংলাদেশের কারো অপরিচিত নয়, সেকারনে লেখায় সকলের মতো আমার ও সহমর্মিতা থাকলো/থাকবে। কিন্তু বলতে বলতে লেখার শেষে এসে হুট করে এক ঝটকায় যেভাবে দেশ প্রেমিকদের লটকিয়ে দিলেন তাতে আপনার লেখার উদ্দেশ্য সফল হবে কিনা জানিনা কিন্তু লেখার বিষয় বস্তুটাকেও আপনি ঝুলিয়ে দিয়েছেন বলেই আমি মনে করলাম।
আমি একজন দেশ প্রেমিক আপনার মতোই সাধারন মানুষ, আমাকে এমন মরিচকেনার অপরাধে আপনি কেন ফাসি দিতে চাইবেন!
শুনলে অনেকে হয়তো ৩৬ বছর ৩৬ বছর করে চিল্লাচিল্লি শুরু করে দেবেন, বড় লেখার দরকার হলে বড় করে লিখে বলে দিব কিন্তু এই মন্তব্য খাতাটা বড় লিখবার যায়গা নয় বিধায় ছোট করে বলে যাই গত পাঁচ বছরের সরকার মানুষের নৈতিকতায় যে দূর্বিসহ বিদ্যুতের 'খাম্বা' ঢুকিয়েছে, দরিদ্র মানুষের অস্তিত্বে যে স্পর্ধার 'হ্যামার' গাড়ী'র তলে পিষ্ট হয়েছে, বাংলাদেশের আপামর মানুষের সম্পদ যেভাবে বাধভাঙ্গা পাচার হয়েছে সেই স্মরন কালের ভয়াবহ অন্যায়ের দায়ে আপনি কার ফাসি চাইতে যেয়ে তেল জল এক করে কার ফাসি চাইছেন? এ তো ডাহা অন্যায়!
বাংলাদেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবনের যে ব্যাবহারিক অসঙ্গতি তার একটি 'প্রধানতম' 'প্রধানতম' কারন হচ্ছে আমাদের দেশের অস্বাভাবিক জনসংখ্যার চাপ।(এ চাপকে কিভাবে শক্তিতে রূপান্তর করা যায়, কিভাবে ঢাকা কেন্দ্রিক জীবনবোধের ট্রাফিক সারা বাংলায় ছড়িয়ে দেয়া যায় আন্তরিক ভাবে ভাবতে হবে তা নিয়ে। এমন ডাহা অপবাদ দিয়ে নয়।)
কানাডার ভেতর আমাদের মতো দশটা বাংলাদেশের যায়গা বিলকুল খালি পরে আছে, এ্যতো বড়ো দেশে সর্বমোট জনমানুষ হলো সোয়া তিন কোটি। এরা চাইলে প্রশ্রাব করার জন্য নিজেদের সাথে টয়লেট বেধে ঘুরতে পারে, নিউইয়র্কের ফুটপাতে মেক্সিকান 'টাকো' থেকে শুরু করে আরবের 'সুরমা' 'আতর' 'সহজ নামাজ শিক্ষা' থেকে শুরুকরে 'মকসুদুল মোমেনীন' সবই পাওয়া যায়।
দেড় কোটি মানুয়ের চাপে বিপর্য্যস্ত ঢাকা শহরকে পরিহাস করে দিকবিদিক শূন্য ভাবনা চিন্তায় হিতাহিত জ্ঞ্যান হারিয়ে কারা ভিভিআইপি রোডে বিএমডব্লিউ চালিয়ে ফিরেছে সেটা সবাই দেখেছে। সেই দেশ তছনচ করা অপরিনামদর্শী ডাকাতদের দোষে আমার কেন ফাসি হবে, এটা কেমন কথা!
আপনার লেখার শিরেনামে আকর্ষন থাকে পাঠক আকৃষ্ট হয়, পাঠক মনের ইমোশন নিয়ে নারাচারা করবেন পাঠক প্রিয়তা উপভোগ করবেন সব ঠিক আছে সেই সাথে থাকতে হবে লিখিত বিষয়টি দুই নয়নে দেখবার লেখকের দায়িত্ব, দায়। আপনার এ লেখায় যেটার অনুপস্থিতি আমাকে পীড়িত করেছে।
আশা করছি বিষয়টি নিয়ে এখানেই হালকা নয় গভীর কিছু ভাবনা হউক। ধন্যবাদ।
৪০. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৩
comment by: মদন বলেছেন: একবার বিদেশী একদল তরুন ঢাকার রাজপথে গীটার বাজিয়ে গান গেয়ে গেয়ে ঢাকাবাসিকে সজাগ করতে চলেছিল আবর্জনা পরিষ্কারের ব্যাপারে । এসব দেখেও আমাদের নিজ দেশের তরুনদের লজ্জা হয়নি। ওরা আগের মতই নিশ্চুপ রয়ে গিয়েছে। তারা মশাদের গান শুনতেই বেশি আগ্রহী! সেনাকর্মকর্তা কেন কলার চেপে ধরেছে এজন্য অচল করে দিয়েছে সারা দেশ! কিন্তু সেই শক্তি, সেই বলের সামান্য একটা অংশও ব্যায় করতে পারেনা নিজ এলাকার ময়লা পরিষ্কারের জন্য। কি করেছি আমরা এই প্রানপ্রিয় বাংলার জন্য? এখনও কি আমাদের সাজে নিজ নিজ দলের লেজুড়বৃত্তি করা, নিজেকে দেশপ্রেমিক হিসেবে পরিচিতি দেবার হাস্যকর চেষ্টা করা?


অসাধারন...
৪১. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৪৯
comment by: আরিফুল হোসেন তুহিন বলেছেন: @চতুরভূজ
আপনি লিখে যাবেন,কখোনো "পারিপার্শ্বিকতার মাঝে ছড়িয়ে থাকা বায়বীয় ঈর্ষার গন্ধ" কে আমলে নেবেন না ।(আমার মনে হয় না আমার এটা বলার প্রয়োজন ছিলো,আপনি এমনিতেই এইসকল পরজীবিদের .......i know u dont give a damn about this kind of "people with pathetic intentions")ভালো থাকুন এবং আরো লিখুন ।
আর আপনি বলেছেন,
"আপনি কবিতার মাধ্যমে অনেক শকুনীর ব্যাবচ্ছেদ ঘটিয়ে চলছেন প্রতিনিয়ত"
আর "শকুনী ব্যবচ্ছেদ" শব্দে স্ত্রী লিংগের ব্যবহার কি ইচ্ছাকৃত?আমার কি কটাক্ষের গন্ধ পাওয়া উচিত?
৪২. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫০
comment by: সিঁদুরে মেঘ বলেছেন: অসাধারন...
৪৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৭ রাত ১১:৫৪
comment by: পজিটিভ বলেছেন: খুব সুন্দর লেখা। আপনি আপলোড করার পরেই পড়েছি, রাটিং-৫ ও দিয়েছি প্রথমেই। আবার আসলাম পোস্টটাকে অসাধারণ বলার জন্য।
৪৪. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ৯:১৫
comment by: ইেলারা বলেছেন: অঢ়ঁহর াধষষধ
৪৫. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:১০
comment by: শীমুলতা বলেছেন: আফাগো ৫ দেওনের লাইগাই লগ অন করসি। এক্কেরে খাটি কতা কইয়া ঝুলাইয়া দিসেন দেশপ্রেমীকগো। ভালা পুস্ট এরহম লেহাই আশা করি
৪৬. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ সকাল ১১:৩১
comment by: ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন: @চতুরভূজ
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরকে কয়জন জানেন? কিংবা আমার রক্তে লিখা স্বাধীনতাকে কতজন জানতে চেয়েছেন? এ প্রশ্নের উত্তরে আমি আর কি বলব! তা তো আমার পোষ্ট দেখলেই বুঝা যায়...। আসলে আমরা সব জানি, যার জন্য হয়ত নতুন করে এসব লিখা পড়তে কিংবা বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরকে জানার প্রয়োজন পড়ে না। কিন্তু যাদের এখনও বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরকে জানার প্রয়োজন আছে তারা ঠিকই নজর দিয়েছেন। আসলে দীর্ঘ ৩৬ বছর ধরে এভাবেই চলছি আমরা...।
সুন্দর এই প্রশ্ন উপস্থাপনের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
৪৭. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:১৪
comment by: আওরঙ্গজেব বলেছেন: সালাম,
আবারো একটি ভাল লেখার জন্য ধন্যবাদ। ৫।
৪৮. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ১২:২৬
comment by: মনের কথা বলেছেন: গালে চড় মেরে বাস্তব বোঝালেন.... (অবশ্য আমি আগেই বুঝতাম)
৪৯. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৩৮
comment by: অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: আপনি কি ঢাকায়?
৫০. ১০ ই নভেম্বর, ২০০৭ দুপুর ২:৫৫
comment by: নুপুর বলেছেন: বেহুলার ভেলা ভেসে যায়, যমুনার কালো জলে,
প্রাগৈতিহাসিক সরীসৃপেরা নাচে কালো জল দেখে
অষ্টব্যন্জন রচিত হয়, যুগ থেকে যুগে